ঢাকা, রবিবার, ৩ ভাদ্র ১৪২৬, ১৮ আগস্ট ২০১৯
bangla news

বেরোবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের অভিযোগ

বেরোবি করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৪-২৪ ৩:০৩:২২ এএম
বেরোবি

বেরোবি

রংপুর: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) লোকপ্রশাসন বিভাগে জার্নাল প্রকাশের নামে অর্থ তছরুপের অভিযোগ তুলে প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন একইবিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবু হেনা মোস্তফা কামাল বরাবর লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেন এই শিক্ষক।

তিন দফা অভিযোগ এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়,  ২০১৭ সালের ১৪ জুন থেকে ২০১৮ সালের ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত লোকপ্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ।

এই সময়ে বিভাগে জার্নাল প্রকাশের নামে কী পরিমাণ ব্যয় ও জার্নাল বিক্রয় করে কী পরিমাণ আয় হয়েছে , তার কোনো হিসাব তিনি দেননি।

এছাড়া বিভাগের গচ্ছিত টাকা নিয়ম-কানুন ছাড়াই নিজের মতো করে ব্যয় করেছেন বলেও অভিযোগ আনা হয়েছে। হিসাব না দেওয়ায় বিভাগের আর্থিক বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে বলে লিখিত অভিযোগ উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান মন্ডল।

লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, গত ৭ জানুয়ারি লোক প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আসাদুজ্জামান মন্ডলকে লোকপ্রশাসন বিভাগের ৩য় ব্যাচের (২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষ) ৪র্থ বর্ষ’র পরীক্ষা কমিটির সভাপতি মনোনীত করা হয়। কিন্তু এখনো সেই পরীক্ষা কমিটির অনুমোদন হয়নি। প্রশাসন থেকে প্রায় চার মাসেও এ সংক্রান্ত কোন চিঠি পাননি বলে জানানো হয়। ফলে ওই ব্যাচের পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এছাড়াও লোকপ্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় পরিকল্পনা কমিটি গঠনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৯ এর ২৯ এর ১১(৮) ধারা  সুষ্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে অভিযোগ এনেছেন লোকপ্রশাসন বিভাগের এই শিক্ষক। আইন অনুযায়ী পরিকল্পনা কমিটি পুন:গঠন করার জন্য গত বছরের ২০ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর আবেদন করেন । পরিকল্পনা কমিটি পুন:গঠন বিষয়ে পরবর্তী সময়ে লিগ্যাল নোটিশও দেওয়া হয়েছিল । এখনো এই কমিটি পুন:গঠন করা হয়নি।

যদিও আইনে বলা হয়েছে, বিভাগের মোট শিক্ষক সংখ্যার এক তৃতীয়াংশ শিক্ষক সমন্বয়ে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে বিভাগীয় পরিকল্পনা কমিটি গঠিত হবে।

এ বিষয়ে আসাদুজ্জামান মন্ডল আসাদ বলেন, বিভিন্ন সময় এই তিন দফা দাবি নিয়ে লিখিত ও মৌখিকভাবে জানালেও উপাচার্য এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।  চার মাস ধরে একটি ব্যাচের পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আশা করি প্রশাসন এ বিষয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ নেবে।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহর মোবাইলে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ সময়: ০৩০৩ ঘণ্টা, এপ্রিল ২৪, ২০১৯
টিএম/এএটি

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-04-24 03:03:22