bangla news
বস্তুনিষ্ঠতা বনাম নিরপেক্ষতা: আমি কেন নিরপেক্ষ নই?

বস্তুনিষ্ঠতা বনাম নিরপেক্ষতা: আমি কেন নিরপেক্ষ নই?

বস্তুনিষ্ঠতা এবং নিরপেক্ষতা এক জিনিস নয়। আমি নিজে বস্তুনিষ্ঠ হতে চাই এবং অন্যের কাছেও তা আশা করি। আমি মনে করি ‘আমি’ নিজে ‘বস্তুনিষ্ঠ’ এবং ‘সত্যনিষ্ঠ’ ও ‘তথ্যনিষ্ঠ’।


২০২০-০১-২০ ১১:২০:৩৬ এএম
সম্রাট আকবরের দুঃসাহসী পরামর্শক কাহন

সম্রাট আকবরের দুঃসাহসী পরামর্শক কাহন

মোগল বাদশাহ হুমায়ুনের পুরো শাসনকালই ছিল অশান্তির। তিন ভাইয়ের ক্ষমতার লড়াই, অন্যদিকে শেরশাহ ও তার ছেলে জালাল খাঁর ক্ষমতা দখলের যুদ্ধ। শুধু হুমায়ুন নন, তার পুত্র দিল্লির সবচেয়ে ক্ষমতাধর বাদশাহ আকবরের শিশুবেলাও ভালোভাবে কাটেনি। আকবর মায়ের পেটে থাকতেই দিল্লির মসনদ হারান বাদশাহ হুমায়ুন। একদিকে ভাইদের বিশ্বাসঘাতকতা অন্যদিকে শেরশাহের যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা। আবেগাপ্লুুত বাদশাহ হুমায়ুনের দিন ছিল বিষাদের। তিনি খেয়ালিও ছিলেন। নিজের মতো করে চলতেন। মনে যা আসত করতেন। একবার তো এক দিনের জন্য বাদশাহিও দান করেছিলেন পথের একজনকে। আবার সাম্রাজ্যহারা হয়ে দিল্লি থেকে পালিয়ে বাদশাহ হুমায়ুন ঘুরেছেন পথে পথে। নাওয়া নেই, খাওয়া নেই- শুধুই পালিয়ে বেড়ানো। এই সময়ে বৈরাম খাঁর নিরাপত্তাটুকুই ছিল ভরসা। পালিয়ে বেড়ানো এমনি এক রাতে হামিদা বানু সন্তান ধারণের খবর দেন। যে সন্তান একদিন হয়ে ওঠেন দিল্লির সবচেয়ে দাপুটে শাসক।


২০২০-০১-১৯ ৮:৫১:০২ এএম
অবৈজ্ঞানিক শিক্ষা ও পরীক্ষা পদ্ধতির নিষ্ঠুর বলি শিশুরা

অবৈজ্ঞানিক শিক্ষা ও পরীক্ষা পদ্ধতির নিষ্ঠুর বলি শিশুরা

সোজা হয়ে হাঁটতে পারার আগে আমাদের শিশুদের স্কুলের আঙ্গিনায় পাঠানো হয়। কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া হয় মস্তবড় ভারী ব্যাগ। অ আ ক খ লিখতে না পারলে দেখানো হয় ভয়-ভীতি। ‘ম’ যে একটি ব্যঞ্জনবর্ণ সেটি না শিখিয়ে বলা হয়, মুখস্ত করো। অতঃপর মুখস্ত করার ক্ষমতা দিয়ে একজন শিশুর মেধা মূল্যায়ন করা হয়, বুদ্ধি-বিচক্ষণতা-সৃজনশীলতা দিয়ে মূল্যায়ন করা হয় না। যে যতো বেশি মুখস্থবিদ্যায় পারদর্শী, সে ততো বেশি মেধাবী। আর এজন্য আমাদের শিশুরা বড় হয়ে আমলা হয়। বিশ্ববিখ্যাত ডাক্তার, প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী, লেখক, দার্শনিক বা উদ্ভাবক হয় না। মা-বাবা গর্ব করে বলে, আমার সন্তান হাঁটতে শেখেনি; কিন্ত দেখো, এটুকু বয়সে কত সুন্দর ছড়া মুখস্থ বলতে পারে। এখানেই যেন অভিভাবকের সকল কৃতিত্ব। আর তখনই শিশুর মেধা অর্ধেক পচে যায়।


২০২০-০১-১৪ ১০:২৭:০১ এএম
দিনদুপুরে নিরপেক্ষ হোক সিটি ভোট

দিনদুপুরে নিরপেক্ষ হোক সিটি ভোট

দিনগুলো মোর সোনার খাঁচায় রইল না সে যে আমার নানা রঙের দিনগুলি। সোনার খাঁচায় কোনো দিনই থাকে না। দিবানিশির আলো -আঁধারিতে একসময় ভালো সময়গুলো হারিয়ে যায়। ঘোর অন্ধকারে তখন শুধুই মনে পড়ে অতীত সুখের স্মৃতিগুলো।


২০২০-০১-১২ ৮:৩৫:০০ এএম
মহানায়কের দেশে ফেরা: অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রা

মহানায়কের দেশে ফেরা: অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রা

‘নতুন করে গড়ে উঠবে এই বাংলা, বাংলার মানুষ হাসবে, বাংলার মানুষ খেলবে, বাংলার মানুষ মুক্ত হয়ে বাস করবে, বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত খাবে- এই আমার সাধনা, এই আমার জীবনের কাম্য। আমি যেন এই কথা চিন্তা করেই মরতে পারি-এই আশীর্বাদ, এই দোয়া আপনারা আমাকে করবেন।’


২০২০-০১-১০ ৩:১২:৩৭ পিএম
হৃদয় যখন আকাশের মতো বিশাল

হৃদয় যখন আকাশের মতো বিশাল

আমার এই লেখাটি জানুয়ারির ১০ তারিখ প্রকাশিত হওয়ার কথা। আমরা যাঁরা মুক্তিযুদ্ধকে দেখেছি তাঁদের কাছে অনেক তারিখ হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ, তবে দুটি তারিখ ছিল অবিস্মরণীয় উল্লাসের। একটি ১৬ই ডিসেম্বর, যেদিন পাকিস্তান সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করেছে; আরেকটি ছিল জানুয়ারির ১০ তারিখ, যেদিন বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলেন।


২০২০-০১-১০ ২:৪০:১৭ এএম
জনকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: বিজয়ের পরিপূর্ণতা অর্জন

জনকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: বিজয়ের পরিপূর্ণতা অর্জন

বাঙালি জাতির জীবনে দশই জানুয়ারি চিরস্মরণীয় অনন্য ঐতিহাসিক দিন। ১৯৭২ সালের এই দিনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলার মানুষ বিজয়ের পরিপূর্ণতা অর্জন করে। যদিও ’৭১-এর ষোলোই ডিসেম্বর বাংলাদেশ হানাদার মুক্ত হয়। কিন্তু বাংলার মানুষ স্বাধীনতার স্বাদ পায়নি। কারণ, যাঁর নেতৃত্বে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ, তিনি তখনো কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দী। যতক্ষণ মহান নেতা ফিরে না এসেছেন, ততক্ষণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরিপূর্ণতা লাভ করতে পারেনি। স্বাধীনতা পূর্ণতা পায় দশই জানুয়ারি, যেদিন জাতির জনক স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে তাঁর স্বপ্নের স্বাধীন সোনার বাংলায় ফিরে এসেছিলেন।


২০২০-০১-১০ ১২:২৯:২২ এএম
মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য ঠেকাতে কৃষকের অ্যাপ

মুক্তমত

মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য ঠেকাতে কৃষকের অ্যাপ

কৃষকের জন্য সুসংবাদ বৈকি। প্রযুক্তির কল্যাণ এখন কৃষকের কল্যাণে যুক্ত হয়ে কৃষিজীবী মানুষের জীবনে নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটাতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন কৃষি ও কৃষকবান্ধব সরকার এই দুরবস্থা লাঘবে দীর্ঘদিন ধরে সচেষ্ট। তারই অংশ হিসেবে বর্তমান খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের সঠিক দিক নির্দেশনায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন খাদ্য অধিদপ্তর বর্তমান আমন- ২০১৯ মৌসুমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ধান সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছিল।


২০২০-০১-০৮ ১২:১২:২৩ এএম
প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ 

প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ 

আজকের বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের শুরুটা হয়েছিল প্রায় শূন্যের অর্থনীতি দিয়ে। সব বাধা অতিক্রম করে বিশ্বে বাংলাদেশ এখন পরিচিত উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে দিয়েছেন ভিশন ২০২১, ২০৩০ এবং ২০৪১। 


২০২০-০১-০৬ ২:২১:৪১ পিএম
তবুও আগুন জ্বেলে রাখি… 

তবুও আগুন জ্বেলে রাখি… 

২০০৮ সালের পর যারা আওয়ামী লীগ কিংবা ছাত্রলীগে যোগ দিয়েছেন কিংবা সক্রিয় হয়েছেন, তারা শুধু ক্ষমতায় থাকার সুবিধাগুলোই ভোগ করেছেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিরোধী দলের রাজনীতি করা যে কতটা দুরূহ, এটি তারা অনুভব করতে পারবেন না। 


২০২০-০১-০৫ ৩:৪৭:০৫ পিএম
ভেজাল সমাজ ভ্রষ্ট রাজনীতি ও সিরাজের কোষাগার লুটেরা ক্লাইভ

ভেজাল সমাজ ভ্রষ্ট রাজনীতি ও সিরাজের কোষাগার লুটেরা ক্লাইভ

‘এই কথাটি মনে রেখো, তোমাদের এই হাসি খেলায়, আমি যে গান গেয়েছিলাম... জীর্ণ পাতা ঝরার বেলায়।’ গানে কণ্ঠ মেলাচ্ছেন অঞ্জনা ভৌমিক, আর শুনছেন উত্তম কুমার। ছবির নাম ‘চৌরঙ্গি’। শংকরের বিখ্যাত উপন্যাস। পরে সিনেমা তৈরি হয়। উত্তম কুমারের বিপরীতে সুচিত্রা সেনকে ছাড়াই একটি অসাধারণ ছবি।


২০২০-০১-০৫ ৮:৪৪:১২ এএম
নতুন বছরে নতুন প্রত্যাশা ও চ্যালেঞ্জ

সময়ের প্রতিধ্বনি

নতুন বছরে নতুন প্রত্যাশা ও চ্যালেঞ্জ

বিশাল এক সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে শুরু হলো নতুন বছর, ২০২০। নতুন বছরে কালের কণ্ঠ’র পাঠক, পত্রিকার এজেন্ট, হকার, শুভাকাঙ্ক্ষীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে শুভেচ্ছা জানাই। নতুন বছরটি সবার জন্য বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। শান্তির সুবাতাস বয়ে যাক বিশ্বময়। ধর্মে ধর্মে, জাতিতে জাতিতে ভেদাভেদ, হানাহানি বন্ধ হোক। নিপাত যাক সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ, আধিপত্যবাদ ও বর্ণবৈষম্যবাদ।


২০২০-০১-০১ ৮:০৭:৫৩ এএম
নতুন বছরেও অপ্রতিরোধ্য থাকবে শেখ হাসিনার বাংলাদেশ

নতুন বছরেও অপ্রতিরোধ্য থাকবে শেখ হাসিনার বাংলাদেশ

ঢাকা: সময়ের চাকা ঘুরতে ঘুরতে শেষ হলো ২০১৯ সাল। পেরিয়ে গেল আরও একটি বছর। বিদায়ী বছরে বাংলাদেশের উন্নয়নে যেমন যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা, পাশাপাশি বিশ্ব মঞ্চে সেরাদের কাতারে নিজেকে আরও উজ্জ্বল করেছেন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। উন্নয়নের এমন গতির সঙ্গেও সন্তুষ্টির সুযোগ আমাদের নেই। আমাদের সামনে রয়েছে নতুন সময়, নতুন চ্যালেঞ্জ আর নিজেদের ছাড়িয়ে যাওয়ার তাড়না৷ 


২০২০-০১-০১ ৪:১৬:১৫ এএম
মুক্তিযুদ্ধ ভাঙিয়ে সন্ত্রাস কেন?

মুক্তিযুদ্ধ ভাঙিয়ে সন্ত্রাস কেন?

পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ? বঙ্কিমের কপালকুন্ডলা কেউ পড়ুক আর না পড়ুক এই একটা লাইন সবার জানা আছে। কপালকুন্ডলা সেই লাইনটি শুনিয়েছিলেন, সমুদ্রের তীরে গভীর জঙ্গলে পথহারা নবকুমারকে। রান্নাবান্নার জন্য নৌকার সহযাত্রীদের জন্য কাঠ সংগ্রহ করতে বনে যান নবকুমার। শুকনা কাঠ নিতে গিয়ে হারিয়ে ফেলেন পথ। কীভাবে ফিরবেন আর বুঝে উঠতে পারেন না। এদিকে তার ফিরতে দেরি দেখে সহযাত্রীরা ভাবলেন নবকুমারকে শিয়ালে খেয়েছে। অথবা নিয়ে গেছে বাঘে। জোয়ারের কথা চিন্তা করে সবাই নৌকায় উঠে পড়লেন। আর নৌকাও ছেড়ে দিল।


২০১৯-১২-২৯ ৭:৪৮:৪২ এএম
এই বছরটি কেমন গেল?

এই বছরটি কেমন গেল?

এই বছরটি প্রায় শেষ। অন্যদের কথা জানি না আমি বেশ আগ্রহ নিয়ে সামনের বছরটির জন্য অপেক্ষা করছি। তার প্রধান কারণ সামনের বছরটিকে আমরা টুয়েন্টি টুয়েন্টি বলতে পারব। (যখন কেউ চোখে নির্ভুল দেখতে পারে সেটাকে টুয়েন্টি টুয়েন্টি ভিশন বলে!) সামনের বছরটি নিয়ে আমরা নানা ধরনের জল্পনা-কল্পনা করছি। কিন্তু এই বছরটি কেমন গেছে?


২০১৯-১২-২৭ ১:০৮:৫৯ এএম