bangla news
গল্প সংখ্যা

এই সময়ের এক কুড়ি গল্প পড়ুন বাংলানিউজে

গল্প সংখ্যা ~ শিল্প-সাহিত্য | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৭-০৭-৩০ ৫:২৬:৩১ এএম
এক কুড়ি গল্প পড়ুন বাংলানিউজে

এক কুড়ি গল্প পড়ুন বাংলানিউজে

আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে টুকরো টুকরো সব গল্প। প্রত্যেকেরই নিজস্ব গল্প রয়েছে। কারও দুখের গল্প, কারও সুখের। কারও লাল, নীল, বেগুনি…। 

এসবই আবার একটি সময় প্রবাহের গল্প। একেক সময়ের গল্প একেক রকম। অনেকটা বহতা নদীর মতো। গল্পকাররা সেই নদীতে নামেন, জল নিয়ে খেলেন, প্রাণভরে সাঁতরান। এরপর হাতে নেন আঁজলা আঁজলা জল, যা আসলে চির চেনা অথচ চির অচেনা একেকটি গল্প।

এইসব গল্পের সঙ্গে রোজ আমরা বাসে-ট্রেনে গা ঘেঁষে দাঁড়াই। গ্রীষ্ম-বরষা-শীতে ভিড়ের মধ্যে গায়ে ধাক্কা দিয়ে এগিয়ে যায়, কিন্তু কখনও কথা হয় না! 

সেইসব অব্যক্ত গল্পগুলো উঠে আসে গল্পকারদের লেখনিতে। তাদের নিজস্ব অনুভূতি ও পর্যবেক্ষণের বুননে যাপিত সময়কে আমরা নতুনভাবে দেখি। কথা না হওয়া চরিত্রগুলোর সঙ্গে আলাপ হয়।

এরকমই কুড়িটি গল্প নিয়ে বিশেষ আয়োজন বাংলানিউজের শিল্প-সাহিত্য পাতায়। 

লিখেছেন- আকাশ মামুন, আবদুল্লাহ আল ইমরান, আবু উবায়দাহ তামিম, এনামুল রেজা, কিঙ্কর আহ্‌সান, জব্বার আল নাঈম, নাদিরা মুসতারী, নাহিদা নাহিদ, নুসরাত নীলা, ফারাহ্ সাঈদ, মাসউদ আহমাদ, মাহমুদ নোমান, মাহবুব ময়ূখ রিশাদ, মুহাম্মদ ফরিদ হাসান, রাসেল রায়হান, শামীম আরেফীন, শাফিনূর শাফিন, সাব্বির জাদিদ, সালাহ উদ্দীন মাহমুদ ও হুমায়ূন শফিকের মতো এই সময়ের গল্পকাররা।

আগামী ০১ আগস্ট থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত রোজ একটি করে গল্প প্রকাশ পাবে। নামের আদ্যাক্ষর অনুযায়ী লেখকের ক্রম করা হয়েছে। আগে প্রকাশিত গল্পগুলো পড়া যাবে সর্বশেষ গল্পের নিচে লিংক থেকে। 

২১ আগস্ট থাকবে কুড়িটি গল্পের ওপর পর্যালোচনা। গল্পগুলো পড়ে সেটি লিখছেন কবি ও কথাসাহিত্যিক আশরাফ জুয়েল।

বাংলানিউজের নিয়মিত পাঠক ও গল্পপ্রেমীদের জন্য আরেকবার বলি, ০১ থেকে ২০ আগস্ট, এই সময়ের কুড়িজন গল্পকারের কুড়িটি তরতাজা গল্প। ঝুড়ি নিয়ে প্রস্তুত থাকুন, গল্পরা আসছে।

যোগাযোগ

বাংলাদেশ সময়: ১৫২২ ঘণ্টা, জুলাই ৩০, ২০১৭
এসএনএস  

   


 

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

শিল্প-সাহিত্য বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa
cache_14 2017-07-30 05:26:31