bangla news

বইমেলায় বাসন্তী ঘ্রাণে শুরু মাঘের শেষ প্রহর

ফিচার রিপোর্টার | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০২-১২ ৪:১৯:১৬ পিএম
বইমেলায় বাসন্তী সাজে তরুণীরা-ছবি-ডি এইচ বাদল

বইমেলায় বাসন্তী সাজে তরুণীরা-ছবি-ডি এইচ বাদল

অমর একুশে গ্রন্থমেলা থেকে: শীত বেশ অনেক আগেই চলে গেছে। তবে মাঘের শীত বলে কথা, তাইতো প্রতিদিন বইমেলা শেষ হওয়ার সময়টাতে অনেককেই দেখা যায় গরম কাপড়ে। আজ অবশ্য সে দৃশ্যেরও শেষ হবে। কেননা দুয়ারে দাঁড়িয়ে আছে বসন্ত। তবে সে আসার আগে থেকেই বইমেলার বাতাসে লেগে গেছে বসন্তের ঘ্রাণ।

মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) শীতের শেষদিনে বেলা ৩টায় মেলার ঝাঁপি খোলার সঙ্গে সঙ্গেই ঢল নামে প্রাণের মেলায়। এসময় শীত ছেড়ে বসন্তের আমেজে নারীরা বাসন্তী রঙের শাড়ি বা সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে হাতে-খোঁপায় হলুদ গাদা ফুলসহ বাহারি ফুলে নিজেদের সাজিয়ে আসেন মেলা প্রাঙ্গণে। সেইসঙ্গে হাতে বাজে রিনিঝিনি শব্দে কাঁচের চুড়ি। অনেকে আবার পরিবারসহ মেলায় এসেছেন বসন্তের সাজে। পুরুষরাও নিজেদের সাজ-পোশাকে রেখেছেন বসন্তের ছোঁয়া।

এদিন বইমেলা ছাড়াও দোয়েল চত্বর, শাহবাগ-টিএসসি সড়কেও তরুণ-তরুণীদের জমিয়ে আড্ডা দিতে দেখা গেছে। তাদের অনেকের হাতে আর খোঁপায় ছিল হলুদ গাঁদা ফুল। আর প্রায় সবাই লাল, হলুদ, সবুজ, বেগুনী, কমলা বা সাদা রঙে নিজেদের সাজিয়েছেন বাসন্তী সাজে।

বইমেলায় বাসন্তী সাজে তরুণীরা-ছবি-ডি এইচ বাদলহলুদ শাড়ি পরে আর মাথায় ফুল দিয়ে বইমেলা প্রাঙ্গণে বাংলানিউজের সঙ্গে কথা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নীলিমা হাকিম মৌয়ের। তিনি বলেন, বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে খুব মজা করছি। পছন্দের বই কিনলাম। যদিও বসন্ত এখনও আসেনি, তবুও বাসন্তী সাজে এলাম, বন্ধুরাও এসেছে। বসন্ত আর বইমেলা দুটোই তো চমৎকার, সেজন্য দুটোকে একসূত্রে বাঁধা আরকি।

এদিকে মাঘের শেষ লগ্ন ও বসন্তের আগমনী সুরে মিষ্টি এ সময়ে প্রিয়জনকে দেওয়ার জন্য সেরা উপহার বই। এমনকি সুন্দর একটি বিকেল ও সন্ধ্যার প্রত্যাশায় কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যও এই মেলা।

বাংলাদেশ সময়: ১৬১৬ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৯
এইচএমএস/আরআর

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   বইমেলা
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

শিল্প-সাহিত্য বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa
cache_14 2019-02-12 16:19:16