২২ বছর পর আবারও টেস্ট ক্রিকেট ফিরতে পারে অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে। আগামী বছর বাংলাদেশ সফরে গেলে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের একটি ম্যাচ নর্দান টেরিটরির এই শহরে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।
আইসিসির ভবিষ্যৎ সফরসূচি অনুযায়ী, এই সফর হওয়ার কথা ছিল ২০২৭ সালের মার্চে। তবে ওই সময় মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টেস্ট ক্রিকেটের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ ম্যাচ আয়োজনের কারণে সিরিজটি এগিয়ে আনা হয়েছে ২০২৬ সালের জুলাই-আগস্টে।
শীতকালীন সময়ে অস্ট্রেলিয়ার বড় ভেন্যুগুলোতে সাধারণত টেস্ট আয়োজন করা হয় না। তাই বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ আয়োজনের দৌড়ে আছে ডারউইন, ম্যাকাই, কেয়ার্নস ও টাউন্সভিল। কদিন আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে প্রায় ১৭ বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরেছে ডারউইনে। সেই সিরিজেই মাঠের সুবিধা ও পরিবেশ দেখে সন্তুষ্ট হয়েছেন ক্রিকেটাররা।
যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন। তার ভাষায়, ‘আমরা চাই অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে ক্রিকেট পৌঁছে দিতে, যেন নতুন প্রজন্ম কাছ থেকে তারকাদের দেখতে পারে। ডারউইনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায়ও ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। আবহাওয়া ও কন্ডিশন বিবেচনায় জায়গাটি একেবারেই উপযুক্ত। ’
ডারউইনে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছিল ২০০৮ সালে। সেবারও আগস্ট-সেপ্টেম্বরে শীতকালেই বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজ আয়োজিত হয়েছিল সেখানে। টেস্ট ম্যাচ হয়েছে দুটি। ২০০৩ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে, আর ২০০৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।
অন্যদিকে আরেকটি ম্যাচ আয়োজনের লড়াইয়ে আপাতত এগিয়ে আছে ম্যাকাই। ২০২৩ সালে সংস্কারের পর ভেন্যুটি নতুন করে নজর কেড়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সাম্প্রতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচও হয়েছিল সেখানেই। টাউন্সভিলও সম্ভাবনায় আছে, তবে বজ্রপাতের ঝুঁকির কারণে তাদের অবস্থান কিছুটা পিছিয়ে।
আরইউ