ঢাকা, বুধবার, ২২ আষাঢ় ১৪২৯, ০৬ জুলাই ২০২২, ০৬ জিলহজ ১৪৪৩

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

রুল জারির পর চবির ক্রিমিনোলজি বিভাগে সভাপতি পরিবর্তন  

ইউনিভার্সিটি করেসপন্ডেন্ট  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৯৪৭ ঘণ্টা, মে ১৮, ২০২২
রুল জারির পর চবির ক্রিমিনোলজি বিভাগে সভাপতি পরিবর্তন   সহকারী অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: উচ্চ আদালতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) তিন শিক্ষকের রিটের প্রেক্ষিতে গত ১০ মার্চ চবি উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারকে শোকজ করে রুল জারি করেন মহামান্য আদালত। রুল জারির ২ মাস পর গত ৯ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এসএম মনিরুল হাসানের সই করা এক চিঠিতে চবির ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেনকে বিভাগের সভাপতি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) অ্যাক্ট-১৯৭৩ এর প্রথম সংবিধির ৭ নম্বর ধারা মোতাবেক ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী ৩ বছরের জন্য বিভাগের সভাপতি নিয়োগ করা হলো। এ নিয়োগ ১৮ মে থেকে কার্যকর হবে।

বুধবার (১৮ মে) সকাল ১০টায় বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব নেন সহকারী অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, দায়িত্ব পালন অত্যন্ত চ্যালেঞ্জ ও রোমাঞ্চকর বিষয়। চ্যালেঞ্জ এ কারণে যে বিভাগকে শিক্ষা ও গবেষণায় গতিশীল করতে অনেক পরিশ্রম ও সতর্ক থাকতে হবে। ওয়ার্কশপ, সেমিনার, পাবলিক টক আয়োজনের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখতে পরিকল্পিত কৌশলের বিকল্প নেই। এ ছাড়া বিভাগের অগ্রগতির স্বার্থে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জকে মোকাবেলা করার জন্য নতুন নতুন অভিজ্ঞান অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ সৃষ্টি হবে রোমাঞ্চকর একটি বিষয়।

বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট-১৯৭৩ অনুসারে কোনো বিভাগের শিক্ষকদের মধ্য থেকে (অধ্যাপক না থাকলে) ন্যূনতম সহকারী অধ্যাপক পদে কোনো শিক্ষককে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সভাপতি পদে নিয়োগ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু ২০২১ সালের ৩০ মে ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের দুই শিক্ষক পদোন্নতি পেয়ে সহকারী অধ্যাপক হওয়ার পরও সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. এবিএম নাজমুল ইসলাম খানকে এ বিভাগের সভাপতি পদে বহাল রাখা হয়। এ বিষয়ে বিভাগের তিন স্থায়ী শিক্ষক উচ্চ আদলতে রিট করেন। এ রিটের প্রেক্ষিতে গত ১০ মার্চ উচ্চ আদালত বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারকে শোকজ করেন।  
এ অবস্থায় বিভাগের সভাপতি পদে অধ্যাপক ড. এবিএম নাজমুল ইসলাম খানকে বহাল রাখা কেন অবৈধ হবে না, জানতে চেয়ে উচ্চ আদালত একটি রুল জারি করেন। এছাড়া ২০২১ সালের ২৪ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর বিভাগের সভাপতির দায়িত্বভার ক্রিমিনোলজি বিভাগের শিক্ষকদের মধ্য থেকে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অর্পণ প্রসঙ্গে একটি চিঠি দেন শিক্ষকরা। চিঠিটি ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন মহামান্য আদালত।

বাংলাদেশ সময়: ১৯১০ ঘণ্টা, মে ১৮, ২০২২
এমএ/টিসি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa