bangla news

বড় অগ্রগতি, রিঅ্যাক্টরে প্রস্তুত রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্প

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-১০-০১ ৮:০৪:১৪ পিএম
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ চলছে, ছবি: বাংলানিউজ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ চলছে, ছবি: বাংলানিউজ

ঢাকা: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণ কাজে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন হয়েছে। প্রকল্পটির প্রথম ইউনিটে রিঅ্যাক্টর বসানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামো স্থাপনের কাজ বা প্রস্তুতি নির্ধারিত সময়ের আগেই সম্পন্ন হয়ে গেছে।

রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) এই স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয় বলে মঙ্গলবার (০১ অক্টোবর) রোসাটমের গণসংযোগ শাখা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য  জানায়।

কাঠামোটির মূল কাজ হচ্ছে রিঅ্যাক্টরকে নির্ধারিত স্থানে সুদৃঢ়ভাবে ধরে রেখে এর ভার বহন করা।

রাশিয়ার রাস্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন- রোসাটমের প্রকৌশল শাখা এটমস্ট্রয় এক্সপোর্টের দেওয়া নকশা অনুযায়ী কাঠামোটি স্থাপন করা হয়েছে।

এটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট এই প্রকল্পের জেনারেল ডিজাইনার ও কন্ট্রাক্টর। এটমস্ট্রয় এক্সপোর্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক সের্গেই লাসতচকিন জানিয়েছেন, এটি একটি জটিল এবং সূক্ষ্ম কাজ। যেখানে যথাসম্ভব সর্বোচ্চ একিউরেসি প্রয়োজন। আমাদের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নির্মাণ সাইটের সবার সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলে আমরা নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজটি সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি। এছাড়া ইউনিট ১ এবং ২ এর নির্মাণ কাজ সিডিউল অনুসারেই এগিয়ে যাচ্ছে।

রুশ নকশা অনুযায়ী নির্মিত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। প্রকল্পটির দুটি ইউনিটেই থাকবে ৩+ প্রজন্মের ভিভিইআর ১২০০ রিঅ্যাক্টর।

১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটটি ২০২৩ সাল নাগাদ উৎপাদনে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

একই ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিট উৎপাদন যাবে ২০২৪ সালে।

২০২০ সালে রাশিয়া থেকে বাংলাদেশে আসবে প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টর।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৫৪ ঘণ্টা, অক্টোবর ০১, ২০১৯
এসকে/টিএ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্প
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa
cache_14 2019-10-01 20:04:14