bangla news
‘যে শিশু ভূমিষ্ঠ হলো আজ রাত্রে’

‘যে শিশু ভূমিষ্ঠ হলো আজ রাত্রে’

আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে মিয়ানমারের আরাকান বা রাখাইন রাজ্যে নিপীড়িত হয়ে স্রোতের মতো ধেয়ে আসা শরণার্থী সংখ্যা অচীরেই ১০ লাখে পৌঁছানোর আশঙ্কাজনক পরিস্থিতিতে আরেকটি ভয়াবহ তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ও মিডিয়ার বরাত দিয়ে বাংলানিউজ জানিয়েছে ‘৫০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী নারী গর্ভবতী।’ বাস্তবে এ সংখ্যা আরো বেশিই হওয়ার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


২০১৭-১০-০৯ ১:১৯:০৬ এএম
স্মৃতির অবগাহনে শখের সাংবাদিকতা

স্মৃতির অবগাহনে শখের সাংবাদিকতা

মেঝো মামা মুক্তিযোদ্ধা। পেশায় শিক্ষক। হাড্ডিতে হাড্ডিতে চিকন বুদ্ধি। তার বাসায় নিয়মিত খবরের কাগজ আসতো। কিন্তু মন খুলে পড়ার সুযোগ পাইনি কখনো। তখন থেকেই মনে সাংবাদিক হওয়ার দানা বাঁধতে শুরু করে। মনে মনে বলি, মামা, একদিন রিপোর্টার হয়ে যেন আমার রিপোর্ট তোমাকে দিয়ে পড়াতে পারি।


২০১৭-১০-০৮ ৩:২৭:৩৩ পিএম
নস্টালজিয়া || মুহম্মদ জাফর ইকবাল 

নস্টালজিয়া || মুহম্মদ জাফর ইকবাল 

পুরো বাংলাদেশ গত কয়েক সপ্তাহ থেকে এক ধরনের বিষণ্নতায় ভুগছে। খবরের কাগজ খুললেই প্রথম পৃষ্ঠায় রোহিঙ্গাদের কোনো একটি মন খারাপ করা ছবি দেখতে হয়। খবরের কাগজের একটা বড় অংশজুড়ে রোহিঙ্গাদের ওপর অমানুষিক নির্যাতনের কোনো না কোনো খবর থাকে।


২০১৭-১০-০৫ ৫:১৪:০২ পিএম
নীতি চলে গেল, রীতির জন্য প্রার্থনা

নীতি চলে গেল, রীতির জন্য প্রার্থনা

ওয়াসনা চৌধুরী নীতি নামের বছর সাড়ে নয় এর ছোট্ট মেয়েটার মুখমণ্ডলজুড়ে অক্সিজেন মাস্ক। হাতে বিদ্ধ স্যালাইনের সুঁচ। শরীরে চলছে তখন স্টেমসেল থেরাপি। সেদিন ২৬ সেপ্টেম্বরের সকাল। কলকাতার মুকুন্দপুরের আমরি হাসপাতালে ঘড়ির কাঁটা সকাল ৮টার আশেপাশে তখনও। এর মধ্যেই মেয়েটা পাশে বসা নানীকে নরম গলায় বলে ‘আমাকে চা-বিস্কুট দাও’। নানীর দু’চোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ে। নানু তাকে চা-বিস্কুট দিতে পারেন না। চিকিৎসকের যে নিষেধ আছে, রোগীকে কোনো খাবার দেওয়া যাবে না। এবার নীতি তার নানীকে কাছে টেনে দু’চোখ মুছে দিয়ে বলে-‘নানী কেঁদো না। আল্লাহ কে বলো।’


২০১৭-০৯-৩০ ১০:০৭:৩৫ এএম
আসুন, শুদ্ধ করে ফটিকছড়ি লিখি

আসুন, শুদ্ধ করে ফটিকছড়ি লিখি

বানান ভুল করা এখন যেন আমাদের অধিকারে পরিণত হয়েছে। জনজীবনের এমন কোনো পর্যায় নেই, যেখানে নির্লজ্জ বানান ভুল দেখা যায় না। রাস্তার সাইনবোর্ড, উকিলের ওকালতনামা, ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র, পত্রিকার সম্পাদকীয়, কবির কবিতা, পাঠ্যপুস্তকের পাতা, টেলিভিশনের স্ক্রল, ফেসবুকের নব্য মজিদদের মাজার থেকে শুরু করে সর্বংসহা বাংলাদেশের সর্বত্র ভুল বানানের খুলখাল্লাম খেমটা-নাচ!


২০১৭-০৯-২৫ ৯:০৯:১৭ এএম
সু চিকে অভিযুক্ত করা সম্ভব ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’তে 

সু চিকে অভিযুক্ত করা সম্ভব ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’তে 

অতি সম্প্রতি মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক গণআদালতের দেওয়া রায় অনুসারে মিয়ানমারের সেনা প্রধান ও সেনা সদস্য, পুলিশ এবং তাদের মদদপ্রাপ্ত জনগণ দেশটির রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধসহ নানা ঘৃণ্য অপরাধ সংঘটিত করছে।


২০১৭-০৯-২৫ ৬:৩৭:১৩ এএম
মানুষ মানুষের জন্য

মানুষ মানুষের জন্য

গত বেশ কিছুদিন হলো পত্রপত্রিকার পৃষ্ঠার দিকে আর তাকানো যাচ্ছে না। মানুষের নিষ্ঠুরতার কথা পড়তে ভালো লাগে না।


২০১৭-০৯-২১ ৪:২৮:১৭ পিএম
অমর্ত্য সেন বলেছিলেন, ‘মন্থর গণহত্যা’ চলছে

অমর্ত্য সেন বলেছিলেন, ‘মন্থর গণহত্যা’ চলছে

মায়ানমারের স্টেট কাউন্সিলের প্রধান বা কার্যত প্রধানমন্ত্রী অং সান সু চি এবং জাতিসংঘে দেশটির প্রতিনিধি যতোই ঘটনা আড়ালের চেষ্টা করুন না কেন, রোহিঙ্গা সঙ্কট ক্রমশই আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করছে। সামরিক বাহিনীর রোহিঙ্গা নিধন বিষয়ে যতোই একপেশে বক্তব্য রাখুক বা ধৈর্য ধরতে বলুক না কেন, এর দ্রুত সমাধানে আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে ক্রমাগত চাপ বাড়ছে নিন্দিত দেশটির ওপরে।


২০১৭-০৯-২১ ৮:২৬:১২ এএম
সুচি কি হিটলারের পথে যাচ্ছেন?

সুচি কি হিটলারের পথে যাচ্ছেন?

ভোটে নির্বাচিত হয়ে জার্মানির হিটলার যেভাবে মানব হন্তারকে রূপান্তরিত হয়েছিলেন, মিয়ানমারের সুচি সেই কলঙ্কিত পথেই কি যাচ্ছেন? ২৫ আগস্ট আরাকানে গণহত্যা ও জাতিগত নিধনের ২৬ দিনে আড়াইশ’ গ্রাম পুড়িয়ে শত শত মানুষকে হত্যা ও ধর্ষণের সঙ্গে সঙ্গে পাঁচ লাখ রোহিঙ্গাকে দেশছাড়া করা হয়েছে। তখন সুচি মুখ খোলেন। তাও হত্যাকারী সেনাবাহিনীর পক্ষে। তার নীরবতা ও বক্তব্য গণহত্যার সমর্থক। তিনি যেন নিজেকে হিটলারের দোসরে পরিণত করেছেন।


২০১৭-০৯-১৯ ৯:০৪:১২ এএম
জাতিগত নিধন ও গণহত্যার শিকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী

জাতিগত নিধন ও গণহত্যার শিকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী

সপ্তম শতাব্দীতে বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া একটি জাহাজ থেকে বেঁচে যাওয়া লোকজন উপকূলে আশ্রয় নিয়ে বলেছিলেন, আল্লাহর রহমে বেঁচে গেছি। এই রহম থেকেই এসেছে রোহিঙ্গা। রহম বা রহমত নয়, যাদের উপর এখন নেমে এসেছে গণহত্যার গজব। জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে প্রতিদিন পাখির মতো লুটিয়ে পড়ছে শত শত রোহিঙ্গা। শিশু, বৃদ্ধ, নারী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পালিয়ে আসছে। বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত, নিপীড়ত, রাষ্ট্রবিহীন সংখ্যালঘু জাতির নাম এখন রোহিঙ্গা।
 


২০১৭-০৯-১৮ ১১:৫১:১১ এএম
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য বাংলাদেশের ভূমিকা

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য বাংলাদেশের ভূমিকা

একদল ‘ছায়া’ এসে দাঁড়ালো গ্রামের সীমানায়। সেখানে চরে বেড়ায় মহিষের দল। ‘ছায়া’দল গোপনে মহিষের লেজে আগুন লাগিয়ে দিলো। আর মহিষের দল ছায়াদের বেয়াদব ব্যবহারে, ভয়ে, বেদনায় সারা গ্রাম লাফিয়ে হয়রান।


২০১৭-০৯-১৮ ১১:৩১:২৪ এএম
আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের বিচার নয় কেন?

আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের বিচার নয় কেন?

মিয়ানমারে মুসলমানদের উপর নির্লজ্জভাবে গণহত্যা চালানো হচ্ছে। যা রাষ্ট্র হিসেবে মিয়ানমার এর দায়ভার এড়াতে পারে না। নাগরিকদের জীবন ও সম্পত্তির সুরক্ষা দেওয়া প্রত্যেক রাষ্ট্রের কর্তব্য। এছাড়াও নাগরিকদের উপর গণহত্যা চালানো হলে কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্র আন্তর্জাতিকভাবেও দায়বদ্ধ থাকে। শুধু মিয়ানমার রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা নিয়ে আমি কথা বলবো না। আমি আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টিও আকর্ষণ করবো। 


২০১৭-০৯-১৭ ৮:৪৬:৫০ এএম
রেলের শহর রাজবাড়ী ও তাকে নিয়ে কিছু কথা

রেলের শহর রাজবাড়ী ও তাকে নিয়ে কিছু কথা

রাজার নামে রাজবাড়ী। দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার রাজবাড়ী জেলার সাথে ঢাকা জেলার রেল যোগাযোগের দাবি অনেক দিনের। যতটুকু শুনেছিলাম, ব্রিটিশ সরকারই এ সংক্রান্ত কাজ করতে চেয়েছিল। কিন্তু পদ্মা, কালীগঙ্গা এবং ধলেশ্বরীর মতো প্রমত্তা নদীগুলোর উপর ব্রিজ করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠার কারণেই হয়তো তারা এই রেল লাইন বসানোর পরিকল্পনা হতে সরে আসে।


২০১৭-০৯-১৬ ৭:৫৮:৩৯ এএম
নোবেল শান্তি পুরস্কারের মৃত্যু

নোবেল শান্তি পুরস্কারের মৃত্যু

নাফ নদীর দুই তীরে হাজার হাজার মৃত দেহের পাশে লুটিয়ে পড়েছে নোবেল শান্তি পুরস্কার। মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মরে পচে ভেসে ওঠা অসংখ্য মরদেহের মিছিলে অং সান সুচির নোবেল শান্তি পুরস্কার এখন আর কোনও মূল্য বহন করে না। জাতিগত নিধনযজ্ঞ থামানোর  অক্ষমতার পাশাপাশি জাতিসংঘে বিশ্বনেতৃত্বের সামনে না যাওয়ার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তিনি হত্যাকারীদের সঙ্গে নিজের অবস্থানকে নিশ্চিত করেছেন।


২০১৭-০৯-১৪ ৬:৪৩:০৮ এএম
রোহিঙ্গাদের বাঁচতে দিন, ওরাও মানুষ

রোহিঙ্গাদের বাঁচতে দিন, ওরাও মানুষ


মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের মানুষ হিসেবে বাঁচার অধিকার আছে। অথচ তারা আজ নিজ দেশের সরকারের অমানুষিক নির্যাতনের সম্মুখীন হয়ে বাঁচার অধিকারটুকু যেন হারিয়ে ফেলেছে। বর্তমানে তাদের মৌলিক অধিকার বলতে কিছুই নেই। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে তাদের বসতবাড়িতে আগুন জ্বলছে, সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা সহস্রাধিক বলে পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।


২০১৭-০৯-১১ ৫:৫৬:১৯ এএম