ঢাকা, শুক্রবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ২৪ মে ২০২৪, ১৫ জিলকদ ১৪৪৫

ইসলাম

ভারতের মুসলিম পারসোনাল ল বোর্ডে নারীদের শাখা

ইসলাম ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৩০৭ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৩, ২০১৬
ভারতের মুসলিম পারসোনাল ল বোর্ডে নারীদের শাখা

প্রথমবারের মতো বিশেষ আমন্ত্রণে কলকাতায় অনুষ্ঠিত সর্ব ভারতীয় মুসলিম পারসোনাল ল বোর্ডের ২৫তম সভায় ৭৫ জনেরও বেশি নারী প্রতিনিধি এবং ৫০ জনের মতো নারী সদস্য অংশগ্রহণ করেছেন।

প্রথমবারের মতো বিশেষ আমন্ত্রণে কলকাতায় অনুষ্ঠিত সর্ব ভারতীয় মুসলিম পারসোনাল ল বোর্ডের ২৫তম সভায় ৭৫ জনেরও বেশি নারী প্রতিনিধি এবং ৫০ জনের মতো নারী সদস্য অংশগ্রহণ করেছেন।

সভায় নারী প্রতিনিধিরা তাদের মূল্যবান কিছু প্রস্তাবনা এবং অভিমত জানান বোর্ডকে।

আলোচনা-পর্যালোচনা শেষে তিনদিনের কলকাতা সভায় মুসলিম ল বোর্ড তাদের একটি নারী শাখা গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বোর্ডের ইতিহাসে এটা নজিরবিহীন ঘটনা। নবগঠিত নারী শাখার আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আসমা জোহরাকে। তাকে সহায়তা করবেন, নুরজাহান শাকিল, সুবাহি আজিজ, উজমা আলম ও ড. নিলামসহ প্রমুখ নারী নেত্রী।  

এই শাখার নেতৃত্বে ভারতজুড়ে মুসলিম নারীদের মাঝে নানাবিধ সংস্কারমূলক কাজকর্ম করা হবে বলে জানানো হয়। এ ছাড়া ভারতব্যাপী নারীদের সহায়ক পরিসেবা গড়ে তোলার সিদ্ধান্তও এসেছে এবারের সভা থেকে। সেবা দিতে উর্দু, হিন্দি, অসমিয়া, কান্নাড়া ও ইংরেজিসহ সাতটি ভাষায় টোল ফ্রি সেন্টার গড়ে তোলা হবে।  

বিভিন্ন পারিবারিক সমস্যায় পরামর্শ নিতে এলে আরও আটটি আঞ্চলিক ভাষায় নারীদের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলি দেওয়া হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মুসলিম পারসোনাল ল বোর্ডের এসব পদক্ষেপ মুসলিম নারীদের জন্য বিরাট সুফল বয়ে আনবে।

তিন দিনের সর্ব ভারতীয় সম্মেলনটি কলকাতার পার্ক সার্কাস ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনটি কয়েকটি অধিবেশনে বিভক্ত ছিল। তন্মধ্যে নীতি নির্ধারণী অধিবেশনে সভায় ভারতের খ্যাতনামা আলেম ও ইসলামি পন্ডিতরা অংশ নেন। সেখানে বিভিন্ন রাজ্যের আমন্ত্রিতদের ছাড়া অন্যদের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিলো।  

অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন এমন একজন মুসলিম নেতা সাংবাদিকদের এসব কথা জানান। তিনি বলেন, সভায় দেশের চলমান সমস্যা ও ইসলামি বিধান নিয়ে আলোচনা হয়েছে।  

মুসলিম পারসোনাল ল বোর্ডের মহাসচিব মাওলানা ওয়ালি রহমানি বলেন, ভারতে মুসলমানদের অবদানকে সবসময় অবমূল্যায়ন করা হয়। এটা কাম্য নয়। তিনি বলেন, এ দেশে অনেক সংস্কৃতি রয়েছে যে সবের সম্মান করা উচিত। আমরা সংবিধান প্রণীত অধিকার অনুসারে এ দেশে বাস করি।  সংবিধান আমাদের জীবনযাপন করা এবং ধর্ম পালন করার অধিকার দিয়েছে। আমরা সভা থেকে সরকারকে এ বার্তাটিই দিতে চেয়েছি।

বাংলাদেশ সময়: ১৯০৫ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৩, ২০১৬
এমএইউ/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।