ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ মাঘ ১৪২৯, ৩১ জানুয়ারি ২০২৩, ০৮ রজব ১৪৪৪

ফিচার

ইতিহাসের এই দিন

‘শিক্ষকদের শিক্ষক’ অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাকের জন্ম

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮৩৩ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৭, ২০১৬
‘শিক্ষকদের শিক্ষক’ অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাকের জন্ম

ইতিহাস আজীবন কথা বলে। ইতিহাস মানুষকে ভাবায়, তাড়িত করে। প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে। সে সব ঘটনাই ইতিহাসে স্থান পায়, যা কিছু ভালো, যা কিছু প্রথম, যা কিছু মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ।

ঢাকা: ইতিহাস আজীবন কথা বলে। ইতিহাস মানুষকে ভাবায়, তাড়িত করে।

প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে। সে সব ঘটনাই ইতিহাসে স্থান পায়, যা কিছু ভালো, যা কিছু প্রথম, যা কিছু মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ।

তাই ইতিহাসের দিনপঞ্জি মানুষের কাছে সবসময় গুরুত্ব বহন করে। এই গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে বাংলানিউজের পাঠকদের জন্য নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিন।

২৮ নভেম্বর, ২০১৬, সোমবার। ১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৩ বঙ্গাব্দ। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনা
•    ১৫২০ - প্রথম ইউরোপীয়ান নাবিক হিসেবে ফার্ডিনান্ড ম্যাগেলান আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে প্রবেশ করেন।
•    ১৬৬০ - ইংল্যান্ডে রয়াল সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
•    ১৮১৪ - কলকাতার চাঁদপাল ঘাটে ভারতের প্রথম প্রাটস্ট্যান্ট বিশপ টমাস ফ্যানশ মিডলটন পদার্পণ করেন।
•    ১৮২১ - স্পেনের কাছ থেকে পানামা স্বাধীনতা লাভ করে।
•    ১৯১২ - তুরস্কের কাছ থেকে আলবেনিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
•    ১৯৬০ - ফ্রান্সের কাছ থেকে মৌরিতানিয়ার স্বাধীনতা অর্জন করে।

ব্যক্তি
•    ১৭৫৭ - ইংরেজ কবি উইলিয়াম ব্লেকের জন্ম।
•    ১৮২০ - ফ্রেডরিখ এঙ্গেলসের জন্ম।
•    ১৯৩১ - শিশু সাহিত্যিক ও সাংবাদিক গোলাম রহমানের জন্ম।
•    ১৯৪৩- খ্যাতনামা চিত্রকর ও কার্টুনিস্ট রফিকুন নবীর জন্ম।
•    ১৯৯৯ – ‘শিক্ষকদের শিক্ষক’ নামে খ্যাত জাতীয় অধ্যাপক জ্ঞানতাপস আবদুর রাজ্জাকের মৃত্যু। তাকে চলমান বিশ্বকোষ বলা হয়ে থাকে। তার অগাধ পাণ্ডিত্য ছিল অর্থনীতি, রাজনীতি, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সমাজবিজ্ঞান, ইতিহাস, বিজ্ঞান, ধর্মসহ নানা বিষয়ে। সত্যিকার‍ার্থে একজন পণ্ডিত ব্যক্তি বলতে যা বোঝায় তার সকল গুণ বিদ্যমান ছিল আবদুর রাজ্জাকের মধ্যে। ঢাকার নবাবগঞ্জের সন্তান আবদুর রাজ্জাক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক ছিলেন। পরে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র প্রভাষক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন ১৯৭৫ সালে। ওই বছরেই সরকার তাকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে মনোনীত করে। তার দু’বছর আগে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ডি’লিট ডিগ্রি দেয়। এ জ্ঞানতাপস অল্প কিছু প্রবন্ধ ছাড়া কিছুই রচনা করেননি। ১৯৮০ সালে তার দেওয়া ‘বাংলাদেশ: স্টেট অব দ্য নেশন’ শীর্ষক বক্তৃতা তানভীর মোকাম্মেলের অনুবাদে বই আকারে প্রকাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আহমদ ছফা তাকে নিয়ে ‘যদ্যপি আমার গুরু’ নামে একটি বই লেখেন। এছাড়া অধ্যাপক সরদার ফজলুল করিম তার সঙ্গে আলাপের ওপর ভিত্তি করে লেছেন ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পূর্ববঙ্গীয় সমাজ: অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের আলাপচারিতা’ নামে বই। ড. সলিমুল্লাহ খান খানিকটা সমালোচনামূলকভাবে লেখেন ‘বাংলাদেশের জাতীয় অবস্থার চালচিত্র’ বই। স্বাধীনতাপূর্ব ও স্বাধীনতাত্তোর বুদ্ধিজীবীদের বড় অংশ সরাসরি তার কাছ থেকে জ্ঞানগত সাহায্য পেয়েছেন। শ্রেণিকক্ষের ছাত্র না হয়েও তারা তাকে ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করতেন এবং লেখালেখিতে তা উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ সময়: ০০২৯ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৮, ২০১৬
এইচএ/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa