bangla news

আইজিসিসি’র রবীন্দ্র সন্ধ্যায় দর্শক হৃদয়ে মুগ্ধতা

ফিচার রিপোর্টার | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৮-০৩-১৪ ৩:৫৭:৪৯ পিএম
রবীন্দ্র সংগীত সন্ধ্যায় শিল্পীরা

রবীন্দ্র সংগীত সন্ধ্যায় শিল্পীরা

ঢাকা: ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের (আইজিসিসি) আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো রবীন্দ্র সংগীত সন্ধ্যা। জাতীয় জাদুঘরে সবার জন্য উন্মুক্ত এ আয়োজনে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী আমেনা আহমেদ ও মামুন জাহিদ।

বুধবার (১৪  মার্চ) জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শিল্পীরা দর্শক-শ্রোতাদের জন্য বিভিন্ন আঙ্গিকের একাধিক রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশন করেন; যা দর্শক হৃদয়ে আনে মুগ্ধতা।

আয়োজনে আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রবীন্দ্রপ্রেমী নৌমিতা খানম জানান, রবীন্দ্রনাথের গান সব সময়ই আমার ভালোবাসার একটি বড় জায়গা দখল করে আছে। আর এ অনুষ্ঠানে তার বিভিন্ন সময়ের বিভিন্ন অনুভবের গানগুলো হৃদয়ে মুগ্ধতা এনে দেয়।

সন্ধ্যার এ সঙ্গীতযজ্ঞে শিল্পী আমেনা আহমেদ পরিবেশন করেন- এই কথাটা ধরে রাখিস, নিশি দিন ভরসা রাখিস, জানি তুমি মঙ্গলময়, বেলা যে ফুরায়ে যায়, এবং যাব না যাব না' গানগুলো। 

মামুন জাহিদ নিবেদন করেন- এ পরবাসে, আমার বেলা যে যায়, জগতে আনন্দজজ্ঞে, দক্ষিণ হাওয়া, তুই ফেলে এসেসিছ'সহ বিভিন্ন গান।

এসময় তাদের সঙ্গে যন্ত্র বাদন করেন দীলিপ চক্রবর্তী ও গৌতম মজুমদার (তবলা), মো. সোহেল (কীবোর্ড), মো. নাসির (গীটার) ও আসিফ বিশ্বাস (এশরাজ)।

আমেনা আহমেদ লন্ডনের ট্রিনিটি কলেজ থেকে পিয়ানো বাজানোর উপর অনার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি প্রায় ৩৬ বছর ধরে পশ্চিমা সঙ্গীত ও নাটকের সঙ্গে সম্পৃক্ত। পরে তিনি বাংলাদেশের সুপরিচিত শিক্ষকদের কাছ থেকে রবীন্দ্রসঙ্গীত ও ক্লাসিক্যাল মিউজিক শেখা শুরু করেন।

মামুন জাহিদ রবীন্দ্রসঙ্গীতসহ পুরনো ও আধুনিক গানের চর্চা করেন। নিজেও সঙ্গীত রচনার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক এবং তপন মাহমুদের কাছ থেকে গান শিখেছেন।

অনুষ্ঠান শেষে শিল্পীদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের পরিচালক জয়শ্রী কুণ্ডু।

বাংলাদেশ সময়: ০১৫৬ ঘণ্টা, মার্চ ১৫, ২০১৮
এইচএমএস/এমজেএফ

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

শিল্প-সাহিত্য বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa
cache_14 2018-03-14 15:57:49