bangla news

দেড় লাখ টাকার সানগ্লাস পরে সূর্যগ্রহণ দেখলেন মোদী!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-১২-২৬ ৭:৫৭:২৬ পিএম
সূর্যগ্রহণ দেখছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, ছবি: সংগৃহীত

সূর্যগ্রহণ দেখছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, ছবি: সংগৃহীত

নিজেকে ‘ফকির’ দাবি করে আসলেও চলাফেরায় নরেন্দ্র মোদীর একটা রাজসিক ভাব আছে, এটা বললে এর সমর্থনে ব্যাখ্যা দিতে পারবেন? অবশ্য এরইমধ্যে এমন একটি স্পষ্ট উত্তর সামনে এসেছে। তিনি অন্তত দেড় লাখ টাকা দামের সানগ্লাস পরে সূর্যগ্রহণ দেখেছেন।

এর জন্য তাকে তুমুল সমালোচনা মোকাবিলা করতে হচ্ছে। নেটিজেনরা বলছেন, ‘রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই যিনি বলে আসছেন, ‘আমি ফকির। পার্থিব সম্পত্তির প্রতি আমার কোনো মোহ নেই। মানুষের সেবাতেই আমি জীবন উৎসর্গ করতে চাই’। সেই তিনিই ‘রাজসিক’ জীবনের জন্য বিতর্কের মধ্যে পড়েছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, দেড় লাখ টাকার সানগ্লাস পরে সূর্যগ্রহণ দেখে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। সানগ্লাসটি একটি জার্মান সংস্থার। 

এই সানগ্লাস নিয়ে সূর্যগ্রহণ দেখতে কেরালার কোঝিকোড়ে গিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু আকাশে মেঘ থাকায় এই গ্রহণ ভালো করে দেখার সৌভাগ্য হয়নি তার। তিনি টুইটে বলেন, প্রতিটি ভারতীয়র মতো সূর্যগ্রহণ নিয়ে আমিও অত্যন্ত উৎসাহী ছিলাম।

ভারত, ঢাকা, দুবাই, কুয়েত সিটি, করাচি, জাকার্তা, কুয়ালালামপুরসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) দেখা যায় সূর্যগ্রহণ।

এদিকে, নেটিজেনদের দাবি, মেব্যাক আইওয়্যারের সানগ্লাস পরেছিলেন নরেন্দ্র মোদী। এতে খোদাই রয়েছে আর্টিস্ট ভি। ফ্রেমটি টাইটানিয়ামের। এর সঙ্গে রয়েছে কাঠ বা পশুর শিং। এছাড়া ছয়টি রঙে পাওয়া যায় সানগ্লাসটি। ৪০ মার্কিন ডলার থেকে ৩২৫ মার্কিন ডলার দাম হতে পারে এর লেন্সের। আর এর দাম ১৯৯৫ মার্কিন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় এক লাখ ৪২ হাজার ১৪৮ টাকা প্রায়।

আরও পড়ুন>>
বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখছে বাংলাদেশ
সূর্যগ্রহণ বৃহস্পতিবার, খালি চোখে দেখা অত্যন্ত ক্ষতিকর

বাংলাদেশ সময়: ১৯৫৭ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২৬, ২০১৯
টিএ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   ভারত নরেন্দ্র মোদী
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-12-26 19:57:26