ঢাকা, রবিবার, ১৫ মাঘ ১৪২৯, ২৯ জানুয়ারি ২০২৩, ০৬ রজব ১৪৪৪

স্বাস্থ্য

অসংক্রামক রোগের অন্যতম প্রধান কারণ ধূমপান

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২২২৬ ঘণ্টা, জুন ১৩, ২০১২
অসংক্রামক রোগের অন্যতম প্রধান কারণ ধূমপান

ঢাকা: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)’র ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত বলেছেন, “ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপসহ প্রধান ছয়টি সংক্রমক রোগের অন্যতম প্রধান কারণ ধূমপান। ধূমপান অবশ্যই ছাড়তে হবে।

গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, যারা ধূমপান করেন না, তারা ধূমপায়ীদের চেয়ে ১০ বছর বেশি বাঁচেন। ধূমপায়ীরা শুধু নিজেরই ক্ষতি করেন না, তারা অধূমপায়ীদেরও ক্ষতি করে থাকেন। ধূমপায়ীদের ধোঁয়ায় আক্রান্ত অধূমপায়ীরা ১০ গুণ বেশি ঝুঁকির মধ্যে থাকেন। ”

বুধবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ব্লকের ডেন্টাল অনুষদের ক্লাসরুমে চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত চিকিৎসকদের জন্য নন-কমিউনিকেবল ডিজিজের ওপর আয়োজিত ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

গর্ভবতী মায়েদের কাছাকাছি বসে ধূমপান না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “অটিজম, শারিরীক প্রতিবন্ধিতাসহ বিভিন্ন জন্মগত ত্রুটির কারণ ধূমপান বলে মনে করা হচ্ছে। ”

তিনি আরো বলেন, “মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, কিউবার জননন্দিত নেতা ফিদেল ক্যাস্ট্রোর মতো বিশ্বখ্যাত বহু মানুষ ধূমপানের কুফল বুঝতে পেরে ছেড়ে দিয়েছেন। ”

উপাচার্য তার বক্তব্যে মহিলাদের তামাক, জর্দাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে তামাক জাতীয় সকল দ্রব্য পান করা বা সেবন করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
 
প্রাণ গোপাল ‘টোবাকো: ইট কিলস’ নামে একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশে সিগারেটের প্যাকেটে ধূমপানের কারণে ক্ষতি বিষয়ক বার্তাটি এমনভাবে উল্লেখ করা হয়, যেনো ধূমপান করলে শুধু শ্বাস-প্রশ্বাসের একটু ক্ষতি হয়ে থাকে। প্রকৃতপক্ষে ধূমপান ফুসফুসের ক্যান্সারসহ নিশ্চিত মৃত্যুজনিত বিভিন্ন রোগের কারণ। সিগারেটের প্যাকেটে যাতে এ বিষয়টি বড় করে লেখা থাকে সেজন্য কোম্পানিগুলোকে বাধ্য করতে হবে। ”

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. খন্দকার সিফায়েতউল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ কর্মসূচির ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. এ.কে.এম জাফরউল্লাহ।

ক্যান্সার, হাইপারটেশন ও হৃদরোগের ওপর প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যথাক্রমে ডা. সারওয়ার আলম, ডা. মো. তানভীর ইসলাম ও ডা. এসএম মোস্তফা জামান।

অধ্যাপক ডা. সিফায়েতউল্লাহ তার বক্তব্যে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে নন-কমিউনিকেবল ডিজিজেস কর্মসূচির কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ সময়: ২১৪৬ ঘণ্টা, জুন ১৩, ২০১২
এমএন/সম্পাদনা: আহমেদ জুয়েল, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa