bangla news

‘মানুষকে খাবার না দিয়ে মদ তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০২০-০৫-১৪ ৫:৪০:২৫ পিএম
ত্রিপুরায় ‘সিআইটিইউ’র বিক্ষোভ কর্মসূচি। ছবি- বাংলানিউজ

ত্রিপুরায় ‘সিআইটিইউ’র বিক্ষোভ কর্মসূচি। ছবি- বাংলানিউজ

আগরতলা (ত্রিপুরা): ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী, বিরোধী দলের নেতা মানিক সরকার বলেছেন, করোনার প্রকোপের মুখে মাত্র চার ঘণ্টার নোটিশে দেশব্যাপী লকডাউনের ঘোষণা দেয় ভারত সরকার। মানুষ পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে লকডাউন মেনে নিয়েছে। প্রায় ৫০ দিন ধরে চলা লকডাউনে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে গরীব মানুষ। তারা দু’বেলা দু’মুঠো খাবার পাচ্ছে না। দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার মজুদ আছে। সেগুলো ইঁদুর, বিড়াল খাচ্ছে। অথচ সরকার এ খাবার সাধারণ মানুষের মধ্যে বন্টন না করে, তা দিয়ে মদ তৈরি করার কথা বলছে। 

বৃহস্পতিবার (১৩ মে) বামফ্রন্ট সমর্থিত শ্রমিক সংগঠন ‘সিআইটিইউ’ লকডাউনকালে বেশকিছু দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে ভারতব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। ত্রিপুরার আগরতলা অফিস লেন এলাকার সিআইটিইউ অফিসের সামনেও সংগঠনের ত্রিপুরা রাজ্য শাখার উদ্যোগে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়। সেখানে উপস্থিত হয়েই ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করেন মানিক সরকার।

লকডাউনে জীবিকার কষ্টে থাকা জনগোষ্ঠীর মধ্যে আগামী ৬ মাস বিনামূল্যে খাবার সরবরাহ ও পরিবার প্রতি সাড়ে ৭ হাজার রুপিসহ আরও বেশ কিছু দাবিতে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

করোনা পরিস্থিতিতে চিকিৎসায় নিয়োজিতদের সুরক্ষার দাবি তুলে এদিন মানিক সরকার আরও বলেন, করোনা আক্রান্ত মানুষদের সুস্থ করে তোলার জন্য চিকিৎসক, নার্সসহ স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের পর্যাপ্ত পরিমাণ পিপিই দিয়ে সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। 

শ্রমিকদের কর্মঘণ্টা বাড়ানোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকার শ্রমিকদের দৈনিক কাজের পরিমাণ ৮ ঘণ্টা থেকে বাড়িয়ে ১২ ঘণ্টা করেছে। এই নীতি প্রত্যাহার করতে হবে। যদি কোনো শ্রমিককে ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ করানো হয়, তবে তাকে বাড়তি সময়ের জন্য আলাদা মজুরি দিতে হবে। যদি শ্রমিক বাড়তি সময় কাজ করতে না চান, তবে তাকে দিয়ে জোর করে কাজ করানো যাবে না।

বিক্ষোভ কর্মসূচিতে মানিক সরকার ছাড়াও সিপিআই(এম) দলের অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। আগরতলার পাশাপাশি ত্রিপুরা রাজ্যের অন্যান্য জেলাতেও এ দিন বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৩৬ ঘণ্টা, মে ১৪, ২০২০
এসসিএন/এইচজে

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

আগরতলা বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa
db 2020-05-14 17:40:25