ঢাকা, শনিবার, ৭ কার্তিক ১৪২৮, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

জাতীয়

রূপগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড: কারণ অনুসন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত কমিটি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৭৩৬ ঘণ্টা, জুলাই ৯, ২০২১
রূপগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড: কারণ অনুসন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত কমিটি

নারায়ণগঞ্জ থেকে: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় সজীব গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সেজান জুস কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফ্য়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর।

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেনেন্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিল্লুর রহমানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করে ফায়ার সার্ভিস।

 


ঘটনাস্থলে উপস্থিত থানা ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত কমিটির প্রধান ও পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেনেন্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিল্লুর রহমান বাংলানিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  

তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে আমরা কাজ করছি। এখন আগুন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে নির্বাপনের চেষ্টা চলছে। এদিকে ভবনের চার তলা থেকে ৪৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আরও তিন জন হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা গেছে।

তবে আমরা ভবনে তল্লাশি করেছি, আশা করছি ভেতরে আর কোনো মরদেহ নেই। তবে কীভাবে এই আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে। এছাড়া ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কতো তা আগামী ১০ কার্যদিবসে মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।  

এর আগে, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় সজীব গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সেজান জুস কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১৯ ঘণ্টা পর কারখানার ভেতর থেকে এক এক করে ৪৯টি পোড়া মরদেহ বের করে আনা হয়েছে। মরদেহগুলো ফায়ার সার্ভিসের চারটি অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদিকে হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনজনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫২ জন। এছাড়া আহত হন আরও অন্তত ৫০ জন।  

বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার উপজেলার কর্ণগোপ এলাকায় অবস্থিত ওই কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ডেমরা, কাঞ্চনসহ ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিটের ১১০ জন ফায়ার সদস্য শুক্রবার (৯ জুলাই) দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

শ্রমিক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কর্ণগোপ এলাকায় সেজান জুস কারখানায় প্রায় সাত হাজার শ্রমিক কাজ করে। সাত তলা ভবনে থাকা কারখানাটির নিচ তলার একটি ফ্লোরের কার্টন থেকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় কালো ধোঁয়ায় কারখানাটি অন্ধকার হয়ে যায়। এক পর্যায়ে শ্রমিকরা ছোটাছুটি করতে শুরু করেন। কেউ কেউ ভবনের ছাদে অবস্থান নেন। আবার কেউ কেউ ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়তে শুরু করেন।  

বাংলাদেশ সময়: ১৭৩৬ ঘণ্টা, জুলাই ০৯, ২০২১
এসজেএ/আরআইএস

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa