ঢাকা, শনিবার, ১১ আশ্বিন ১৪২৭, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭ সফর ১৪৪২

শিল্প-সাহিত্য

আহছানউল্লা স্বর্ণপদক পেলেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০০১৮ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১, ২০১৯
আহছানউল্লা স্বর্ণপদক পেলেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান

ঢাকা: সমাজের বিত্তশালী ব্যক্তিবর্গ আহ্‌ছানিয়া মিশনের মতো জনকল্যাণমূলক কাজে এগিয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

‘খান বাহাদুর আহছানউল্লা স্বর্ণপদক-২০১৮’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি।

রাজধানীর আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম এইচ খান মিলনায়তনে শনিবার (৩০ নভেম্বর) আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষাক্ষেত্রে অনন্য অবদানের জন্য জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানকে ‘খান বাহাদুর আহছানউল্লা স্বর্ণপদক-২০১৮’ এ ভূষিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে স্বর্ণপদক পরিয়ে দেন।

ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- সাধারণ সম্পাদক ড. এস এম খলিলুর রহমান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ ও রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ।  
প্রধান বিচারপতি বলেন, স্রষ্টার এবাদত ও সৃষ্টির সেবা- এ লক্ষ্য নিয়ে খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ মিশন জনসেবামূলক কাজ তথা দারিদ্র্য ও সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের সার্বিক কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জীবিকা, মানবাধিকার এবং সামজিক ন্যায়বিচারের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে এ মিশন।  

‘প্রতিষ্ঠা করেছে নানা শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান। গৌরবজ্জ্বল ভূমিকার জন্য স্বাধীনতাপদকসহ পেয়েছে বিভিন্ন পুরস্কার। ....আশা করি সমাজের বিত্তশালী ব্যক্তিবর্গ এরকম জনকল্যাণ মূলক কাজে এগিয়ে আসবেন। ’

খান বাহাদুর আহছানউল্লা স্বর্ণপদক পেলেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের কথা তুলে ধরে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘তিনি শুধু একজন স্বনামধন্য অধ্যাপক-ই নন, তার জ্ঞানগর্ভ ও অভিজ্ঞতালব্ধ গবেষণা, মৌলিক প্রবন্ধ, স্মৃতিকথা এবং সম্পাদিত বহু গ্রন্থ তাকে পাঠকসমাজে করেছে নন্দিত। তার সাহিত্যকর্ম সর্বজনবিদিত; তার পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা দেশ ও দেশের বাইরে পরিব্যাপ্ত। আমি এই জীবন্ত কিংবদন্তিকে ব্যক্তিগতভাবে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানাচ্ছি। ’

ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশনের প্রতিষ্ঠাতা খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লার নামে ১৯৮৬ সাল থেকে এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে। জাতীয় পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ পর্যন্ত ২৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে এ পদক দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৯০৭ ঘণ্টা, নভেম্বর ৩০, ২০১৯
ইএস/এমএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa