ঢাকা, মঙ্গলবার, ৮ কার্তিক ১৪২৫, ২৩ অক্টোবর ২০১৮
bangla news
আরবের নিভৃতে আইফোন বিক্রি করছে আফগান!

আরবের নিভৃতে আইফোন বিক্রি করছে আফগান!

মক্কা-মদিনা সুপার হাইওয়ে (সৌদি আরব): মহাসড়ক ধরে তীব্র বেগে ধেয়ে ধু ধু মরুময় পাহাড় ঘেরা নিভৃত প্রান্তরে বাস এসে থেমেছে। কয়েকজন যাত্রী ছাড়া চারদিকে জনমানুষ ও বসতির চিহ্ন মাত্র নেই। মক্কা থেকে মদিনার পথে যাত্রা বিরতির এসব স্টপেজকে আরবী ভাষায় বলা হয় 'মঞ্জিল'। সেখানে এক আফগানি অস্থায়ী টেবিলে নানা পণ্যের পাশাপাশি বিক্রি করছে অত্যাধুনিক আইফোন!


২০১৭-১২-২১ ৪:৪০:০১ এএম
এক টুকরো আফ্রিকা (পর্ব ৩)

এক টুকরো আফ্রিকা (পর্ব ৩)

কেনিয়ার কিউসো এলাকার প্রকৃতি ভীষণ বৈরী। আমরা সেখানে গিয়েছিলাম সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে। দীর্ঘ খরা শেষে ক্লান্ত প্রকৃতি বৃষ্টির অপেক্ষায় দিন গুনছে। এখানে দিনেরবেলা প্রচণ্ড তাপদাহ আর সন্ধ্যার পর থেকেই বইতে শুরু করে ঠাণ্ডা হাওয়া। ঠিক যেন মরু অঞ্চলের আবহাওয়া। 


২০১৭-১২-১৫ ১:০৫:০৭ এএম
সবকিছু স্মৃতি হবে কিন্তু হিমালয়ের আহ্বান সবসময় বর্তমান

সবকিছু স্মৃতি হবে কিন্তু হিমালয়ের আহ্বান সবসময় বর্তমান

নেপাল ঘুরে এসে: বেস ক্যাম্পে সবার মন খারাপ। দলের সবাই পুরোপুরি সুস্থ থাকার পরও শুধু আবহাওয়ার খামখেয়ালির কারণে ফিরে আসতে হয়েছে। তার মাত্রা আরও বাড়লো সন্ধ্যার পরিষ্কার আকাশে এক ফালি চাঁদ দেখার পর।


২০১৭-১২-০৮ ১০:৫৪:৪০ পিএম
হাঁটু সমান বরফ বাধ সাধলো সামিটে

হাঁটু সমান বরফ বাধ সাধলো সামিটে

পুরো টিম ক্র্যাম্প্রন পয়েন্ট থেকে তৈরি হয়ে কিছুদূর উঠতেই ঠিক গতকালের মতো চারপাশ থেকে মেঘ ঘনিয়ে এলো। শুরু হয়ে গেছে বাতাস। এর মধ্যেও দূরে কালো বিন্দুর মতো আরোহীদের চলাফেরা বোঝা যাচ্ছে। ধীরে ধীরে অগ্রসর হচ্ছে হাইক্যাম্পের দিকে। তাঁবুর বাইরে থাকা সম্ভব হলো না। আশঙ্কার মেঘ জমছে মনেও। বেসক্যাম্পে এখন শুধু আমি আর একজন পোর্টার।


২০১৭-১২-০৩ ৮:০৪:৪৩ পিএম
সামিটের প্রস্তুতির রাতে শুরু হলো বরফ পড়া

সামিটের প্রস্তুতির রাতে শুরু হলো বরফ পড়া

রাতে একদম ভালো ঘুম হয়নি। মাথার নিচে কিছু না দিয়েই সটান শুয়ে পড়েছিলাম। তার উপর তাঁবুর নিচের অংশ এবড়ো থেবড়ো হয়ে যাওয়ার কারণে অস্বস্তিকর অবস্থায় সারা রাত এপাশ-ওপাশ করে কাটাতে হয়েছে। একটা এয়ার পিলোর অভাব হাড়ে হাড়ে টের পেলাম। ভোরে আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে তাবুর চেইন খুলে বাইরে বের হয়ে এলাম।


২০১৭-১২-০২ ১১:২৩:০৫ পিএম
আঁধার ঠেলে উঁকি দিলো আগুনরঙা মানাসলু

আঁধার ঠেলে উঁকি দিলো আগুনরঙা মানাসলু

এ এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। ভোর পাঁচটায় উঠে মাইনাস ছুঁই ছুঁই তাপমাত্রায় খোলা আকাশের নিচে বসে থাকা বৃথা গেলো না তাহলে। প্রথম সূর্যের আলো একটু একটু করে তাড়িয়ে দিলো মানাসলুর গায়ে লেগে থাকা আঁধার। পাগলের মতো ক্লিক করে যাচ্ছি। জানি ফিফটি এম এম লেন্সে এ জাদু বাস্তবের তেমন কিছু ধারণ করে রাখা যাবে না, তারপরও চোখের সামনে প্রকৃতির ভোল বদল নিদারুণ নিরাসক্তকেও আলোড়িত করবে।


২০১৭-১১-৩০ ১১:৩২:২৬ পিএম
হাতের নাগালে বরফ পাহাড়, বীরেন্দ্র লেকে মুগ্ধতা

হাতের নাগালে বরফ পাহাড়, বীরেন্দ্র লেকে মুগ্ধতা

সামারগাওয়ে আজ আমাদের বিশ্রামের দিন। এর উচ্চতা ৩ হাজার ৫২০ মিটার। ফলে অ্যাক্লেমাটাইজেশনের জন্য একদিন এখানে অবস্থান করে সামনে এগোনোর পরিকল্পনা। কিন্তু আগে থেকেই জানি বিশ্রাম আসলে নামেই বিশ্রাম। কারণ আজ আমাদের মানাসলু বেসক্যাম্পের দিকে যতদূর সম্ভব যেতে হবে।


২০১৭-১১-২৯ ১০:৩৯:২৩ পিএম
সুন্দরতম গ্রাম লোহ, সামনে চোখ ধাঁধানো মানাসলু

সুন্দরতম গ্রাম লোহ, সামনে চোখ ধাঁধানো মানাসলু

অন্য রকম এক সকাল নামরুংয়ে। ট্রেকে প্রথমবারের মতো প্রায় হাত ছোঁয়া দূরত্বে বরফ চূড়া। প্রথম সূর্যের ছটা লেগেছে তার গায়ে। যদিও পাথুরে শরীরে শুভ্রতা অতটা নেই। হাড় কাঁপানো শীত। নিচে ফ্লিচের জ্যাকেট উপরে উইন্ড ব্রোকার চাপিয়ে নিলাম। কিন্তু খুলতে হলো আধঘণ্টার মধ্যেই। নামরুং ছাড়িয়ে কিছুদূর যেতেই শুরু হলো চড়াই।


২০১৭-১১-২৮ ৫:১১:২৮ পিএম
১১ ঘণ্টা চড়াই-উৎরাই বেয়ে ৮৬৫০ ফুট উচ্চতার নামরুংয়ে

১১ ঘণ্টা চড়াই-উৎরাই বেয়ে ৮৬৫০ ফুট উচ্চতার নামরুংয়ে

আজ যাত্রা নামরুংয়ের দিকে। এমনিতে গতকালের নির্ধারিত জায়গা ড্যাং থেকে পঁয়তাল্লিশ মিনিট আগের পেওয়াতে থেকেছি। তার উপর আজকের পথ সম্বন্ধে গাইডদের ধারণা কম। সকালের আলো পাহাড় চূড়া ছুঁতে না ছুঁতেই আমরা ড্যাংয়ে এসে পৌঁছালাম। সেখানে চা বিরতি। ড্যাং এর পরে ভীষণ এক উৎরাই। একেবারে নেমে গেলাম বুড়িগন্ধাকীর পাড়ে। এরপর ভয়াবহ চড়াই।


২০১৭-১১-২৭ ৭:১০:১৩ পিএম
বুড়িগন্ধাকীর সাসপেনশন ব্রিজ পেরিয়ে ফিলিম

বুড়িগন্ধাকীর সাসপেনশন ব্রিজ পেরিয়ে ফিলিম

আমরা ধীরে ধীরে উচ্চতার এক স্তর থেকে আরেক স্তরে প্রবেশ করছি তা জগত থেকে বের হয়েই বোঝা গেলো। হিমালয়ান অঞ্চলে বিদ্যুৎ সমস্যা দূর করতে নদী ও ঝরনার জলধারা ব্যবহার করে অসংখ্য মাইক্রো পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। জগতে দেখা গেলো এ চিত্র। চারপাশে পাইন, ফার, বার্চ গাছের সমাহার। ন্যাড়া পাথরও চোখে পড়ছে প্রচুর। বুড়িগন্ধাকীর নদী খাত ঘেঁষে পাথর কেটে বানানো হয়েছে সরু রাস্তা। এ দিয়েই স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করছে মানুষ, মালবাহী পশুর দল।


২০১৭-১১-২৬ ১০:৩৩:১৮ পিএম
পাহাড়ের গায়ে ঝোলা নেপালের একমাত্র ক্লিপ ব্রিজ

পাহাড়ের গায়ে ঝোলা নেপালের একমাত্র ক্লিপ ব্রিজ

রাতে তাপমাত্রা বেশ নেমে গিয়েছিলো। কম্বলের আরামে এক ঘুমে রাত পার। পথ আজ বেশ লম্বা। আমরা তাড়াতাড়ি রওয়ানা দিলাম। গাইড জয় মাল্লা আমাদের আগেই সতর্ক করে দিয়েছে। বেশ কয়েকটি ল্যান্ড স্লাইড জোন পার হতে হবে।


২০১৭-১১-২৫ ৭:৩৭:৩২ পিএম
 কখনও সরু ফিতা কখনও এবড়ো-থেবড়ো পথে যাত্রা

কখনও সরু ফিতা কখনও এবড়ো-থেবড়ো পথে যাত্রা

লাপুবেসিতে গরমের উৎপাতে রাতে ভালো ঘুম হয়নি। ৮৮০ মিটারেই হিম ঠাণ্ডা আশা করা যায় না। কিন্তু এই পাহাড়ি উপত্যাকায় অন্তত স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়েও বেশি উত্তাপ ছিল রাতে। অবশ্য রাতে আরেকটি ব্যাপার মন ভরিয়ে দিয়েছে। সামনের আকাশ ছোঁয়া পাহাড়ের গায়ে ঝুলে থাকা অচেনা গ্রামের সোলার লাইটের মেলা মেঘাচ্ছন্ন রাতের আকাশে তারার অভাব ভুলিয়ে দিয়েছে। ইচ্ছে হয়েছিলো সারা রাত বসে থাকি।


২০১৭-১১-২৫ ১:০৮:২৩ এএম
চারিদিকে বান্দরবান বান্দরবান গন্ধ, সামনে আরক্ষেত

চারিদিকে বান্দরবান বান্দরবান গন্ধ, সামনে আরক্ষেত

১৩ অক্টোবর শুরু হলো আমাদের আসল যাত্রা। সোয়া ৭টার মধ্যেই সবাই নাস্তা সেরে ব্যাকপ্যাক কাঁধে পুরো প্রস্তুত। শুরুতে মেঘের আনাগোনা থাকলেও বেলা বাড়তেই মেঘ কেটে গিয়ে নীল আকাশ। বহুদূরে দিগন্তের কাছে হালকা সাদার আনাগোনা দেখে বোঝা গেলো সেটি গনেশ হিমাল রেঞ্জ। আমরা ব্রিজ পার হয়ে চলে এলাম বুড়িগন্ধাকীর এ পারে গোর্খা জেলার সীমানায়।


২০১৭-১১-২৩ ১০:০২:১৮ পিএম
ধুলোবালি গিলতে গিলতে ট্রেকিং শুরুর আরুঘাট (পর্ব-৩)

ধুলোবালি গিলতে গিলতে ট্রেকিং শুরুর আরুঘাট (পর্ব-৩)

গাড়ি দুলছে বিক্ষুব্ধ সমুদ্র খাবি খেতে থাকা জাহাজের মতো। সঙ্গে দুনিয়াটাও দুলছে যেন। বন্ধ দরজা জানলার ফাঁক গলেই যে পরিমাণ ধুলো আসছে খোলা থাকলে বোধহয় ধুলোর সমুদ্রেই আমাদের সলীল সমাধি হতো। আমরা চলেছি আরুঘাটের পথে। আমাদের অভিযানের ট্রেকিং এখান থেকে শুরু হবে।


২০১৭-১১-২২ ৮:৫৮:১২ পিএম
হিমালয়ের মানাসলু ট্রেকিংয়ের অদম্য নেশায় যাত্রা (পর্ব-১)

হিমালয়ের মানাসলু ট্রেকিংয়ের অদম্য নেশায় যাত্রা (পর্ব-১)

নিজের ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে আকাশের সেই গাঢ় নীলটা খোঁজার চেষ্টার করছি। এদিক-ওদিক ইতি-উতি তাকাই। মেঘ নেই কোনো। ঘিঞ্জি নগরের ধোঁয়াটে বিষণ্নতা ঘিরে রাখে আকাশ। অথচ মনের ফ্ল্যাশব্যাক বোতাম টিপলেই কি দারুণ নীলে হারিয়ে যেতে পারছি।


২০১৭-১১-২১ ৩:২৪:০৬ এএম