bangla news
নিষ্ঠুর শাসক স্টালিনের কি কোনো আবেগ ছিল?

নিষ্ঠুর শাসক স্টালিনের কি কোনো আবেগ ছিল?

রাতে ঘুমাতে গেলেন দুনিয়ার সবচেয়ে কঠোর শাসক স্টালিন। ভিন্নমতকে যিনি একদম সহ্য করতেন না। স্টালিনের সোভিয়েত ইউনিয়নে কেউ তার বিরোধিতা করা মানেই মৃত্যু। মেজাজ ভালো থাকলে নির্বাসন অথবা জেল। এমনকি ভিন্নমতাবলম্বী কমিউনিস্ট পার্টি করলেও নিস্তার ছিল না। বিদ্রোহী হলে তো কথাই নেই। দেশের কোনো জনগোষ্ঠীর ওপর সন্দেহ হলে তাদের নির্বাসনে পাঠাতেন দেশের আরেক প্রান্তে। এক জীবনে তাদের আর ফেরা হতো না নিজের প্রিয় শহর বা গ্রামে।


২০২০-০২-১৬ ৮:৩৩:৪৬ এএম
এমপি চাইলেন ২০, ব্যাংক বলল ২০০ কোটি

এমপি চাইলেন ২০, ব্যাংক বলল ২০০ কোটি

কেউ বুঝতে চায় না- এই জীবন, এই জগৎ বড় রহস্যময়। সাময়িক মনে হবে সব কিছু স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবতা অনেক বেশি কঠিন। ইসলামের ইতিহাসে সাহসী শাসক ছিলেন হজরত ওমর (রা.)। শাসন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ক্ষিপ্রগতিতে সিদ্ধান্ত নিতেন। মুহূর্তের সিদ্ধান্তে তছনছ করে ফেলতেন সব কিছু। দুঃসাহসী এই খলিফা ছিলেন সবার চেয়ে আলাদা। সুশাসক হিসেবেও তাঁর খ্যাতি ছিল বিশ্বময়। সাহসী শাসক ওমর (রা.) অপসারণ করেছিলেন দুনিয়া কাঁপানো তাঁর বিশ্বস্ত সেনাপ্রধান খালিদ বিন ওয়ালিদকে। সে সময়ে উচ্চপর্যায়ের কেউই কল্পনাতেও নেননি এমন সিদ্ধান্ত হতে পারে। কারণ খালিদকে বলা হতো আল্লাহর তরবারি। যেদিকে ছুটতেন যুদ্ধ জয় করে ফিরতেন। ছোট-বড় ১০০টি যুদ্ধে জয়ী হন খালিদ।


২০২০-০২-১০ ১:১৫:১৩ পিএম
নূতন শিক্ষাক্রম নূতন আশা ll মুহম্মদ জাফর ইকবাল

নূতন শিক্ষাক্রম নূতন আশা ll মুহম্মদ জাফর ইকবাল

আমি আমার জীবনে মাত্র একবার শিক্ষক-ছাত্রদের নিয়ে সরকারের একটি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলন করার চেষ্টা করেছিলাম। সেই আন্দোলনের কারণে তিন মাসের ভিতর সরকার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছিল। আন্দোলন শুরু করার পর দেশের সব পত্র-পত্রিকা, টেলিভিশন চ্যানেল, ছাত্র, শিক্ষক-অভিভাবক আমাদের সাহায্য করেছিল সে জন্য এতো তাড়াতাড়ি আমরা আমদের দাবি আদায় করতে পেরেছিলাম। সেটি ছিল ২০০৫ সাল এবং আন্দোলনটি ছিল ‘একমুখী শিক্ষার’ বিরুদ্ধে।


২০২০-০২-০৭ ১:৩০:২১ এএম
ভোটার উপস্থিতিহীনতা ও গান্ধী হত্যাকারীর মূর্তি

ভোটার উপস্থিতিহীনতা ও গান্ধী হত্যাকারীর মূর্তি

একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম বৃহস্পতিবার রাতে। হঠাৎ এক ভদ্রলোক আমার সামনে এলেন। বললেন, ভাই! সিটি ভোটের ফলাফল কী হবে? বললাম, আগে ভোট হোক, তারপর ফলাফল। এত আগে কী করে সব বলি! ইভিএমে ভোটাররা অংশ নেবে। ভোট দেবে। ভদ্রলোক এবার বললেন, ভোটাররা যেতে পারবে তো? আমি বললাম, কেন পারবে না! আমরা সবকিছুতে আগেভাগে হতাশ হয়ে উঠি।


২০২০-০২-০২ ৮:৩৫:১০ এএম
মান্নান ভাই, হজরত ওমর ও উবারচালকের কথা

মান্নান ভাই, হজরত ওমর ও উবারচালকের কথা

প্রিয় মান্নান ভাই! আপনার মনে কি অজানা কোনো কষ্ট ছিল? এভাবে হুট করে চলে গেলেন। কিছুই বলে গেলেন না। মাঝে মাঝে ফোন করতেন। বলতেন, সামনাসামনি কথা হবে। আমিও ব্যস্ত। এই শহরে কাজ ছাড়া একটা মিনিটও থাকা যায় না। বগুড়ায় বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রেস চালু করেছিলাম গত বছরের মাঝামাঝি। আপনাকে অনুরোধ করেছিলাম থাকতে। আপনি ছিলেন। এমন অনুরোধ নতুন কিছু না। আপনি কারও কথা বেশি শুনতেন না। কিন্তু আমি কোনো কিছু বললে ‘না’ করতেন না। রাখতে চেষ্টা করতেন। দেখা হতো না তেমন। কিন্তু একটা বন্ধন ছিল। খারাপ সময়ে একসঙ্গে কিছু কাজ করার বন্ধন।


২০২০-০১-২৬ ৮:৩৫:৫৯ এএম
শিশুদের জন্য উৎসব

শিশুদের জন্য উৎসব

কয়দিন আগে আমি শিশু চলচ্চিত্র উৎসবের সংবাদ সম্মেলনে গিয়েছিলাম। এর আয়োজক ‘চিলড্রেন ফিল্ম সোসাইটি বাংলাদেশ’ এবং আমি এই সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট কাজেই আমাকে যেতেই হবে! ঢাকা শহরের ভেতরে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়াটি এক সময় কঠিন ছিল এখন সেটা ‘কঠিন’ স্তর পার হয়ে ‘কপাল’ স্তরে পৌঁছে গেছে।


২০২০-০১-২৪ ১২:২২:৪৮ এএম
বস্তুনিষ্ঠতা বনাম নিরপেক্ষতা: আমি কেন নিরপেক্ষ নই?

বস্তুনিষ্ঠতা বনাম নিরপেক্ষতা: আমি কেন নিরপেক্ষ নই?

বস্তুনিষ্ঠতা এবং নিরপেক্ষতা এক জিনিস নয়। আমি নিজে বস্তুনিষ্ঠ হতে চাই এবং অন্যের কাছেও তা আশা করি। আমি মনে করি ‘আমি’ নিজে ‘বস্তুনিষ্ঠ’ এবং ‘সত্যনিষ্ঠ’ ও ‘তথ্যনিষ্ঠ’।


২০২০-০১-২০ ১১:২০:৩৬ এএম
সম্রাট আকবরের দুঃসাহসী পরামর্শক কাহন

সম্রাট আকবরের দুঃসাহসী পরামর্শক কাহন

মোগল বাদশাহ হুমায়ুনের পুরো শাসনকালই ছিল অশান্তির। তিন ভাইয়ের ক্ষমতার লড়াই, অন্যদিকে শেরশাহ ও তার ছেলে জালাল খাঁর ক্ষমতা দখলের যুদ্ধ। শুধু হুমায়ুন নন, তার পুত্র দিল্লির সবচেয়ে ক্ষমতাধর বাদশাহ আকবরের শিশুবেলাও ভালোভাবে কাটেনি। আকবর মায়ের পেটে থাকতেই দিল্লির মসনদ হারান বাদশাহ হুমায়ুন। একদিকে ভাইদের বিশ্বাসঘাতকতা অন্যদিকে শেরশাহের যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা। আবেগাপ্লুুত বাদশাহ হুমায়ুনের দিন ছিল বিষাদের। তিনি খেয়ালিও ছিলেন। নিজের মতো করে চলতেন। মনে যা আসত করতেন। একবার তো এক দিনের জন্য বাদশাহিও দান করেছিলেন পথের একজনকে। আবার সাম্রাজ্যহারা হয়ে দিল্লি থেকে পালিয়ে বাদশাহ হুমায়ুন ঘুরেছেন পথে পথে। নাওয়া নেই, খাওয়া নেই- শুধুই পালিয়ে বেড়ানো। এই সময়ে বৈরাম খাঁর নিরাপত্তাটুকুই ছিল ভরসা। পালিয়ে বেড়ানো এমনি এক রাতে হামিদা বানু সন্তান ধারণের খবর দেন। যে সন্তান একদিন হয়ে ওঠেন দিল্লির সবচেয়ে দাপুটে শাসক।


২০২০-০১-১৯ ৮:৫১:০২ এএম
অবৈজ্ঞানিক শিক্ষা ও পরীক্ষা পদ্ধতির নিষ্ঠুর বলি শিশুরা

অবৈজ্ঞানিক শিক্ষা ও পরীক্ষা পদ্ধতির নিষ্ঠুর বলি শিশুরা

সোজা হয়ে হাঁটতে পারার আগে আমাদের শিশুদের স্কুলের আঙ্গিনায় পাঠানো হয়। কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া হয় মস্তবড় ভারী ব্যাগ। অ আ ক খ লিখতে না পারলে দেখানো হয় ভয়-ভীতি। ‘ম’ যে একটি ব্যঞ্জনবর্ণ সেটি না শিখিয়ে বলা হয়, মুখস্ত করো। অতঃপর মুখস্ত করার ক্ষমতা দিয়ে একজন শিশুর মেধা মূল্যায়ন করা হয়, বুদ্ধি-বিচক্ষণতা-সৃজনশীলতা দিয়ে মূল্যায়ন করা হয় না। যে যতো বেশি মুখস্থবিদ্যায় পারদর্শী, সে ততো বেশি মেধাবী। আর এজন্য আমাদের শিশুরা বড় হয়ে আমলা হয়। বিশ্ববিখ্যাত ডাক্তার, প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী, লেখক, দার্শনিক বা উদ্ভাবক হয় না। মা-বাবা গর্ব করে বলে, আমার সন্তান হাঁটতে শেখেনি; কিন্ত দেখো, এটুকু বয়সে কত সুন্দর ছড়া মুখস্থ বলতে পারে। এখানেই যেন অভিভাবকের সকল কৃতিত্ব। আর তখনই শিশুর মেধা অর্ধেক পচে যায়।


২০২০-০১-১৪ ১০:২৭:০১ এএম
দিনদুপুরে নিরপেক্ষ হোক সিটি ভোট

দিনদুপুরে নিরপেক্ষ হোক সিটি ভোট

দিনগুলো মোর সোনার খাঁচায় রইল না সে যে আমার নানা রঙের দিনগুলি। সোনার খাঁচায় কোনো দিনই থাকে না। দিবানিশির আলো -আঁধারিতে একসময় ভালো সময়গুলো হারিয়ে যায়। ঘোর অন্ধকারে তখন শুধুই মনে পড়ে অতীত সুখের স্মৃতিগুলো।


২০২০-০১-১২ ৮:৩৫:০০ এএম
মহানায়কের দেশে ফেরা: অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রা

মহানায়কের দেশে ফেরা: অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রা

‘নতুন করে গড়ে উঠবে এই বাংলা, বাংলার মানুষ হাসবে, বাংলার মানুষ খেলবে, বাংলার মানুষ মুক্ত হয়ে বাস করবে, বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত খাবে- এই আমার সাধনা, এই আমার জীবনের কাম্য। আমি যেন এই কথা চিন্তা করেই মরতে পারি-এই আশীর্বাদ, এই দোয়া আপনারা আমাকে করবেন।’


২০২০-০১-১০ ৩:১২:৩৭ পিএম
হৃদয় যখন আকাশের মতো বিশাল

হৃদয় যখন আকাশের মতো বিশাল

আমার এই লেখাটি জানুয়ারির ১০ তারিখ প্রকাশিত হওয়ার কথা। আমরা যাঁরা মুক্তিযুদ্ধকে দেখেছি তাঁদের কাছে অনেক তারিখ হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ, তবে দুটি তারিখ ছিল অবিস্মরণীয় উল্লাসের। একটি ১৬ই ডিসেম্বর, যেদিন পাকিস্তান সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করেছে; আরেকটি ছিল জানুয়ারির ১০ তারিখ, যেদিন বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলেন।


২০২০-০১-১০ ২:৪০:১৭ এএম
জনকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: বিজয়ের পরিপূর্ণতা অর্জন

জনকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: বিজয়ের পরিপূর্ণতা অর্জন

বাঙালি জাতির জীবনে দশই জানুয়ারি চিরস্মরণীয় অনন্য ঐতিহাসিক দিন। ১৯৭২ সালের এই দিনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলার মানুষ বিজয়ের পরিপূর্ণতা অর্জন করে। যদিও ’৭১-এর ষোলোই ডিসেম্বর বাংলাদেশ হানাদার মুক্ত হয়। কিন্তু বাংলার মানুষ স্বাধীনতার স্বাদ পায়নি। কারণ, যাঁর নেতৃত্বে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ, তিনি তখনো কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দী। যতক্ষণ মহান নেতা ফিরে না এসেছেন, ততক্ষণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরিপূর্ণতা লাভ করতে পারেনি। স্বাধীনতা পূর্ণতা পায় দশই জানুয়ারি, যেদিন জাতির জনক স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে তাঁর স্বপ্নের স্বাধীন সোনার বাংলায় ফিরে এসেছিলেন।


২০২০-০১-১০ ১২:২৯:২২ এএম
মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য ঠেকাতে কৃষকের অ্যাপ

মুক্তমত

মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য ঠেকাতে কৃষকের অ্যাপ

কৃষকের জন্য সুসংবাদ বৈকি। প্রযুক্তির কল্যাণ এখন কৃষকের কল্যাণে যুক্ত হয়ে কৃষিজীবী মানুষের জীবনে নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটাতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন কৃষি ও কৃষকবান্ধব সরকার এই দুরবস্থা লাঘবে দীর্ঘদিন ধরে সচেষ্ট। তারই অংশ হিসেবে বর্তমান খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের সঠিক দিক নির্দেশনায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন খাদ্য অধিদপ্তর বর্তমান আমন- ২০১৯ মৌসুমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ধান সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছিল।


২০২০-০১-০৮ ১২:১২:২৩ এএম
প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ 

প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ 

আজকের বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের শুরুটা হয়েছিল প্রায় শূন্যের অর্থনীতি দিয়ে। সব বাধা অতিক্রম করে বিশ্বে বাংলাদেশ এখন পরিচিত উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে দিয়েছেন ভিশন ২০২১, ২০৩০ এবং ২০৪১। 


২০২০-০১-০৬ ২:২১:৪১ পিএম