[x]
[x]
ঢাকা, শনিবার, ৪ কার্তিক ১৪২৫, ২০ অক্টোবর ২০১৮
bangla news

আমের পাতায় জ্বালানি, আঁটিতে পেস্ট ও তেল

বাংলানিউজ টিম | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৮-০৬-০২ ৪:৩৬:৫৯ এএম
বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শরাফ উদ্দিন/ছবি: বাদল ও আরিফ জাহান

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শরাফ উদ্দিন/ছবি: বাদল ও আরিফ জাহান

রাজশাহী চেম্বার ভবন থেকে: রাজশাহী-চাঁপাই অঞ্চলের ৮০/৮৫ ভাগ মানুষ আমের সঙ্গে জড়িত। এই আম অত্র অঞ্চলের কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে আরও ভূমিকা রাখতে পারে।

শনিবার (২ জুন) দুপুরে রাজশাহী চেম্বার ভবনে বাংলানিউজ আয়োজিত ‘আমের দেশে নতুন বেশে’ শীর্ষক এ আলোচনায় বক্তব্যকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আম গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শরাফ উদ্দিন এমনটাই বলছিলেন। 

তিনি বলেন, আমের পাতা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আমের আঁটির শক্ত অংশটি বাদ দিয়ে ভেতেরর শ্বাস থেকে পেস্ট ও ভোজ্য তেল তৈরি করা হয়। তাই আম রফতানির অনেক সুযোগ রয়েছে। এর জন্য সুষ্ঠ পরিকল্পনার দরকার। 

বক্তব্যকালে তিনি আরও বলেন, আম রফতানির যে সুযোগ রয়েছে। অন্যান্য ফল বা ফসলের সেটা নেই। আমরা সবসময়ই চাচ্ছি আম হবে ভালো মানের।  

সময় নির্ধারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ভালো মানের আম নিশ্চিত করার জন্যই এ রকমের উদ্যোগ। এতে চাষিদের ক্ষতির কোনো কারণ নেই। যে তারিখ নির্ধারণ করা হয় ,সেটা আম পরিপক্ক করার ডেট। কোনো চাষির আম যদি পেকে যায় সংশ্লিষ্ট কৃষি অফিসে জানিয়ে আম পাড়তে পারবেন। ২০১৪-১৫ সালে কার্বাইড ও ফরমালিন অভিযান আম চাষিদের ক্ষতি করে দিয়েছে। এ কারণেই ভোক্তা যাতে ভালো আম পায় সেজন্যই বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জেলায় এমন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। 

ব্যাগিং পদ্ধতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ব্যাগিং আমটা সংগ্রহ করার কমপক্ষে সাতদিন পর খেতে হবে এবং ১৪দিন পর্যন্ত খাওয়া যাবে। এ পদ্ধতিতে ৪২ থেকে ১১০ দিন আম ব্যাগে থাকে। কোনো বালাইনাশক ব্যবহার করা হয় না। এভাবে বালাইনাশকের ব্যবহার আস্তে আস্তে কমে আসবে। ব্যাগিং পদ্ধতির মাধ্যমে আম পৃথিবীর যে কোনো দেশে রফতানির জন্য দ্বার খোলা রয়েছে।  

নিউজটোয়েন্টিফোর ও রেডিও ক্যাপিটালের সিইও এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক এস এম আব্দুল কাদের। বাংলানিউজের কনসালট্যান্ট এডিটর জুয়েল মাজহারের পরিচালনায় বিশেষজ্ঞ আলোচনায় মূল্যবান মতামত দিচ্ছেন আমগবেষক ও সংশ্লিষ্টরা।

আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সালাহ উদ্দিন, রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত পাল, আম চাষি ও ব্যবসায়ী ইসমাঈল খান শামীম, খন্দকার মনিরুজ্জামান মিনার, জিল্লুর রহমান, রাজশাহী অ্যাগ্রো ফুড প্রডিউসার সোসাইটির আহ্বায়ক আনোয়ারুল হক, আম গবেষক ও লেখক মো. মাহাবুব সিদ্দিকী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ আম গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মঞ্জুরুল-হুদা প্রমুখ।

বাংলাদেশ সময়: ১২১০ ঘণ্টা, জুন ০২, ২০১৮
এসসিডি/এমবিএইচ/ইইউডি/এসএম/এমআই/ জেডএস/এএ/এসএইচ

-

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache