[x]
[x]
ঢাকা, রবিবার, ৫ কার্তিক ১৪২৫, ২১ অক্টোবর ২০১৮
bangla news

ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে খুন হলেন সিদ্দিক!

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৭-১১-১৪ ৫:০২:২৪ পিএম
যে বাড়িতে খুন হলেন সিদ্দিক। ছবি: শাকিল

যে বাড়িতে খুন হলেন সিদ্দিক। ছবি: শাকিল

ঢাকা: ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্বের কারণে সিদ্দিক হোসেন (৫০) খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ তার পরিবারের। মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় বনানীর মুন্সি ওভারসিজ নামে নিজের রিক্রুটিং এজেন্সি অফিসে খুন  হন তিনি। 

সন্ধ্যা ৭টার দিকে বনানী চার নম্বর রোডের ১১৩ নম্বর বাড়িতে  রিক্রুটিং এজেন্সির অফিসে ঢুকে চারজন মুখোশধারী সন্ত্রাসী এলোপাতাড়ি গুলি চালায় । এ ঘটনায় একজন নিহত ও তিনজন আহত হন। আহতদের ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত সিদ্দিকের মরদেহ ইউনাইটেড হাসপাত‍ালের মর্গে রাখা হয়েছে।

সিদ্দিকের নিহত হওয়ার খবর শুনে পরিবারের সদস্যসহ আত্মীয় স্বজন হাসপাতালে ছুটে আসেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে স্বজনদের শোকের মাতম দেখা যায়। নিহত সিদ্দিক হোসেনের বাড়ি টাঙ্গাইলে। তার বাবার নাম মৃত আয়নাল আলী। তার দু্ই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছেন।

কাওসার আহমেদ নামে নিহতের এক আত্মীয় বাংলানিউজকে বলেন, দুই মাস আগে উত্তরা পূর্ব থানায় একটি জিডি করেন সিদ্দিক হোসেন। আব্দুস সালাম নামে এক রিক্রুটিং ব্যবসায়ী তাকে হত্যার হুমকি দিলে এই জিডি করেন। আব্দুস সালামের সঙ্গে ব্যবসায়িক বিষয়ে লেনদেনে সমস্যা ছিলো। সিদ্দিকের বিরুদ্ধে আব্দুস সালাম একটি মামলাও করেন। কে খুন করেছে তা জানি না। তবে ব্যবসায়িক কারণে তাই হত্যা করা হয়েছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।‍

নিহত সিদ্দিকের মেয়ে স্বপ্না আহাজারি করতে করতে বলেন, আমার বাবার পিছনে অনেক শত্রু ছিলো। তারাই খুন করেছে। বাবার হত্যা বিচার চাই।

বনানী থানার এসআই মোহাম্মাদ আব্দুল মালেক বাংলানিউজকে বলেন, যেখানে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে সেটা আদম ব্যবসার অফিস। এখানে নানা লোকজন আসে ব্যবসার কাজে। আদম পাঠানোর অফিসগুলোতে ব্যবসায়িক স্বার্থে নানা ঘটনা থাকে। আমরা তদন্ত করে দেখছি। অফিসের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখা হবে। তদন্ত সম্পূর্ণ হলেই বলা যাবে কেন এই হত্যাকাণ্ড।  

**বনানীতে অফিসে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি, নিহত ১

বাংলাদেশ সময়: ০৩৫৪ ঘণ্টা, নভেম্বর ১৫, ২০১৭
এমসি/বিএস    
 

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache