ঢাকা, শনিবার, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৯, ১৩ আগস্ট ২০২২, ১৪ মহররম ১৪৪৪

ক্রিকেট

লঙ্কানদের ইনিংস ব্যবধানে হারাল দ.আফ্রিকা

স্পোর্টস ডেস্ক  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮১৮ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২৯, ২০২০
লঙ্কানদের ইনিংস ব্যবধানে হারাল দ.আফ্রিকা ম্যাচ শেষে হাত মেলাচ্ছে প্রোটিয়া-লঙ্কান খেলোয়াড়রা

গত বছর ফেব্রুয়ারিতে ডারবানে মহাকাব্যিক এক ইনিংস খেলে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শ্রীলঙ্কাকে অবিস্মরণীয় জয় এনে দিয়েছিলেন কুশল পেরেরা। দ্বিতীয় ইনিংসে ২২৬ রানে ৯ উইকেট হারানো লঙ্কানদের ৩০৪ রানের লক্ষ্য পার হতে সাহায্য করেছিল তার অপরাজিত ১৫৩ রানের ঝকঝকে ইনিংস।

 

বছর ঘুরে আবারও তেমন এক সময়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিলেন পেরেরা। অবশ্য এবার জয় নয়, উল্টো ইনিংস বাঁচানোর লড়াইয়ের সামনে ছিলেন লঙ্কান ওপেনার। আর মাটিটাও ডারবান নয়, সেঞ্চুরিয়ন।  

এবারও চেষ্টার কমতি রাখলেন না পেরেরা। প্রোটিয়া বোলারদের সামনে যখন একে একে ব্যর্থ হয়ে সাজঘরে ফিরছেন সফরকারী ব্যাটসম্যানরা, তখন দায়িত্বটা নিজের কাঁধে তুলে নেন তিনি। অবশ্য তাতেও লঙ্কানদের ইনিংস ব্যবধানে হার থেকে রক্ষা করতে পারেনি পেরেরা-ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার ব্যাট। একদিন বাকি থাকতেই ইনিংস ও ৪৫ রানে হেরেছে শ্রীলঙ্কা।  

দ.আফ্রিকার বিশাল রান পাহাড়ের নিচে চাপা পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮০ রানে গুটিয়ে গেছে সফরকারীরা। প্রথম ইনিংসে ৩৯৬ রান করেছিল শ্রীলঙ্কা। কিন্তু প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান ফাফ ডু প্লেসিস খেললেন অনবদ্য এক ইনিংস। টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির সামনে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ১৯৯ রানে সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে। তবে ডিন এলগার, এইডেন মার্করাম, টেম্বা বাভুমা ও কেশব মহারাজের অনবদ্য ব্যাটিংয়ে ভর করে ৬২১ রান করে দ.আফ্রিকা। স্বাগতিকরা এগিয়ে যায় ২২৫ রানে।  

দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে ধাক্কা খায় শ্রীলঙ্কা। ৬৫ রানে ২ উইকেট হারিয়ে তৃতীয়দিন পার করেছিল তারা। মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) চতুর্থদিনের শুরতে পেরেরা-দিনেশ চান্দিমাল দেখেশুনে এগোচ্ছিলেন। কিন্তু মুলদার এসে সব তছনছ করে দেন। চান্দিমালকে (২৫) বোল্ড করার পর উইকেটরক্ষক নিরোশান দিকভেলাকেও (১০) সাজঘরে ফেরান তিনি।  

দলীয় ১১৪ রানে ফেরেন ঢাল হয়ে থাকা পেরেরা। তার ৮৭ বলে ৬৫ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ১০ চারে। এরপর দাসুন শানাকাকে (৬) নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন হাসারাঙ্গা। অবশ্য তাও বেশিক্ষণ টিকেনি। হাসারাঙ্গা ৫৩ বলে ১২ চার ও ১ ছয়ে ৫৯ রান করে আউট হন দলীয় ১৭৯ রানে। তার আগে রান আউট হন বিশ্ব ফার্নান্দো (০)। এরপর কাসুন রাজিথাকে (০) আউট করে জয়ের উল্লাসে মেতে ওঠে প্রোটিয়ারা। অপরাজিত ছিলেন লাহিরু কুমারা (০)। চোট পড়ায় ‘অ্যাবসেন্ট হার্ট’ হয়ে মাঠে নামেননি শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংসে ফিফটি করা মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা।  

টেস্ট ক্যারিয়ারে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা হয়েছেন ডু প্লেসিস। দু’দলের দুই টেস্ট সিরিজে প্রোটিয়ারা এগিয়ে গেল ১-০ ব্যবধানে।  

বাংলাদেশ সময়: ১৮১৮ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২৯, ২০২০
ইউবি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa