bangla news

৬৮ লাখে বিক্রি হলো বাটলারের বিশ্বকাপ ফাইনালের জার্সি

স্পোর্টস ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০২০-০৪-০৮ ১২:০০:৫০ পিএম
বিশ্বকাপ ফাইনালে পরা জার্সি হাতে বাটলার/ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ফাইনালে পরা জার্সি হাতে বাটলার/ছবি: সংগৃহীত

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ইংল্যান্ডে প্রতিদিনই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। দেশের মানুষের এই করুণ হাল দেখে মন খারাপ ইংলিশ ক্রিকেটার জস বাটলারের। এই কঠিন সময়ে দেশবাসীর পাশে দাঁড়াতে ২০১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে পরা জার্সি নিলামে তুলেছিলেন তিনি। সেই জার্সি ৬৫ হাজার ১০০ পাউন্ডে (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬৮ লাখ ২১ হাজার টাকা) বিক্রি হয়েছে।

বিশ্বকাপজয়ী ইংল্যান্ড দলের সদস্য বাটলারের জার্সি অনলাইনে তোলার পর ৮২ জন বিড করেন। তবে সবাইকে ছাড়িয়ে জার্সির মালিক বনে যান ৬৫ হাজার ১০০ পাউন্ড বিড করা ব্যক্তি। বাটলারের বিক্রি হওয়া জার্সি থেকে প্রাপ্ত অর্থ লন্ডনের রয়্যাল ব্রম্পটন ও হারেফিল্ড হাসপাতালে দান করা হবে।

২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের কথা এখনও ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে গেঁথে আছে। ওই ম্যাচে ইংলিশদের প্রায় কাঁদিয়েই ফেলেছিল নিউজিল্যান্ড। তবে সুপার ওভারের রোমাঞ্চ শেষে নিয়মের গ্যাঁড়াকলে পড়ে হতাশ হয় কিউইরা আর প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বজয়ের স্বাদ পায় ইয়ন মরগ্যানের দল।

ফাইনালের মঞ্চে সেদিন দলের জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন বাটলার। ফিফটি হাঁকানোর পর সুপার ওভারেও তার ভূমিকা ছিল দারুণ। বিশেষ করে মার্টিন গাপটিলের রান-আউটের কথা কারও ভোলার কথা নয়। দেশের এবং নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় সেই ম্যাচে যে জার্সি গায়ে চাপিয়ে খেলেছিলেন, দেশের দুর্দিনে সেই জার্সিই নিলামে তুলেছিলেন বাটলার। সেই জার্সিতে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিকাংশ ক্রিকেটারের সই আছে।

যুক্তরাজ্যে এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৫৫ হাজার ২৪২ এবং মৃতের সংখ্যা ৬ হাজার ১৫৯। আর সারা বিশ্বে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ লাখ ৩২ হাজার ০৯৮ এবং মৃতের সংখ্যা ৮২ হাজার ০৯৯।

বাংলাদেশ সময়: ১২০০ ঘণ্টা, এপ্রিল ০৮, ২০২০
এমএইচএম

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   ক্রিকেট করোনা ভাইরাস
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2020-04-08 12:00:50