ঢাকা, শুক্রবার, ৫ আশ্বিন ১৪২৬, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯
bangla news

রিশা হত্যা মামলা রায় ৬ অক্টোবর

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৯-১১ ৭:৫৭:২৫ পিএম
সুরাইয়া আক্তার রিশা

সুরাইয়া আক্তার রিশা

ঢাকা: রাজধানীর কাকরাইল উইলস লিটল ফ্লাইওয়ার স্কুলের শিক্ষার্থী সুরাইয়া আক্তার রিশা (১৫) হত্যা মামলার রায় দেওয়া হবে আসছে ৬ অক্টোবর (রোববার)।

বুধবার (১১ সেপ্টেন্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েস যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট বেলা পৌনে ১২টার দিকে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের ছাত্রী রিশা ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়। তাকে ভর্তি করা হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৮ আগস্ট মৃত্যু হয় রিশার।

রিশার মা তানিয়া হোসেন রাজধানীর রমনা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ সহ ৩২৪/৩২৬/৩০৭ দণ্ডবিধির ধারায় হত্যাচেষ্টা ও গুরুতর আঘাত করার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে রিশার মৃত্যু হলে ৩০২ ধারা সংযোগ হয়ে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয় এটি।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের শুরুর দিকে ইস্টার্ন মল্লিকা শপিং কমপ্লেক্সের বৈশাখী টেইলার্সে একটি পোশাক বানাতে দেয় রিশা। ওই টেইলার্সে রিশা তার মায়ের মোবাইল নম্বর দিয়েছিল। রশিদ থেকে সেই মোবাইল নম্বর নিয়ে টেইলার্সের কাটিং মাস্টার ওবায়দুল খান (২৯) রিশাকে ফোনে উত্ত্যক্ত করতেন। পরে ফোন নম্বরটি বন্ধ করে দিলে ওবায়দুল স্কুলে যাওয়ার পথে রিশাকে উত্ত্যক্ত করতে থাকেন। তিনি প্রেমের প্রস্তাব দেন। সাড়া না দেওয়ায় রিশাকে ছুরিকাঘাত করা হয়।

২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী হোসেন মামলাটি তদন্ত শেষে ওবায়দুল হককে একমাত্র আসামি করে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১৭ সালের ১৭ এপ্রিল ওবায়দুল হকের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন আদালত। মামলাটির ২৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

গত ২৫ আগস্ট কারাগারে থাকা ওবায়দুল হক মামলাটিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৫২ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯
এমএআর/টিএ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   হত্যা
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-09-11 19:57:25