bangla news

নেইমারকে ফেরাতে অর্থ দিতে চেয়েছিলেন মেসিরাও!

স্পোর্টস ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৯-০৭ ১১:৫৩:০৬ পিএম
নেইমারকে ফেরাতে অর্থ দিতে চেয়েছিলেন মেসিরাও

নেইমারকে ফেরাতে অর্থ দিতে চেয়েছিলেন মেসিরাও

চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে হলে নেইমারকে প্রয়োজন। বার্সেলোনার বর্তমান দলটির শীর্ষস্থানীয় একজন সদস্য নাকি ক্লাব প্রেসিডেন্ট হোসে মারিয়া বার্তমেউকে এমনটাই জানিয়েছিলেন। এমনকি নেইমারকে ‘ঘরে’ ফেরাতে প্রয়োজনে নিজেদের পকেটের অর্থ খরচ করারও আগ্রহ দেখিয়েছিলেন কয়েকজন সিনিয়র খেলোয়াড়। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘স্পোর্ত’ এমনটাই জানিয়েছে।

এটা তো আগেই জানা গেছে, পিএসজির সঙ্গে নেইমারকে নিয়ে দরকষাকষি নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছিলেন মেসিসহ সিনিয়র কয়েকজন খেলোয়াড়। মেসি, লুইস সুয়ারেস ও জেরার্ড পিকে এ ব্যাপারে পরোক্ষে ক্লাব ও নেইমারের সঙ্গে যোগযোগ ও তদবিরও করেছিলেন বলে জানা যায়। এ থেকেই বোঝা যায়, বার্সার ড্রেসিং রুমে নেইমারের অবস্থান এখনও মজবুত।

নেইমার নিজেও বার্সায় ফিরতে এতটাই মরিয়া ছিলেন যে, প্রয়োজনে ট্র্যান্সফার ফি’র ২০ মিলিয়ন ইউরো নিজের পকেট থেকেই দিতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্ত পিএসজির চাহিদা ততক্ষণে আরও বেড়ে গেছে। কিছুদিন আগে শোনা গেছে, পিএসজি নাকি নেইমারের জন্য ৩০০ মিলিয়ন ইউরো দাবি করেছিল। তবে বার্সা প্রেসিডেন্ট হোসে মারিয়া বর্তমেউ জানিয়েছেন, তিন খেলয়াড়ের সঙ্গে ১২০ মিলিয়ন ইউরো দাবি করেছিল পিএসজি।

এরপর বার্সার সিনিয়র খেলোয়াড়দের নেইমারকে কেনার অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব অবশ্য নাকচ করে দিয়েছিলেন ক্লাবের বোর্ড সদস্যরা। কেউ কেউ তো এই প্রস্তাবকে ‘একদম’ পাগলামি বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। ফলে মেসিদের চেষ্টা বিফলে যায়। 

আসলে নেইমারকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা বোর্ডের অনেকের কাছে ভালো ঠেকেনি। বিশেষ করে দলে আতোয়াঁ গ্রিজম্যানের আগমনে সমীকরণ বদলে গেছে। তবে নেইমার যেহেতু আসছেন না, তাই ইস্যুটা চাপা পড়ে যাচ্ছে। কিন্তু নেইমারকে নিয়ে সিনিয়রদের আগ্রহ দলে গ্রিজম্যানের অবস্থান কঠিন করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেক বার্সা সমর্থক।

বাংলাদেশ সময়: ২১১০ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৯
এমএইচএম

 

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-09-07 23:53:06