ঢাকা: রাজধানীর বকশিবাজারে ছাত্রলীগ ও পুলিশের সঙ্গে বিএনপিকর্মীদের সংঘর্ষের সময় পিটুনিতে গুরুতর আহত হওয়া সেই ছাত্রদলকর্মী কাওসারের জ্ঞান ফিরেছে। রাজধানীর মহাখালী এলাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এ তরুণের একটি অপারেশন করা হবে রোববার (২৮ ডিসেম্বর)।
ঘটনার চারদিন পরে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) কাওসারের জ্ঞান ফিরেছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল সূত্র। রোববার বিকেলের দিকে তার অপারেশন করা হবে বলেও সূত্রটি জানায়। তার দুই হাত ভেঙে গেছে, চোখের অবস্থা নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করতে পারছেন না চিকিৎসকরা।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে এমনটি জানতে পারে বাংলানিউজ। তার নাম-পরিচয় ও যে হাসপাতালে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন তার ঠিকানা বাংলানিউজের কাছে আছে। কিন্তু আহতের নিরাপত্তার কারণে সেসব প্রকাশ করা হলো না।

গত ২৪ ডিসেম্বর দুপুরে দুর্নীতি মামলায় রাজধানীর বকশিবাজারের অস্থায়ী আদালতে খালেদা জিয়ার হাজিরা দেওয়াকে কেন্দ্র ছাত্রলীগ ও পুলিশের সঙ্গে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের কর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এসময় প্রতিপক্ষের লোকজন ছাত্রদলের বেশ কয়েকজন কর্মীকে বেধড়ক পিটুনি দেন। এতে গুরুতর আহত হন কাওসার হোসেন (৩৫) নামে ঢাকা মহানগর উত্তরের তিতুমীর কলেজ শাখার ওই ছাত্রদল নেতা।
সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, পিটুনিতে আহত কাওসার সড়কের ডিভাইডারের কাছে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে আছেন। পরে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে এলে অন্যদের সঙ্গে কাওসারকেও উদ্ধার করে রাজধানীর একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর তাকে পল্টন এলাকার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকে পরদিন ২৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় মহাখালী এলাকার আরেকটি প্রাইভেট হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

যোগাযোগ করলে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক আবদুস সাত্তার পাটওয়ারী বাংলানিউজের কাছে দাবি করেন, ওইদিনের সংঘর্ষে তাদের ৪০ কর্মী আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আহতদের মধ্যে কাওসারের অবস্থাই বেশি উদ্বেগজনক।
সাত্তার পাটওয়ারী জানান, কাওসার হোসেনকেও সেদিনের সংঘর্ষ মামলার আসামি করা হয়েছে।
** জ্ঞান ফেরেনি সেই ছাত্রদলকর্মীর
বাংলাদেশ সময়: ১০৪৮ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২৮, ২০১৪