bangla news

মিরাজের ঘূর্ণিতে প্রথমদিনেই প্রথম ইনিংস শেষ রাজশাহীর

স্পোর্টস ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-১০-১৭ ৮:০৩:৩৯ পিএম
মাঠ ছাড়ছেন মুশফিক: ছবি-শোয়েব মিথুন

মাঠ ছাড়ছেন মুশফিক: ছবি-শোয়েব মিথুন

প্রথমদিনেই প্রথম ইনিংস শেষ হয়ে গেছে রাজশাহী বিভাগের। খুলনা বিভাগের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮৫.৩ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ২৬১ রান তুলতেই শেষ হয়ে যায় ফরহাদ হোসেনদের ইনিংস। দিনের আরো কিছু সময় বাকি থাকলেও ব্যাটিংয়ে নামেনি খুলনা। আগামীকাল প্রথম ইনিংস শুরু করবে নুরুল হাসানের দল। 

বৃহ্স্পতিবার (১৭ অক্টোবর) জাতীয় ক্রিকেট লিগের টায়ার ওয়ানের দ্বিতীয় রাউন্ডে খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় রাজশাহী ও খুলনা বিভাগ। টসে জিতে রাজশাহীকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় স্বাগতিকরা। 

ব্যাটিংয়ে এসেই শুরুতে ধাক্কা খায় রাজশাহী। দলীয় ৬ রানে মোস্তাফিজ রহমান বোল্ড করেন মিজানুর রহমানকে (৪)। এরপর অবশ্য বিপর্যয় সামাল দেয় জুনাইদ সিদ্দিক ও ফরহাদ হোসেনের ব্যাট। ফিফটি থেকে পাঁচ রান দূরে থাকতে মোস্তাফিজের দ্বিতীয় শিকার হোন ফরহাদ। 

বোলিংয়ে মোস্তাফিজ: ছবি-শোয়েব মিথুন এরপর ভাল শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত। ব্যক্তিগত ২৩ রানে রুবেল হোসেনের বলে বোল্ড হোন তিনি। তবে সতীর্থদের ব্যর্থতার মাঝে ফিফটি ‍তুলে নেন জুনাইদ। ৫১ রানে তিনি বোল্ড হোন মিরাজের বলে। এর পরপরই উইকেটরক্ষক শাকির হোসেনের (৩) স্টাম্প ভেঙে দেন অভিজ্ঞ স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক। এবারও মুশফিকুর রহীম (২৪) চমৎকার শুরু করে আল আমিন হোসেনের এলবিডব্লিউ’র ফাঁদে পড়েন।

৬ উইকেটে ১৭০ রানে যখন দল ধুঁকছে তখন প্রতিরোধ গড়ে তুলেন ফরহাদ রেজা। সানজামুল ইসলাম (২৩) ও তাইজুল ইসলামকে (২৯) নিয়ে রাজশাহীকে দুইশ পেরোনো স্কোর এনে দেন তিনি। ফরহাদের ব্যাট থেকে আসে ৪১ রান। এই তিনজনকেই সাজঘরে ফিরিয়েছেন মিরাজ। সাইফুল ইসলাম আউট হোন রানের খাতা খোলার আগে। অপরাজিত ছিলেন মোহর শেখ। 

খুলনার হয়ে ৩৮ রানে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নিয়েছেন মিরাজ। দু’টি করে উইকেট শিকার করেছেন মোস্তাফিজ ও রুবেল।

বাংলাদেশ সময়: ২০০২ ঘণ্টা, অক্টোবর ১৭, ২০১৯
ইউবি 

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   ক্রিকেট
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-10-17 20:03:39