মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম নাজমুল হাসান চৌধুরী এই আদেশ দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী কাজী ছানোয়ার আহমেদ লাবলু বাংলানিউজকে বলেন, আমি জামিনের বিরোধিতা করেছিলাম।
মামলার বাদি চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের প্রধান সহকারী এরশাদ হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, শামসুল হকের বৃদ্ধা মা বারবার স্যারের (ডিসি) কাছে এসে কান্নাকাটি করছেন। ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন। এজন্য স্যার জামিনে আপত্তি নেই বলার জন্য বলেছেন। তবে নিয়ম অনুযায়ী মামলা চলবে।
গত ১৭ ডিসেম্বর বেলা আড়াইটার দিকে নগরীর পাঁচলাইশ এলাকার বাসিন্দা শামসুল হক জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আসেন। এসময় তিনি নিজের ছেলেকে কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি করাতে চান বলে জানান। এক পর্যায়ে তিনি একটি খাম জেলা প্রশাসক মহোদয়ের দিকে এগিয়ে দেন। খামে কি আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনার জন্য। খাম খুলে দেখা যায় সেখানে ৩০ হাজার টাকা।
এরপর জেলা প্রশাসক জিল্লুর রহমান চৌধুরী নিজের কার্যালয় থেকে শামসুল হককে আটক করে কোতোয়ালি থানায় সোপর্দ করেন। এরপর জেলা প্রশাসকের পক্ষে এরশাদ হোসেন বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৪২৮ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২৬, ২০১৭
আরডিজি/টিসি