ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ বৈশাখ ১৪৩১, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০৬ শাওয়াল ১৪৪৫

জাতীয়

৫ খুনের দায়ে ভাগ্নে মাহফুজের ফাঁসি

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০৬০৯ ঘণ্টা, আগস্ট ৭, ২০১৭
৫ খুনের দায়ে ভাগ্নে মাহফুজের ফাঁসি ৫ খুনের ঘটনায় মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত মাহফুজ

নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের দেওভোগে ৫ খুনের দায়ে একমাত্র আসামি ভাগ্নে মাহফুজকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (০৭ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চাঞ্চল্যকর ৫ খুনের মামলার এ রায় দেন জেলা ও দায়রা জজ হোসনে আরা আক্তারের আদালত।
 
৫ জনকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও দুই সন্তান হারানো মামলার বাদী শফিকুল ইসলামের ভাগ্নে মাহফুজকে পাঁচবার ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

তবে একবার ফাঁসি দিলেই এ আদেশ কার্যকর হয়ে যাবে।

মামী লামিয়ার (২৫) সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের জের ধরে ভাগ্নে মাহফুজ তাকেসহ ৫ জনকে হত্যা করেন বলে রায়ে প্রমাণিত হয়েছে। নিহত অন্য চারজন হচ্ছেন- লামিয়ার বড় জা তাসলিমা, (৩৫), তাসলিমার ছেলে শান্ত (১০), মেয়ে সুমাইয়া (৫) ও ছোট ভাই মোরশেদুল (২২)।

গত বছরের ১৬ জানুয়ারি রাতে শহরের দেওভোগের দুই নম্বর বাবুরাইল  এলাকার বাসায় ওই ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনার পরদিন ১৭ জানুয়ারি সকালে নিহত তাসলিমার স্বামী শফিকুল ইসলাম তার ভাগ্নে মাহফুজের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। ঢাকার কলাবাগানের নাজমা ও শাহজাহানকে এ মামলার সন্ধিগ্ধ আসামি করা হয়। ওইদিন রাতেই মামলাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পরদিন গ্রেফতার করা হয় মাহফুজ ও নাজমাকে। পরে ২১ জানুয়ারি আদালতে মাহফুজ ১৬৪ ধারায়  স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন, যা ছিল গা শিউরে ওঠার মতো। মামী লামিয়ার সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের জেরে অবৈধভাবে শারীরিক মেলামেশা করতে না পারার ক্ষোভ থেকেই একে একে পাঁচজনকে হত্যা করার কথা স্বীকার করেন ভাগ্নে মাহফুজ।  

গত বছরের ০৬ এপ্রিল  মাহফুজকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে পুলিশ।

এ মামলায় ৩০ জন সাক্ষীর মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বাদীসহ ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত।

বাংলাদেশ সময়: ১২০৫ ঘণ্টা, আগস্ট ০৭, ২০১৭
আরআই/এএসআর

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।