ঢাকা, সোমবার, ১১ ভাদ্র ১৪২৬, ২৬ আগস্ট ২০১৯
bangla news

ভারী বর্ষণে আগরতলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৭-১৩ ১১:৪২:৫৭ এএম
ভারী বর্ষণে বন্যা পরিস্থিতিতে আগরতলার বিভিন্ন এলাকা। ছবি: বাংলানিউজ

ভারী বর্ষণে বন্যা পরিস্থিতিতে আগরতলার বিভিন্ন এলাকা। ছবি: বাংলানিউজ

আগরতলা (ত্রিপুরা): ভারী বর্ষণের ফলে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলার বিভিন্ন এলাকায়।

শুক্রবার (১২ জুলাই) সকাল থেকেই আগরতলাসহ ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। বিকেল হতেই বৃষ্টি নামে মুষলধারে। টানা দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে এ বৃষ্টি। এতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় আগরতলা শহরের বিভিন্ন এলাকায়।

বিশেষ করে রাজধানীর আরএমএস চৌমুহনী, ওরিয়েন্ট এলাকা, মধ্য বনমালীপুর, রামঠাকুর মন্দির এলাকা ও পূর্ব থানার আশেপাশের এলাকার রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায়। রাস্তার কোথাও হাঁটু, আবার কোথাও কোমর পরিমান পানি থাকায় পানিবন্দি হয়ে পড়ে বহু মানুষ।

এদিন শহরে অতিরিক্ত পানির কারণে গণপরিবহনের সংখ্যা ছিলো কম। পাশাপাশি বন্ধ হয়ে যায় বহু রুটের যান চলাচলও। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হয় বিকেলে অফিস ছুটি হওয়া কর্মজীবীসহ সাধারণ মানুষকে।

এছাড়া এদিন ছিলো জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসবের শেষ দিন। অন্য বছর এই সময়ে রথযাত্রা উৎসবকে ঘিরে জগন্নাথ বাড়ি মন্দিরের বাইরে মেলাসহ নানা আয়োজন হয়ে থাকে। তবে শহরে পানির কারণে এদিন ফাঁকাই ছিলো মন্দির। কোনোরকমে নিয়ম রক্ষার কর্মসূচি করে তা সম্পন্ন করে মন্দির কমিটি। 

আবহাওয়া অধিদফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ৮৫ শতাংশ। পূর্বাভাস বলছে, আগামী ১৬ জুলাই (মঙ্গলবার) পর্যন্ত পুরো রাজ্যজুড়ে বৃষ্টি হতে পারে।

এছাড়া পাহাড় অঞ্চলে হওয়া বৃষ্টির পানি ধীরে ধীরে সমতলে নামছে। এতে রাজ্যের প্রায় সব নদীর পানির স্তর বাড়তে থাকায় কিছু কিছু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তৎপর রয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

বাংলাদেশ সময়: ১১৪২ ঘণ্টা, জুলাই ১৩, ২০১৯
এসসিএন/এসএ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   আগরতলা
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-07-13 11:42:57