ঢাকা, শনিবার, ২০ মাঘ ১৪২৯, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১২ রজব ১৪৪৪

ট্রাভেলার্স নোটবুক

লস অ্যাঞ্জেলেস ভ্রমণ (পর্ব-২)

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৪৩১ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৬
লস অ্যাঞ্জেলেস ভ্রমণ (পর্ব-২)

পরের দিন ১০ তারিখ। শুক্রবারটা আমরা একটু স্লো ডে হিসেবে নেওয়া ঠিক করলাম।

সবারই কদিন খুব হেকটিক গিয়েছে। কারুরই ঠিক মতো ঘুম হয়নি। অনেক দেরিতে উঠে আমরা রেস্টুরেন্টে লাঞ্চ খেয়ে একটু ঘোরাঘুরি করলাম। একটা বই দোকানে ঢুকে কিছু বইপত্র কিনে মেয়ের অ্যাপার্টমেন্টে ফিরে এসে সবাই একট‍ু রিল্যাক্স করলাম। বিকেল গড়িয়ে গেলে আমরা ‘থাই টাউন’-এ গিয়ে সেই বিখ্যাত রেস্টুরেন্ট, রুয়েন পেয়ার থাই কুইজিনে ডিনার করতে গেলাম। পরে থাইদের অন্যান্য দোকান থেকে নানা ধরনের থাই বেকারি প্রোডাক্ট ও আমসত্ব কেনা হলো। এখানে নাসিয়ার ইস্রায়িলি বন্ধু শির-এর সঙ্গে দেখা হয়ে গেল। ঠিক হলো ওখান থেকে বেরিয়ে আমরা লস অ্যাঞ্জেলেসের বিখ্যাত গ্রিফিথ অবজারভেটরিতে যাব। ওখানে আগে দু’বার দিনের বেলা গিয়েছি। রাতের বেলা এবারে প্রথম। অনেক উঁচু পাহাড়ের মাথার উপর অবস্থিত অবজারভেটরির বাইরের দিক থেকে রাতের পুরো লস অ্যাঞ্জেলেস শহরটা দেখতে খুব মনোরম লাগে। ভিতরে ঢুকে প্ল্যানেটদের রুমটাতে ঢুকে আর বেরুতে ইচ্ছা হচ্ছিলো না। প্রতিটি প্ল্যানেটের স্ট্রাকচার, সূর্য থেকে তাদের দূরত্ব, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, তাদের ওজন, আয়তন, হেলে থাকা অবস্থা (এক্সিয়াল টিল্‌ট) ইত্যাদি কত তথ্যই না আছে। বাচ্চারা তো একদম পাগল হয়ে গেল, বেরুতেই চায় না। যাই হোক বার বার বন্ধ হয়ে যাবার ঘোষণা হচ্ছিল। আর উপেক্ষা না করে প্রায় সবার শেষে বেরিয়ে আমরা ডাউন টাউনের হোটেলে ফিরে গেলাম।

১১ জুন, শনিবার। নাসিয়ার গ্রাজুয়েশন পিকনিক ছিল গ্রিফিথ পার্কে। খুবই সুন্দর পার্কটা। নিখরচায় মনের মতো জায়গা আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। দেখলাম ওর বন্ধু-বান্ধবদের মধ্যে সব ধরনের ব্যাকগ্রাউণ্ডের ছেলেমেয়ে আছে। তারা নানা দেশ ও জায়গা থেকে এসেছে, প্রধানত ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, ইসরায়েল, মেক্সিকো ও আমেরিকার বিভিন্ন শহরের। তার বন্ধু নীলা ব্যানার্জির সঙ্গে আলাপ হলো। সে প্রখ্যাত লেখিকা ও অধ্যাপক চিত্রা ব্যানার্জি দিবাকরুনীর ভাইঝি, নিজেও আর্ট লাইনের। বিয়ে করেছে এক গুজরাটি ছেলেকে। মজা করে বলল, আমার ফ্যামিলি ও আত্মীয়স্বজনকে যখন বললাম, আমি একটা গুজরাটি ছেলেকে ডেটিং করছি, তারা একসঙ্গে বলে উঠল, তা তুমি খাবে কি? কারণ গুজরাটিরা শুধু ভেজিটেরিয়ানই নয়, অন্য ভেজিটেরিয়ানদের তুলনায় তাদের মেনু আরো সীমিত। তাই গার্জেনদের চিন্তা, মেয়েটা বাঙালিদের ভালো ভালো খাবারগুলো সারাজীবন মিস করবে। এক বন্ধু অ্যাশলি তার কুকুরটাকে সঙ্গে এনেছিল। ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে পিএইচডি করা ক্যারোলিনা, লস অ্যাঞ্জেলেসে চাকরি নিয়ে এসেছিল। নাসিয়ার মিশিগানে মাস্টার্স করার সময়কার বন্ধু। সে অনেক কষ্ট করে আবার পিটস্‌বার্গে একটা চাকরি যোগাড় করেছে। পরের মাসে চলে যাবে। বেচারির এক ভাই ইদানিং হঠাৎ মারা গেছে। তাই কলম্বাসে থাকা তার বাপ মায়ের কাছাকাছি থাকতে চায়। গত রাতে থাই টাউনের দোকানে দেখা হওয়া শির নামের সেই ইসরায়েলি ছাত্রীটাও পিকনিকে এসেছিল। শির ইউসিএলএ-তে হিব্রু অ্যান্ড অ্যারাবিক লিটারেচারের ওপর পিএইচডি করছে। সে ও তার বন্ধুরা প্যালেস্টানিয়ান অ্যাক্টিভিস্ট। তারা প্রায়ই এ ব্যাপারে শোভাযাত্রা ও সভাসমিতি করে। কয়েকটা পাকিস্তানি ছাত্র ছিল। অবাক লাগে যে তারা আর্ট ও মিউজিকের ছাত্র। একজন আর্টিস্ট ছাত্রের সঙ্গে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সম্পর্ক, আপেক্ষিক অবস্থা ও উন্নতি নিয়ে আলোচনা হলো। পাকিস্তানিরা যে ভুল করেছিল, একথা একজন পাকিস্তানির মুখ থেকে সরাসরি এই প্রথম শুনলাম। নাসিয়ার আর এক বন্ধু, ফাতমাও এসেছিল। আমরা বাঙালিরা টেনে তাকে ফাতেমা বলি। ফাত্‌মারা পাকিস্তানি হলেও তার বাবা দুবাই বা মিডল ইস্টের কোথাও বহুদিন ধরে কাজ করছে বলে তাদের ফ্যামিলি মধ্যপ্রাচ্যে থাকে। ওখানেই সে বড় হয়েছে। তার সাবজেক্ট হলো উর্দু লিটারেচার। দলের মধ্যে একজন বাংলাদেশি মেয়েও ছিল। সে নীলার বন্ধু ও একজন হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট। পাকিস্তানি কয়েকজন ছেলে ও বাংলাদেশি মেয়েটা রোজা করছিল। তাই অঢেল খাবার থাকলেও আর অন্যেরা হাম হাম করে সমানে খেয়ে চললেও তারা কিছু খাচ্ছিলো না। এখানে ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানি, বাংলাদেশিরা কি সুখেই যে একে অপরের পরম বন্ধু হয়ে আছে, দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়। হায়রে আমাদের দেশি পলিটিক্স! কেন যে এরা সেটা দেখে শেখে না! ছোট বাচ্চা নিয়ে আর একটা কাপল এসেছিল। মেয়েটি মেক্সিকান, ছেলেটি আমেরিকান লোকাল। অল্প দূরে লংবিচে থাকে। আগামী মাসে তাদের বিয়ে হবে। ছেলেটা বলল, ইউনিভার্সিটিতে পড়তে আসার আগে সে নাকি কোনদিন লস অ্যাঞ্জেলেস শহরে আসেনি। সবাই হাসলো। কিন্তু ওর কথা শুনে আমার একটুও অবাক লাগেনি। যখন নিউ জার্সিতে কাজ করতাম, তখন ওখানকার কয়েকজন অফিস কলিগ বলেছিল, তারা কোনদিন ২৫ মাইল দূরের নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে যায়নি। অথচ এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংটা ওখান থেকে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছিল। শিকাগো আসার পর যখন সাবার্বের অফিসের বন্ধুদের বললাম, আমি একটু শিকাগো শহরের পাবলিক লাইব্রেরিতে যেতে চাই, তখন দুই কলিগ আঁৎকে উঠে একসঙ্গে বলে উঠল, ‘আর ইউ ক্রেজি? দে উইল কিল ইউ। উই নেভার হ্যাভ বিন টু শিকাগো’।

১২ জুন রোববার। ডাউন টাউনের হোটেল ও নাসিয়ার লোজ ফোলিজের বাসা থেকে আলাদা দুই ব্যাচে আমরা ডিজনিল্যান্ডে বেড়াতে গেলাম। বহু বছর আগে, সেই ১৯৮৮ সালে আমরা এখানে বেড়াতে এসেছিলাম। তখন নাসিয়া অনেক ছোট ছিল। তাদের মা বেঁচে ছিল। ওই দিন মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল। বেশি কিছু দেখা যাচ্ছিল না এবং ভীষণ অ্যাকসিডেন্টের ভয় হচ্ছিল। সারা দিনই বৃষ্টি হয়েছিল। মনে আছে আমরা প্লাস্টিকের কভার অল কিনেছিলাম বৃষ্টির মধ্যে চলাফেরার জন্য। এতদিন পরে এসে দেখি অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আরো বড় হয়েছে ও নতুন নতুন আইটেম যোগ হয়েছে। এক ব্যাচে সেঁজুতিরা তাদের ছেলেমেয়ে নিয়ে বাচ্ছাদের রাইডে চড়াচ্ছে। আমি আর নাসিয়া এই ফাঁকে প্রথমে একটা ঘুরপাক ও ধাক্কাধাক্কির রাইড ও পরে ভয়ের ‘পাইরেট্স অফ দি ক্যারিবিয়ান’ রাইডে চড়লাম। আন্ডার গ্রাউন্ড বোটে চড়া অবস্থায় উপরে ওঠা নীচে নামা, জোরে চলা আস্তে চলার অনেক সাসপেন্স ও চতুর্দিকের গোলাগুলি, জেলের মধ্যে বন্দি অবস্থায় শাস্তিভোগ ইত্যাদি দেখানোর ব্যবস্থা ছিল। অনেক মজার এই বোট রাইড পেতে আমাদের প্রায় দেড় ঘণ্টা লাইনে থাকতে হয়েছিল। ওখান থেকে বেরুবার পর দুই ব্যাচ একত্র হয়ে আমরা লাঞ্চ করলাম। লাঞ্চের পর সবাই মিলে ঘুরে ঘুরে আরো অনেক ইন্টারেস্টিং এরিয়াও দেখলাম। তারপর এক জায়গায় আমাদের ও অন্যান্যদের বাচ্চাদের ডিরেক্ট পার্টিসিপেশান করা একটা থিয়েটার শো দেখানোর জন্য তাদের ট্রেনিং দিতে নিয়ে গেলাম। অনেকটা হরর মুভি ও পাইরেটস অব দি ক্যারিবিয়ানের সংমিশ্রণে স্ক্রিপ্টটা বানানো হয়েছিল। বাচ্চাদের দস্যুদের সঙ্গে ফাইট করে হারিয়ে দিতে হচ্ছিল। বাচ্চারা খুব মজা পেয়েছিল, ছেড়ে আসতেই চাচ্ছিল না। তারপর আমরা ‘ইটস এ স্মল ওয়ার্ড’ বোট রাইডে গেলাম যেখানে আন্ডার গ্রাউন্ডে বোটে করে পৃথিবীর সব দেশের ছেলেমেয়েদের তাদের বিভিন্ন পোশাক পরে নাচ-গান করা দেখানো হচ্ছিল। অদ্ভুত সুন্দর একটা অভিজ্ঞতা।

সন্ধ্যে হয়ে এসেছিল, সবাই সারাদিন ঘুরে অনেক ক্লান্তও হয়ে পড়েছিল। তাই আমরা ডিনারের জন্য আবার এসে একটা রেস্টুরেন্টে ঢুকলাম। এরপর বাচ্চাদের নিয়ে তাদের বাপ মা আরও কিছু রাইডে নিয়ে যাবার প্রোগ্রাম ছিল। নাসিয়া ও আমি চলে আসতে আসতে শেষ পর্যন্ত প্যারেড দেখার জন্য থেকে গেলাম। এটাই শেষ শো। প্রায় রাত এগারটার সময় শুরু হয়। গত বারে তাড়াতাড়ি ফিরতে হয়েছিল বলে দেখা হয়নি। এখানে সব জায়গাতে কেবল অপেক্ষা আর অপেক্ষা, লং ওয়েট। প্রায় একঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার পর প্যারেড শুরু হলো। ওয়াও! কি বিশাল বিশাল আর উঁচু আকাশ ছোঁয়া ফ্লোট। এক একটাতে এক এক ধরনের ডিজাইন, নানা রঙের লাইট দিয়ে অলঙ্কৃত করা। ফ্লোটের উপর নানা সাজে কোনটাতে পুরুষ, কোনটাতে নারী বসে আছে ও তারা নানাভাবে অ্যাক্টিং করে যাচ্ছে। দুই ফ্লোটের মাঝখানে আবার ঝাঁকে ঝাঁকে বিভিন্ন ধরনের নাচের গ্রুপও তাদের সঙ্গে এগিয়ে চলেছে। আর তাদের সঙ্গে সঙ্গে চলেছে কনসার্ট বা ব্যান্ড পার্টির মতো নানা ধরনের বাজনার গ্রুপ। এই অপরূপ দৃশ্য চোখে না দেখলে লিখে বোঝাবার সাধ্য আমার নেই, কারুর আছে কিনা বলা শক্ত। আগেই ঠিক হয়েছিল বাচ্চাদের নিয়ে সেঁজুতিরা ডিজনিল্যান্ডের উপরেই একটা হোটেলে ওই রাতটা থাকবে। সেইভাবে ওদের বিদায় জানিয়ে নাসিয়া ও আমি নাসিয়ার বাসায় ফেরত আসলাম।

১৩ জুন, সোমবার। মেয়ে জামাইরা লস অ্যাঞ্জেলেসের মফস্বল শহর করোনাতে জামাইয়ের আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে যাবে। যাওয়ার আগে সকালে আমরা ডাউনটাউনের গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল মার্কেটে গেলাম ব্রাঞ্চ (Brunch = Breakfast + lunch) খেতে। স্পেশাল এগ স্যান্ডুইচ ওয়ালা রেস্টুরেন্টটা এত পপুলার, সেখানে এক বিরাট লাইনে দাঁড়াতে হলো। মার্কেটটাতেও এলাহি ব্যাপার। সব ধরনের দোকান, খাবার জায়গা ও কফি শপ। অনেকগুলোই আবার সাউথ আমেরিকান। আবার কিছু সেকশান আছে যেখানে শুধু গ্রোসারি স্টোর। সেটিংটা অনেকটা কলকাতার নিউ মার্কেটের মতো। খাওয়ার পর জামাইরা করোনার পথে রওনা দিলে আমি আর নাসিয়া তার বাসায় ফিরে আসলাম। লস অ্যাঞ্জেলেসের লেখক তপন দেবনাথ ও প্রকাশক মুজিবর রহমান খোকার সঙ্গে আগেই যোগাযোগ করে রেখেছিলাম। সেইমতো লিটল বাংলাদেশে গিয়ে দেশি রেস্টুরেন্টে তাদের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ হলো। তপন বাবু কাছেই থাকেন, আগেও দেখা ও আলাপ হয়েছে। খোকা ভাই কষ্ট করে এসেছিলেন দূরে ‘টরেন্স’ (Torence) নামে এক শহরতলী থেকে। খোকা ভাইয়ের সঙ্গে গত বছর ফোনে কথা হয়েছিল। তারপর এ বছর ঢাকার বইমেলায় দু’বার দেখা হয়েছে। কিন্তু ভিড়ের জন্য কথা বলার সুযোগ হয়নি। দুজনেই খুবই অমায়িক মানুষ ও প্রচণ্ড অতিথিপরায়ণ। ওনাদের কেমন লেগেছে জানি না, তবে আমার ওনাদের দুজনকে খুবই ভালো লেগেছে। এরপর বেরিয়ে একটা সিনেমায় যাওয়া ঠিক হলো। সেভাবে বিকেলে আমরা গ্লেনডেল এলাকায় বেড়াতে গেলাম। পাশাপাশি দুটো বড় মল। একটাতে পার্ক করে আর একটাতে ঘুরতে গেলাম। বোঝা যায় কালিফোর্নিয়াতে সবাই বেশ হেলথ কনশাস। বহু রেস্টুরেন্ট আছে যেখানে মূলত হেলদি মেনু। এমন একটা রেস্টুরেন্টে গিয়ে আমরা লাঞ্চ করলাম। তার পর মলের অ্যাপল কম্পিউটার স্টোর থেকে মেয়েকে লেটেস্ট মডেলের টপ অব দি লাইন একটা ল্যাপটপ প্রেজেন্ট করলাম, হেড ফোন সমেত। মেয়ে তো মহা খুশি। তারপর ওখানে একটা সিনেমা দেখে আমরা বাড়ি ফিরলাম।

পরদিন ১৪ জুন, মঙ্গলবার। আমাদের বেড়াবার শেষ দিন। সকালে ব্রেকফাস্টের জন্য স্পেশাল একটা রেস্টুরেন্টে খেতে যাবার পথে অভিনেতা টম ক্রুজের বিরাট সাইনটোলজি চার্চের আশেপাশে ঘুরে অনেক ছবি তুললাম। বাড়ি ফিরে এসে একটু পরেই আমরা দুজনে এয়ারপোর্টের দিকে রওনা হলাম। ওদিক থেকে সেঁজুতি ও তার ফ্যামিলি সেই করোনা থেকে সোজা এয়ারপোর্টে এসেছিল। জামাই গিয়েছিল রেন্টাল কার ফেরত দিতে। সে ফিরে আসার পর নাসিয়া আমাদের সঙ্গে আরো কিছুক্ষণ থাকলো। ক’দিন পরেই তার জন্মদিন। ওই সময় থাকতে পারব না এবং এখন প্রেজেন্ট কেনার জন্য সময় হাতে ছিল না বলে, সেঁজুতি ও আমি কিছু ক্যাশ নাসিয়ার হাতে গুঁজে দিয়ে বিদায় জানালাম। লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে আমাদের প্লেন শিকাগোতে যখন পৌঁছালো, তখন সময় রাত একটা।

** লস অ্যাঞ্জেলেস ভ্রমণ (পর্ব-১)

বাংলাদেশ সময়: ১৪১৪ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৬
এমজেএফ/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa