bangla news

ত্রিপুরার ৮ জেলাতেই হবে করোনা কেয়ার সেন্টার 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০২০-০৫-১১ ৭:২৫:৩৩ এএম
এস কে রাকেশ

এস কে রাকেশ

আগরতলা(ত্রিপুরা): ত্রিপুরা রাজ্যে প্রতিদিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি চিন্তা করে রাজ্যের আট জেলাতেই একটি করে করোনা কেয়ার সেন্টার তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

রোববার(১০ মে) সন্ধ্যায় রাজধানী আগরতলার ক্যাপিটাল কমপ্লেক্সস্থিত মহাকরণের প্রেস কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মেলন করে একথা জানান রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব তথা স্বাস্থ্য দফতরের প্রধান সচিব এস কে রাকেশ। তিনি আরো জানান, এই সংক্রান্ত বিষয়ে প্রতিটি জেলার জেলা শাসকদের নিয়ে আগরতলায় একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মূলত রাজ্যের প্রতিটি জেলা সদরে যে সকল জেলা হাসপাতাল রয়েছে এগুলোতে করোনা কেয়ার ইউনিট গঠন করা হবে।
 
সেই সঙ্গে তিনি আরো জানান ভারত সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তরফে করোনাভাইরাস নিয়ে নতুন একটি গাইডলাইন পাঠানো হয়েছে। এই গাইডলাইনে উল্লেখ করা হয়েছে যে সকল করোনা আক্রান্ত রোগীর শরীরে তুলনামূলকভাবে ভাইরাসের প্রকোপ কম থাকবে তেমন রোগীদেরকে সংশ্লিষ্ট জেলার করোনা কেয়ার সেন্টারে চিকিৎসা করা হবে এবং সুস্থ হয়ে গেলে দশ দিন পর কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠানো হবে পর্যবেক্ষণের জন্য। কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে ১৪দিন পর্যবেক্ষণের পর তারা বাড়ি ফিরে যেতে পারবেন।
 
জেলা হাসপাতলে করোনা কেয়ার ইউনিট চালু হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট জেলার করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা করা হবে জেলা করোনা কেয়ার ইউনিটে। যে সকল করোনা আক্রান্তের শারীরিক অবস্থা জটিল হবে শুধুমাত্র তাদেরকেই আগরতলা সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হবে। 
ভারত সরকারের গাইডলাইন অনুসারে আগরতলা ইতিমধ্যে দু’টি ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল রয়েছে। এগুলো হচ্ছে আগরতলা সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং আগরতলা শালবাগানস্থিত ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী'র(বি এস এফ) ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ার্স'র হাসপাতাল। এছাড়াও রাজধানীর আইজিএম হাসপাতালে ৩০শয্যা বিশিষ্ট একটি করোনা কেয়ার ইউনিট রয়েছে। এর পাশাপাশি আগরতলার খেজুর বাগান এলাকার শহীদ ভগৎ সিং যুব আবাসকে করোনা কেয়ার সেন্টারে পরিণত করা হয়েছে। 
তবে বর্তমানে আগরতলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং শহীদ ভগৎ সিং যুব আবাসে করোনা কেয়ার সেন্টারে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা চলছে।

এদিকে বর্তমানে ত্রিপুরা রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৩২জন।

বাংলাদেশ সময়: ০৭২৫ ঘণ্টা, মে ১১, ২০২০
এসসিএন/এসআইএস

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2020-05-11 07:25:33