bangla news
রিফাত হত্যা

টিকটক হৃদয়-রাব্বি ফের ৫ দিনের রিমান্ডে

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৭-০৬ ৭:৫৪:১২ পিএম
টিকটক হৃদয়

টিকটক হৃদয়

বরগুনা: রিফাত হত্যা মামলার ১২ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয় ও সন্দেহভাজন অভিযুক্ত রফিউল ইসলাম রাব্বিকে ফের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার (০৭ জুলাই) বিকেলে বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী তাদের এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এরআগে, মঙ্গলবার (০২ জুলাই) একই আদালত তাদের পাঁচদিনের রিমান্ডে দিয়েছিলেন।

এ হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বরগুনা সদর থানার ওসি (তদন্ত) হুমায়ুন কবির বাংলানিউজকে বলেন, রিফাত শরীফকে হত্যা মামলার ১২ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয় ও সন্দেহভাজন অভিযুক্ত রাফিউল ইসলাম রাব্বিকে আদালতে হাজির করে পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ১ জুলাই এ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ১১ নম্বর আসামি মো. অলিউল্লাহ অলি ও ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা তানভীর আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। 

এরপর ০৪ জুলাই (বৃহস্পতিবার) ৪ নম্বর আসামি চন্দন ও ৯ নম্বর আসামি মো. হাসানও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া শুক্রবার (০৫ জুলাই) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন এ হত্যাকাণ্ডের ফুটেজ দেখে শনাক্ত হওয়া ও তদন্তে বেরিয়ে আসা অভিযুক্ত মো. সাগর ও নাজমুল হাসান।

এদিকে, এ মামলার দ্বিতীয় আসামি রিফাত ফরাজী সাতদিনের এবং সন্দেহভাজন সাইমুন পাঁচদিনের রিমান্ডে রয়েছেন।

গত ২৬ জুন সকালে বরগুনা সরকারি কলেজ সড়কে স্ত্রীর সামনে  রিফাতকে কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এ সময় তার স্ত্রী চেষ্টা করেও তাকে বাঁচাতে পারেননি। 

জানা যায়, রিফাতের স্ত্রী মিন্নিকে সাবেক স্ত্রী দাবি করতেন এ হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড। মঙ্গলবার (০২ জুলাই) ভোরে জেলা সদরের বুড়িরচর ইউনিয়নের পুরাকাটা ফেরিঘাট এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নয়ন নিহত হন

বাংলাদেশ সময়: ১৯২০ ঘণ্টা, জুলাই ০৬, ২০১৯
এনটি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   রিফাত হত্যা
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-07-06 19:54:12