ঢাকা, রবিবার, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ১৯ মে ২০২৪, ১০ জিলকদ ১৪৪৫

অফবিট

অমূল্য ধন তিমির বমি!

অফবিট ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৯০৭ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৮, ২০১৬
অমূল্য ধন তিমির বমি!

বমির কথা শুনলে গা ঘিনঘিন করাই স্বাভাবিক। তবে বমিও কিন্তু মূল্যবান, যদি তা হয় তিমির বমি। হ্যাঁ, সত্যি বলছি। না হলে কি আর তিন ওমানি জেলে মাছের বদলে তিমির বমি পেয়ে উল্লসিত!

ঢাকা: বমির কথা শুনলে গা ঘিনঘিন করাই স্বাভাবিক। তবে বমিও কিন্তু মূল্যবান, যদি তা হয় তিমির বমি।

হ্যাঁ, সত্যি বলছি। না হলে কি আর তিন ওমানি জেলে মাছের বদলে তিমির বমি পেয়ে উল্লসিত!

এই তিন জেলে সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় তিমির বমি দেখতে পান। মাছ শিকারের কাজ শিকেয় তুলে এখন তারা সেই বমি সংগ্রহের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তারা এরই মধ্যে ৮০ কেজি পরিমাণ বমি সংগ্রহ করেছেন। যার বাজারমূল্য ২৫ লাখ ডলার!
 
‘‘Omani fishermen find 'whale vomit' worth USD 2.5 million’’ এই শিরোনামে The Indian Express  জানিয়েছে এই খবর। ‘Fishermen joyous over getting `whale vomit'. Find why?’ –এই প্রশ্নও রাখা হয় প্রতিবেদনে। প্রশ্নটা আপনার মনেও জাগতে পারে।

উত্তরটা সহজ। এটি অত্যন্ত দামি সুগন্ধী তৈরিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। বিশ্বের সুগন্ধী প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলোর কাছে তিমির বমির রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। সাধারণত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দেশগুলোর সাগরে এই অমূল্য বমি পাওয়া যায় মাঝে মাঝে।

তিমির বমিকে ইংরেজিতে ‘অ্যাম্বারগ্রিস’ (Ambergris) বলে ডাকা হয়। সাধারণত স্পার্ম হোয়েলের থেকে এটি পাওয়া যায়।
    
খালিদ আল সিনানি নামের মধ্য তিরিশের এই ওমানি জেলে ও তার দুই সঙ্গী গত ৩০ অক্টোবর কুরায়াত প্রদেশের সমুদ্র উপকূলের কাছে মাছ ধরতে গিয়ে বিপুল পরিমাণ তিমির বমি ভাসতে দেখেন। এই ভাসমান বমি থেকে তখন প্রচণ্ড দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিলো।

গত ২০ বছর ধরে দিন-এনে-দিন-খেয়ে চলছিলো খালিদ সিনানির দরিদ্র জীবন। এবার  তার ও তার দুই সঙ্গীর কপাল খুলে গেল। দরিদ্র জেলে থেকে তারা এখন রাতারাতি বনে গেছেন কোটিপতি।

কপালে থাকলে কী না হয়!

বাংলাদেশ সময়: ০১০২ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৯, ২০১৬
এমএ/জেএম/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।