ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩ আশ্বিন ১৪২৬, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
bangla news

হারলে বাদ পড়ার শঙ্কায় ছিলেন মাশরাফি

স্পোর্টস ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০১-১৯ ৯:২২:৪৮ পিএম
মাশরাফি বিন মর্তুজা। ফাইল ছবি: শোয়েব মিথুন/বাংলানিউজ

মাশরাফি বিন মর্তুজা। ফাইল ছবি: শোয়েব মিথুন/বাংলানিউজ

চলতি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্রথম ৬ ম্যাচে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুর রাইডার্সের জয় মাত্র দুই ম্যাচ। শনিবার (১৯ জানুয়ারি) স্বাগতিক সিলেট সিক্সার্সের বিপক্ষে ম্যাচটি হেরে গেলে এক প্রকার আসর থেকেই বাদ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় ছিল মাশরাফি মর্তুজার দল। অধিনায়ক নিজেও ছিলেন এই শঙ্কায়, জানালেন অকোপটেই।

১৯৫ রানের বিশাল লক্ষ্যে খেলতে নেমে রংপুরের শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি। ক্যারিবিয়ান তারকা ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইল ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই আউট হয়ে ফেরেন। কিন্তু রাইলি রুশোর ব্যাটে জয়ের দিকে এগিয়ে যায় রংপুর। আর শেষের দিকে ফরহাদ রেজার হাত ধরে তিন বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটে জয় পায় দলটি। যা আসরে তাদের তৃতীয় জয়।   

শেষপর্যন্ত জয় পাওয়ায় হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া স্বস্তি ফিরিয়েছে রংপুর শিবিরে। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে রংপুর অধিনায়ক বলেন, ‘আমরা যদি এই ম্যাচটা হারতাম তাহলে হয়তো টুর্নামেন্ট থেকেই বাদ পড়ে যেতাম। আমরা ম্যাচ জেতার সবচেয়ে কঠিন পথটা ধরে এগিয়েছি। তবে ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়াটাই মূল। এখন আমরা পরের ম্যাচে আরো বেশি বিশ্বাস নিয়ে খেলতে পারবো।’

‘আমাদের ব্যাটিং গভীরতা খুব শক্তিশালী নয়। তবে আমাদের প্রথম চার ব্যাটসম্যান আবার বিশ্বসেরাদের মধ্যে অন্যতম। তাই আমাদের সেই আত্মবিশ্বাসটা ছিলো যে যদি পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে উইকেট না হারিয়ে ৬০-৬৫ করতে পারি তাহলে আমরা জিততেও পারি। কারণ পরে আবার ডি ভিলিয়ার্স ছিল। আমরা সৌভাগ্যবান যে ম্যাচ শেষ করতে পেরেছি, যেটা শেষের কয়েকটা ম্যাচে পারিনি। আজকের ম্যাচটা ৫০-৫০ ছিলো, কৃতিত্ব অবশ্যই ফরহাদের। সে যেভাবে ম্যাচটা জেতালো তা সত্যিই প্রশংসনীয়।’

বাংলাদেশ সময়: ২১২০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৯, ২০১৯
এমকেএম

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   ক্রিকেট বিপিএল মাশরাফি বিন মর্তুজা
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-01-19 21:22:48