ঢাকা, বুধবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩১, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৭ শাওয়াল ১৪৪৫

জাতীয়

২টি ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উদঘাটন, বিপিএম পদক পাচ্ছেন তারা

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮৪৩ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪
২টি ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উদঘাটন, বিপিএম পদক পাচ্ছেন তারা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামিউল আলম (বামে) ও পুলিশ পরিদর্শক মো. জুলহাজ উদ্দীন (ডানে)

সিরাজগঞ্জ: জেলায় দুটি ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় দ্রুত সময়ে রহস্য উদঘাটনসহ একাধিক ক্লু-লেস মামলার সুরাহা ও আসামি গ্রেপ্তার এবং মাদক উদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় সিরাজগঞ্জের দুই পুলিশ কর্মকর্তা পাচ্ছেন পুলিশের সর্বোচ্চ বিপিএম (বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল) পদক।

পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ উপলক্ষে ঘোষিত বিপিএম-পিপিএম পদকপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়।

বিপিএম প্রাপ্তদের তালিকায় আছেন সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. সামিউল আলম ও গোয়েন্দা শাখার পুলিশ পরিদর্শক মো. জুলহাজ উদ্দীন। জুলহাজ উদ্দীন এর আগেও বিপিএম, পিপিএম পদক ও দুবার আইজিপি ব্যজ লাভ করেছেন।  

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজারবাগ পুলিশ গ্রাউন্ডে পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পদকপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মেডেল পরিয়ে দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জানা যায়, ২০২২ সাল থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সামিউল আলম ও গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক জুলহাজ উদ্দীনের নেতৃত্বে বেশ কিছু ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদঘাটন হয়। এর মধ্যে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বেলকুচির ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উদঘাটন ও মাত্র ১২ ঘণ্টায় তাড়াশের ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উদঘাটনের বিষয়টি ছিল অন্যতম। এছাড়াও তাড়াশের ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুসকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় সর্বহারা দলের বড় একটি দল গ্রেপ্তারও ছিল তাদের বড় একটি সাফল্য।

এছাড়াও একাধিক ক্লু-লেস হত্যা মামলা, পুলিশের গাড়িতে ডাকাতি, উল্লাপাড়ায় বাস ডাকাতি, মোবাইলভিত্তিক আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান রকেট এজেন্টকে গুলি করে ডাকাতিসহ একাধিক ডাকাতির রহস্য উদঘাটন করে প্রায় ২২ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার হয় একটি বিদেশি পিস্তল, দুইটি ওয়ান শুটার গান, একটি রিভলভার, তিনটি থ্রি-নট-থ্রি রাইফেল, একটি এসএমজি, সাউন্ড গ্রেনেড, গুলি, ম্যাগজিনসহ বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র এবং দেশিয় অস্ত্র। তাদের নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি মাদকের বড় চালান জব্দ ও শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার হন।

পদকপ্রাপ্ত জুলহাজ উদ্দীন জানান, পুলিশে চাকরির মাধ্যমে যেখানেই দায়িত্ব পাই মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করি। আমি উপ-পরিদর্শক হিসেবে বগুড়া থাকাকালীন ২০১৭ সালে বিপিএম সাহসিকতা, ২০১৮ আইজিপি ব্যাজ, ২০১৯ সালে পিপিএম সাহসিকতা পেয়েছি। সিরাজগঞ্জে আসার পর ২০২৩ সালে আইজিপি ব্যাজ পেয়েছি।

পদকপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামিউল আলম বলেন, যেকোনো পুরস্কার দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করে। আমরা আমাদের কাজ করেছি। পদক দিয়ে আমাদের আরও অনুপ্রাণিত করা হচ্ছে। এ জন্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

বাংলাদেশ সময়: ১৮৪২ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪
এসআইএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।