bangla news

২৪ নেতা-কর্মী হত্যা মামলার শেষ দেখতে চান প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৮-১১-০১ ১:১৯:১৫ পিএম
গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্স এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি সোহেল সরওয়ার

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্স এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি সোহেল সরওয়ার

চট্টগ্রাম: ৩০ বছর আগে আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারবিরোধী সমাবেশে পুলিশের গুলিতে নিহত ২৪ নেতা-কর্মী হত্যা মামলার বিচার কাজের শেষ দেখতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (১ নভেম্বর) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে চট্টগ্রামের ১৯ প্রকল্প উদ্বোধন ও ভিত্তি স্থাপন অনুষ্ঠানে সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন বাবুলের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী এ ইচ্ছার কথা জানান।

ভিডিও কনফারেন্সে চট্টগ্রাম থেকে অংশ নেন জেলা প্রশাসকসহ অতিথিরা। ছবি: সোহেল সরওয়ারশেখ হাসিনা বলেন, সেদিন আদালত প্রাঙ্গণে জনসভায় আসা মানুষের ওপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ ও সরাসরি গুলি করে পুলিশ। যে পুলিশ কর্মকর্তার নির্দেশে এ হামলা হয় জেনারেল এরশাদের সরকার তখন তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বরং পরে বিএনপি সরকার তাকে প্রমোশন দেয়। পুরস্কৃত করে। এটাই হচ্ছে সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের।

তিনি বলেন, নির্মম এ হত্যাকাণ্ডের মামলাটি এখনও শেষ হয়নি। যারা বিচারপ্রার্থী কিংবা যাদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ, তাদের অনেকেই এখন বেঁচে নেই। তারপরেও আমরা চাই এ মামলার বিচারকাজ শেষ হোক। বিচার হওয়াটা দরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেদিনের ঘটনায় আহত বা নিহত কারও পরিবার যদি আর্থিক অভাব-অনটনের মধ্যে থাকেন সরকারের পক্ষ থেকে তাদের সহযোগিতা করা হবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রের পক্ষে দৃঢ় অবস্থানের জন্য চট্টগ্রামবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। চট্টগ্রামকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ আবার সরকার গঠন করলে চট্টগ্রামে আরও উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে সংঘটিত ভয়াবহ সে ঘটনার বর্ণনা  ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন সেদিন পুলিশের হামলায় আহত নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন বাবুল।

এ সময় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান, জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেনসহ বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠনের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৩১৫ ঘণ্টা, নভেম্বর ০১, ২০১৮
এমআর/এসি/টিসি

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
db 2018-11-01 13:19:15