ঢাকা, শনিবার, ৭ বৈশাখ ১৪২৬, ২০ এপ্রিল ২০১৯
bangla news

আবারো নোয়াখালীতে গণধর্ষণ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০১-১৯ ৪:৩৮:৩৯ পিএম
ছবি: প্রতীকী

ছবি: প্রতীকী

নোয়াখালী: নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড নবগ্রামে ঘরে সিঁধ কেটে এক গৃহবধূকে (২৭) গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জাকির হোসেন জহির (৪০) নামে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ জানুয়ারি) দুদুপুরে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে গ্রেফতাকৃতের নাম উল্লেখ করে আরো ৭ জনকে আসামি করে কবিরহাট থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।

গ্রেফতার জাকির হোসেন জহির নবগ্রামের এনামুল হকের ছেলে। তিনি ক্ষমতাসীন দলের একটি সহযোগী সংগঠনের নেতা বলে জানা গেছে। এছাড়া তার স্থানীয় জিয়া নগর এলাকায় একটি মুদি দোকান রয়েছে।

ওই গৃহবধূর বরাত দিয়ে তার মামা বাংলানিউজকে জানান, শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) রাত দেড়টার দিকে জাকির হোসেন জহিরসহ সাতজন তার ভাগিনার ঘরের সিঁধ কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ওই গৃহবধূর কাছে থাকা ৬০ হাজার টাকা দিতে বলে। এনিয়ে তাদের সঙ্গে ওই গৃহবধূর কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ঘরের লাইট বন্ধ করে ওই গৃহবধূর মা (৬৫), তার এক ছেলে ও দুই মেয়েকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাদের মধ্যে তিনজন ভিকটিমকে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে। পরে রাত আনুমানিক ৩টার দিকে জহির ও তার লোকেরা ঘর থেকে বের হয়ে যান। এসময় তারা ঘরে থাকা নগদ টাকা, দুই ভরি স্বর্ণ, মোবাইল ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

এদিকে, এ ঘটনার পর কয়েকজন দুর্বৃত্ত পাশ্ববর্তী নূর নবীর ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ঘরে থাকা লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এক ভরি স্বর্ণ ও নগদ ৩৪ হাজার টাকা নিয়ে যায়। 

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মির্জা মোহাম্মদ হাছান বাংলানিউজকে জানান, ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গ্রেফতার জাকির হোসেন জহিরকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রোববার (১৯ জানুয়ারি) আদালতে পাঠানো হবে। অপর আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৬৩৩ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৯, ২০১৯
এনটি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   ধর্ষণ নোয়াখালী
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14