ঢাকা, বুধবার, ২১ শ্রাবণ ১৪২৭, ০৫ আগস্ট ২০২০, ১৪ জিলহজ ১৪৪১

বছরজুড়ে দেশ ঘুরে

পর্যটন বর্ষে ছাড়ের ছড়াছড়ি

শাহজাহান মোল্লা, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৬-০১-২৭ ০৮:১০:০০ এএম
পর্যটন বর্ষে ছাড়ের ছড়াছড়ি

ঢাকা: বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান পরিদর্শনের বিশেষ আয়োজন নিয়ে ২০১৬ সালকে পর্যটন বর্ষ ঘোষণা করা হয়েছে। এই বর্ষে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য রয়েছে নানা সুবিধা।

বাংলাদেশ ভিজিট করতে আসা পর্যটকদের জন্য তাই ছাড়ের অন্ত নেই।
 
বলা যায়, পর্যটন বর্ষকে ঘিরে রয়েছে ছাড়ের ছড়াছড়ি। এর সবই করছে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন। চলতি ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই পর্যটকরা পাচ্ছেন বিশেষ সুবিধা।
 
পর্যটন বর্ষকে ঘিরে সব হোটেল/মোটেল এবং রেস্তোরাঁয় পাওয়া যাচ্ছে আকর্ষণীয় ছাড়। এই বর্ষে প্যাকেজ ট্যুরের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি এয়ারলাইন্সে আসা বিদেশি পর্যটকদের সকালের নির্ধারিত নাস্তাসহ বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের (বাপক) হোটেল/মোটেলগুলোতে ৩০ শতাংশ ছাড় পাবেন আবাসিকের ক্ষেত্রে। এছাড়া দুপুর ও রাতের খাবার সরবরাহ করা হবে ২০% ছাড়ে।
 
পর্যটন বর্ষে সভা সেমিনার, ওয়ার্কশপে আসা বিদেশি অতিথিদের সকালের নির্ধারিত নাস্তাসহ বাপক’র হোটেল-মোটেলগুলোতে রয়েছে ৩০ শতাংশ ছাড়, একই সঙ্গে দুপুর রাতের খাবারে রয়েছে ২০ শতাংশ ছাড়।
 
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এর অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে আসা পর্যটকরা প্লেনের কার্ড লয়েলটি (Loyalty) এর আওতায় বাপক’র প্রিভিলেজ কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে সকালের নির্ধারিত নাস্তা দুই বোতল সুপেয় পানিসহ ২৫ শতাংশ ছাড়ে পাবেন। তিনটি আবাসিক কক্ষ ব্যবহার করতে পারবেন।
 
বাপক’র সব ইউনিটে বিনামূল্যে ওয়াইফাই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। দেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর সভা, সেমিনার ওয়ার্কশপ, আয়োজনে বাপক’র কনফারেন্স  হল ২০ শতাংশ ছাড় এবং রেস্তোরাঁয় ১৫ শতাংশ ছাড়ে দুপুর ও রাতের খাবার দেওয়া হবে।
 
বিদেশি পর্যটকরা বাংলাদেশি এয়ারলাইন্সে আগমণ করলে ৩০ দিনের মধ্যে বোর্ডিং পাস প্রদর্শন করে পর্যটন করপোরেশনের হোটেল-মোটেলগুলোতে সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারবে।
 
পর্যটন বর্ষের সব সুবিধা শুরু হয়েছে ১ জানুয়ারি ২০১৬ সাল হতে, চলবে ডিসেম্বর পর্যন্ত।  
 
বাংলাদেশেও যেসব মনোমুগ্ধকর দর্শনীয় স্থান রয়েছে সেগুলোতে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতেই এই ব্যাপক আয়োজন।
 
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের বিপণন ব্যবস্থাপক ও ন্যাশনাল হোটেল অ্যান্ড টুরিজম ট্রেইনিং ইনস্টিটিউট (এনএইচটিটিআই)এর অধ্যাপক পারভেজ আহমেদ চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, দেশেই যে ভ্রমণের জন্য দর্শনীয়  স্থান রয়েছে, তা হয়তো অনেক দেশি পর্যটকের কাছেই অজানা। তাই পর্যটন করপোরেশন বিদেশি পর্যটকদের পাশাপাশি দেশি পর্যটকদেরও সুবিধা দিচ্ছে। এই সুবিধা পর্যটন বর্ষকে ঘিরেই।
 
আশা প্রকাশ করে এই অধ্যাপক বলেন, ভিজিট বাংলাদেশের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পর্যটন বাংলাদেশ ভ্রমণ করবে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন বাইরের দেশে বাংলাদেশের সুনাম ছড়িয়ে পড়বে, তেমনি রাজস্বও বাড়বে।
 
বাংলাদেশ সময়: ০৭৫৯ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৭, ২০১৬
এসএম/জেডএম

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa