bangla news
৭ই মার্চের ভাষণ: বাঙালির স্বাধীনতার মহাকাব্য

৭ই মার্চের ভাষণ: বাঙালির স্বাধীনতার মহাকাব্য

টানা ন’মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বহুল কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। ২৫ শে মার্চ কালো রাতে নিরীহ বাঙালি জাতির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। এই যুদ্ধের কারণে শ্মশানে পরিণত হয় শস্য-শ্যামলা সোনার বাংলা। এরপরও বাঙালির মনে কোনো কষ্ট ছিল না! কারণ তারা স্বাধীন একটি দেশ পেয়েছে।


২০২০-০৩-০৭ ১২:১০:৫০ এএম
‘‘এখন কী বই পড়ছো?’’

‘‘এখন কী বই পড়ছো?’’

ছেলেবেলায় ঈদের পরদিন ঘুম থেকে উঠে কেমন জানি ফাঁকা ফাঁকা লাগত, বই মেলা শেষ হবার পর আমাদেরও কয়দিন থেকে কেমন জানি ফাঁকা ফাঁকা লাগছে! এতদিন বিকালবেলা হলেই মনে হতো বই মেলায় গেলে কেমন হয়? যখনই সময় পেয়েছি, সুযোগ পেয়েছি বইমেলা গিয়েছি। চারপাশে বইয়ের স্টল, সুন্দর সুন্দর বইয়ের প্যাভেলিয়ন, সেখানে থরে থরে বই সাজানো। বিশাল এলাকা জুড়ে বইমেলা, একটু পরপর বসার ব্যবস্থা, সময় কাটানোর জন্য এর চাইতে মনোরম জায়গা আর কী হতে পারে? সমস্যা একটিই—বই মেলা পর্যন্ত পৌঁছাতে গিয়ে জীবন বের হয়ে যায়। ঢাকা শহরের ট্রাফিক জ্যাম থেকে নির্মম বিষয় পৃথিবীতে মনে হয় আর কিছু নেই। এর ভিতরে আটকা পড়লে হঠাৎ করে মনে হতে থাকে, কেন আমি ঘর থেকে বের হতে গেলাম? বইমেলায় যেতে গিয়ে আমি তিনদিন দীর্ঘ পথ হেঁটে গিয়েছি। মাঝে মাঝে মনে হয় ঢাকা শহরে বাস গাড়ি টেম্পু তুলে দিয়ে সবাইকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় হেঁটে যেতে বাধ্য করলে কেমন হয়? এখন যেরকম অবস্থা তার থেকে খারাপ হবে বলে মনে হয় না।


২০২০-০৩-০৬ ৯:২৮:০০ এএম
করোনার চেয়ে ভয়াবহ ভাইরাসে আক্রান্ত দেশ

করোনার চেয়ে ভয়াবহ ভাইরাসে আক্রান্ত দেশ

ইউটিউব দেখছিলাম। হুইল চেয়ারে বসে আছেন, এন্ড্রু কিশোর। গাইছেন, ‘জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প, যা কিছু দেখার নাও দেখে নাও, যা কিছু বলার যাও বলে যাও, পাবে না সময় আর হয়তো।’ আহারে! অসাধারণ এই শিল্পী ভালো নেই। শরীরে ভয়াবহ রোগ বাসা বেঁধেছে। অনেক দিন ধরে চিকিৎসা নিচ্ছেন সিঙ্গাপুরে। দেশবাসীর প্রার্থনাকে সঙ্গে নিয়ে লড়ছেন কঠিন অসুখের সঙ্গে। এর মাঝে ডাক্তারের অনুমতি নিয়ে সহযোদ্ধাদের সঙ্গে যান কিছুক্ষণের জন্য একটি অনুষ্ঠানে। সে অনুষ্ঠানের আয়োজনও কিশোরের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। এ অনুষ্ঠানেই হুইল চেয়ারে বসে গাইলেন গানটির কিছু অংশ।


২০২০-০৩-০১ ৮:২৩:৪৮ এএম
গ্রুপিং রাজনীতির ইতি ঘটানোর বার্তা তৃণমূলে

গ্রুপিং রাজনীতির ইতি ঘটানোর বার্তা তৃণমূলে

দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের শহর চট্টগ্রাম। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণেএটি দেশের প্রবেশদ্বারই শুধু নয়, নানা বৈশ্বিক দৃষ্টিও এ জনপদে। একে বলা হয় বাণিজ্যিক রাজধানী। তাই নিঃসন্দেহে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ‘নগরপিতা’ পদটি গুরুত্বপূর্ণ।


২০২০-০২-২৮ ২:০৩:২৩ পিএম
দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে করণীয়: প্রেক্ষাপট উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা

দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে করণীয়: প্রেক্ষাপট উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা

একটা সময় ছিল যখন প্রযুক্তির দিক থেকে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে ছিল।  কিন্তু এখন বহির্বিশ্বের প্রযুক্তির ছোঁয়া বাংলাদেশেও লেগেছে। একসময়ের স্বল্প উন্নত দেশ বাংলাদেশ, এখন সবক্ষেত্রেই উন্নয়নশীল দেশগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। বেড়েছে শিক্ষার হার। 


২০২০-০২-২৫ ২:২৭:৪৯ পিএম
বঙ্গবন্ধু দিবসের স্মৃতিকথা

বঙ্গবন্ধু দিবসের স্মৃতিকথা

প্রতি বছর ২৩ ফেব্রুয়ারি যখন ফিরে আসে স্মৃতির পাতায় অনেক কথা ভেসে ওঠে। আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ এই দিনটিকে গভীরভাবে স্মরণ করি। ১৯৬৯-এর ২৩ ফেব্রুয়ারির পর থেকে বঙ্গবন্ধুর একান্ত সান্নিধ্য পেয়েছি। প্রিয় নেতা তাঁর যৌবনের তেরোটি মূল্যবান বছর পাকিস্তানের কারাগারে কাটিয়েছেন।


২০২০-০২-২৩ ৯:৩০:১৭ পিএম
কী হচ্ছে মুজিববর্ষের নামে

কী হচ্ছে মুজিববর্ষের নামে

আমার বিনোদন রিপোর্টার এলো রুমে। বলল, বঙ্গবন্ধুর ওপর একটি ছবির কভারেজ চায় একজন। বললাম, সমস্যা কী, ভালোভাবে দিয়ে দাও। ভাবলাম, শ্যাম বেনেগালের ছবিটির কথা বলছে। আমরা এ ছবি নিয়ে বেশ কিছু ভালো রিপোর্ট করে আসছি শুরু থেকে। একটু পরে জানলাম, শ্যাম বেনেগালের ছবি নয়, বঙ্গবন্ধুর ওপর সিনেমার কাহিনি লিখেছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা। তিনি ছবি করছেন ঢাকাই ছবির দুই পড়তি নায়ক-নায়িকা নিয়ে। হাসব না কাঁদব, বুঝতে পারছি না। চুপসে গেলাম।


২০২০-০২-২৩ ৭:৩০:১৩ এএম
ভাষা আন্দোলন ও আমাদের বঙ্গবন্ধু

ভাষা আন্দোলন ও আমাদের বঙ্গবন্ধু

একুশ মানে মাথা নত না করা; একুশ মানে দৃপ্ত পথে এগিয়ে যাওয়া। একুশের চেতনায় আমরা এগিয়ে চলেছি, একুশের পথ ধরেই এসেছে বাংলার স্বাধীনতা। 


২০২০-০২-২১ ৯:১৮:১১ এএম
মাতৃভাষার জন্য ভালোবাসা

মাতৃভাষার জন্য ভালোবাসা

১.

এই লেখাটি যেদিন প্রকাশিত হবে সেদিনের তারিখটি হবে ২১ ফেব্রুয়ারি। বাইরের দেশের যেসব মানুষ কখনো আমাদের ২১ ফেব্রুয়ারি দেখেনি তারা যখন প্রথমবার এদেশ এসে এই দিনটি দেখে তারা নিঃসন্দেহে অনেক অবাক হয়ে যায়।


২০২০-০২-২১ ২:৩৬:০৪ এএম
একুশে ফেব্রুয়ারি: বাঙালির আত্মপরিচয়ের দিন

একুশে ফেব্রুয়ারি: বাঙালির আত্মপরিচয়ের দিন

স্বাধীন বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ প্রতি বছর অমর একুশের শহীদ দিবসে মহান ভাষা আন্দোলনের সূর্যসন্তানদের শ্রদ্ধাবনত চিত্তে স্মরণ করে। ১৯৫২ সালের ভাষা শহীদদের পবিত্র রক্তস্রোতের সাথে মিশে আছে বাঙালির জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের গৌরবগাথা।


২০২০-০২-২১ ২:১৫:৫৮ এএম
সাধারণে অসাধারণ একজন সুফি মিজান

সাধারণে অসাধারণ একজন সুফি মিজান

বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ৪৯ বছর হলো। ১৯৭৬ সাল থেকে চালু করা হয় একুশে পদক। এ পর্যন্ত ৫০১ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ সরকার বিশেষ এ রাষ্ট্রীয় পদক তুলে দিয়েছেন।


২০২০-০২-২০ ৬:০৫:৫২ পিএম
নিষ্ঠুর শাসক স্টালিনের কি কোনো আবেগ ছিল?

নিষ্ঠুর শাসক স্টালিনের কি কোনো আবেগ ছিল?

রাতে ঘুমাতে গেলেন দুনিয়ার সবচেয়ে কঠোর শাসক স্টালিন। ভিন্নমতকে যিনি একদম সহ্য করতেন না। স্টালিনের সোভিয়েত ইউনিয়নে কেউ তার বিরোধিতা করা মানেই মৃত্যু। মেজাজ ভালো থাকলে নির্বাসন অথবা জেল। এমনকি ভিন্নমতাবলম্বী কমিউনিস্ট পার্টি করলেও নিস্তার ছিল না। বিদ্রোহী হলে তো কথাই নেই। দেশের কোনো জনগোষ্ঠীর ওপর সন্দেহ হলে তাদের নির্বাসনে পাঠাতেন দেশের আরেক প্রান্তে। এক জীবনে তাদের আর ফেরা হতো না নিজের প্রিয় শহর বা গ্রামে।


২০২০-০২-১৬ ৮:৩৩:৪৬ এএম
এমপি চাইলেন ২০, ব্যাংক বলল ২০০ কোটি

এমপি চাইলেন ২০, ব্যাংক বলল ২০০ কোটি

কেউ বুঝতে চায় না- এই জীবন, এই জগৎ বড় রহস্যময়। সাময়িক মনে হবে সব কিছু স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবতা অনেক বেশি কঠিন। ইসলামের ইতিহাসে সাহসী শাসক ছিলেন হজরত ওমর (রা.)। শাসন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ক্ষিপ্রগতিতে সিদ্ধান্ত নিতেন। মুহূর্তের সিদ্ধান্তে তছনছ করে ফেলতেন সব কিছু। দুঃসাহসী এই খলিফা ছিলেন সবার চেয়ে আলাদা। সুশাসক হিসেবেও তাঁর খ্যাতি ছিল বিশ্বময়। সাহসী শাসক ওমর (রা.) অপসারণ করেছিলেন দুনিয়া কাঁপানো তাঁর বিশ্বস্ত সেনাপ্রধান খালিদ বিন ওয়ালিদকে। সে সময়ে উচ্চপর্যায়ের কেউই কল্পনাতেও নেননি এমন সিদ্ধান্ত হতে পারে। কারণ খালিদকে বলা হতো আল্লাহর তরবারি। যেদিকে ছুটতেন যুদ্ধ জয় করে ফিরতেন। ছোট-বড় ১০০টি যুদ্ধে জয়ী হন খালিদ।


২০২০-০২-১০ ১:১৫:১৩ পিএম
নূতন শিক্ষাক্রম নূতন আশা ll মুহম্মদ জাফর ইকবাল

নূতন শিক্ষাক্রম নূতন আশা ll মুহম্মদ জাফর ইকবাল

আমি আমার জীবনে মাত্র একবার শিক্ষক-ছাত্রদের নিয়ে সরকারের একটি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলন করার চেষ্টা করেছিলাম। সেই আন্দোলনের কারণে তিন মাসের ভিতর সরকার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছিল। আন্দোলন শুরু করার পর দেশের সব পত্র-পত্রিকা, টেলিভিশন চ্যানেল, ছাত্র, শিক্ষক-অভিভাবক আমাদের সাহায্য করেছিল সে জন্য এতো তাড়াতাড়ি আমরা আমদের দাবি আদায় করতে পেরেছিলাম। সেটি ছিল ২০০৫ সাল এবং আন্দোলনটি ছিল ‘একমুখী শিক্ষার’ বিরুদ্ধে।


২০২০-০২-০৭ ১:৩০:২১ এএম
ভোটার উপস্থিতিহীনতা ও গান্ধী হত্যাকারীর মূর্তি

ভোটার উপস্থিতিহীনতা ও গান্ধী হত্যাকারীর মূর্তি

একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম বৃহস্পতিবার রাতে। হঠাৎ এক ভদ্রলোক আমার সামনে এলেন। বললেন, ভাই! সিটি ভোটের ফলাফল কী হবে? বললাম, আগে ভোট হোক, তারপর ফলাফল। এত আগে কী করে সব বলি! ইভিএমে ভোটাররা অংশ নেবে। ভোট দেবে। ভদ্রলোক এবার বললেন, ভোটাররা যেতে পারবে তো? আমি বললাম, কেন পারবে না! আমরা সবকিছুতে আগেভাগে হতাশ হয়ে উঠি।


২০২০-০২-০২ ৮:৩৫:১০ এএম