ঢাকা, সোমবার, ১৩ আষাঢ় ১৪২৯, ২৭ জুন ২০২২, ২৭ জিলকদ ১৪৪৩

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও ৪-৫ দিন

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০৮২৯ ঘণ্টা, মে ২২, ২০১৭
বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও ৪-৫ দিন

ঢাকা: আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পিরস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।

আশুগঞ্জের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ভেঙে পড়ায় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুতের এ সংকট দেখা দিয়েছে বলেও জানান তিনি।

সোমবার (২২ মে) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।

রমজান মাসে বিদ্যুতের কোনো সংকট হবে কিনা- জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি বলতে পারি একটা ভালো পরিস্থিতির দিকে যাবে। সংকট তো থাকবেই, এখনও আছে। ভালো পরিস্থিতি বলতে আগের থেকে ভালো।

তিনি বলেন, যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এজন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। আমরা যে প্রবণতায়, বলবো না খুব ভালো অবস্থায় আছি। ভালো অবস্থায় যেতে আরও তিন‍ বছর লাগবে। ট্রান্সমিশনে এখন ঘাটতি রয়ে গেছে, কাজ চলছে। চায়না সরকারের কাছ থেকে যে অর্থ পাওয়ার কথা তা অন প্রসেসিং। এজন্য কাজ শুরু করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৃহৎ প্রকল্পগুলো এখনও আসেনি। আমি মনে করি, দেশবাসী, গ্রাহক বিষয়টা বুঝতে চেষ্টা করবেন।

নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ কবে পাবে- প্রশ্নে নসরুল হামিদ বলেন, ৪০০ মেগাওয়াটের প্ল্যান্ট ৭-৮ মাসের আগে আসবে না। তবে উত্তরাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে যে পাওয়ার প্ল্যান্ট রয়েছে সেগুলো ৪-৫ দিনের মধ্যে শুরু করে দেবো। সেটা কাভার করবো।

নসরুল হামিদ বলেন, আমরা দেখছি ক্যাপাসিটি বেড়ে যাচ্ছে, একবার বৃষ্টি হলে চার হাজার মেগাওয়টে নেমে যাচ্ছে, গরম পড়লে ১২ হাজার। বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্যাটার্ন পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। গরমে এসি ছাড়ছি, বৃষ্টিতে ঠান্ডা পড়ায় এসি বন্ধ করছি। এখনও ব্যবসায়ী লাইনগুলো ওরকমভাবে বিদ্যুৎ দিচ্ছে না। যদি ধরে নেই যে ক্যাপটিভ পাওয়ারের প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চালু রাখছে, তাহলেও আমাদের বিদ্যুতের চাহিদা আরও বেড়ে যাবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৪৩০ ঘণ্টা, মে ২২, ২০১৭
এমআইএইচ/জিপি/এএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa