ঢাকা, সোমবার, ১১ আশ্বিন ১৪২৯, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২৮ সফর ১৪৪৪

বিনোদন

আলী হাসানের জীবনের গল্পে ‘ব্যবসার পরিস্থিতি’

বিনোদন ডেস্ক  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৬২৮ ঘণ্টা, আগস্ট ১৩, ২০২২
আলী হাসানের জীবনের গল্পে ‘ব্যবসার পরিস্থিতি’ আলী হাসান

সামাজিকমাধ্যমের কল্যাণে মূলধারার শিল্পীদের বাইরেও অনেকেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন। এবার গান গেয়ে ভাইরাল হলেন নারায়ণগঞ্জের হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী আলী হাসান।

তার গাওয়া র‍্যাপ সং ‘ব্যবসার পরিস্থিতি’ সামাজিকমাধ্যমে তুমুল আলোড়ন তুলেছে। ভাইরাল হওয়া এই গানে উঠে এসেছে একজন ব্যবসায়ীর করুণ পরিস্থিতি।

শুক্রবার (১৩ আগস্ট) গানটি প্রকাশ করে অডিও-ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জি সিরিজ। গানটি গাওয়ার পাশাপাশি কথা ও সুর নিজেই করেছেন আলী হাসান। গানের ভিডিওতে অভিনয় করতেও দেখা গেছে তাকে।

গানটিতে আলী হাসানের সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন সাদি, মানাম, আমিন আলী, উদয়, রাকিব হাসান, মারুফ, সিয়াম হাওলাদার ও রিজন। তাদের নিয়ে ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন নাসিমুল মোরসালিন স্বাক্ষর।  

ইশা খান দূরের তত্ত্বাবধানে প্রকাশিত হয়েছে এই র‍্যাপ গানটি। ‘ব্যবসার পরিস্থিতি’ গানটি প্রকাশ্যে আসতেই মাতিয়ে দিয়েছে পুরো দেশ। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে দেশের তারকাদের টাইমলাইনেও জায়গা করে নিয়েছে এই গানটি।

জানা গেছে, আলী হাসান নিজেও একজন ব্যর্থ হার্ডওয়্যার দোকানের মালিক ছিলেন। ৮ মাস আগে দোকান বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন। সেই অভাব আর অভিজ্ঞতা থেকেই এই গানটি তৈরি করেন।

গানটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাবার অসুস্থতার কারণে নারায়ণগঞ্জের পারিবারিক হার্ডওয়্যার দোকানের হাল ধরেছিলাম। লোকসানের মুখে বহু বছরের স্মৃতিবিজড়িত সেই ব্যবসা আট মাস আগে গুটিয়ে নিয়েছি। এই গান ভাইরাল করার জন্য আমি করিনি। বরং নিজের পরিস্থিতি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। দেড় বছর আগে আমার দোকানে বসেই গানটি লিখেছি।

ব্যবসায়ী হলেও ২০১০ সাল থেকে র‍্যাপ গানের সঙ্গে যুক্ত হাসান, বেশ কয়েকটি কনসার্টে গান পরিবেশন করেছেন তিনি। খাসবাংলা নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলে ‘ফকিন্নি’ ও ‘ধর মার’ শিরোনামে দুটি র‍্যাপ গান প্রকাশ করেছেন তিনি। তবে গান নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নেই তার।

বাংলাদেশ সময়: ১৬২৮ ঘণ্টা, আগস্ট ১৩, ২০২২
এনএটি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa