ঢাকা, রবিবার, ৭ বৈশাখ ১৪২৬, ২১ এপ্রিল ২০১৯
bangla news

ড্র ম্যাচে সেঞ্চুরি পেলেন শাহরিয়ার নাফিস

স্পোর্টস ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৮-১০-১৮ ৬:৪৮:৩০ পিএম
শাহরিয়ার নাফিস-ছবি: সংগৃহীত

শাহরিয়ার নাফিস-ছবি: সংগৃহীত

ড্র হয়েছে বরিশাল-রাজশাহী ম্যাচ। বৃষ্টির কারণে চারদিনের ম্যাচের প্রথম দুই দিন পরিত্যক্ত হলে ম্যাচের ভাগ্য আগেই নিশ্চিত হয়ে যায়। তারপরও নিজেদের প্রথম ইনিংসে দুই দলই স্বল্প রানে সব উইকেট হারিয়ে কিছুটা উত্তেজনা ছড়ায়। কিন্তু চতুর্থ দিন নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে বরিশাল ৭ উইকেট হারিয়ে ২২৯ রান তুলতেই ম্যাচ ড্র ঘোষণা করা হয়। তবে এমন ম্যাড়ম্যাড়ে ম্যাচেও সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ম্যাচের সব আলো কেড়ে নিয়েছেন শাহরিয়ার নাফিস।

প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৩৩ রান তোলা বরিশালের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৫৫ রানে সব উইকেট হারিয়ে ফেলে রাজশাহী। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান আসে মুক্তার আলীর (৫৯*) ব্যাট থেকে। বরিশালের হয়ে সমান ৩টি করে উইকেট পেয়েছেন সোহাগ গাজী ও তানভির আলম। ২ উইকেট করে তুলে নিয়েছেন কামরুল ইসলাম রাব্বী ও মনির হোসেন।

নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য উইকেটের মিছিল থামিয়ে দিয়েছেন বরিশালের ওপেনার শাহরিয়ার নাফিস। দলীয় ১৬ রানেই ওপেনার রাফসান আল মাহমুদ (৯) তাইজুল ইসলামের শিকার হয়ে ফিরলে আরও একবার ব্যাটিং ধ্বসের সম্ভাবনা জাগে বরিশালের। 

কিন্তু শামসুল ইসলামকে (৬২) সঙ্গে নিয়ে ১৪২ রানের জুটি গড়ে সেই সম্ভাবনা নাকচ করে দেন নাফিস। দলীয় ১৫৮ রানে ফরহাদ হোসেনের বলে সাব্বির রহমানের ক্যাচে পরিণত হওয়ার আগে দারুন এক সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন এই বাঁহাতি ওপেনার। ১৬১ বলে ১০২ রানের এই ইনিংসটি ১২টি চার ও ৩টি ছক্কায় সাজানো। 

নাফিসের বিদায়ের পর আবারও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বরিশাল। তবে চতুর্থ দিন হওয়ায় ৭৫ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে বরিশাল ২২৯ রান তুলতেই ম্যাচ ড্র ঘোষণা করা হয়। বল হাতে রাজশাহীর হয়ে ৩ উইকেট করে পেয়েছেন তাইজুল ইসলাম ও সাব্বির রহমান। ১ উইকেট পেয়েছেন ফরহাদ হোসেন।

অন্যদিকে শেষদিনে তুষার ইমরানের ৩১তম সেঞ্চুরির মাইলফলকের পর জিয়াউর রহমানের ফিফটিতে ৩৩৪ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে ইনিংস ডিক্লেয়ার করেছিল খুলনা। ৩২৪ রানের টার্গেট তাও শেষ সেশনে, এই অসম্ভব টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১ উইকেট হারিয়ে রংপুর ৯১ রান তুলতেই ম্যাচের ফল ড্র মেনে নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল। 

জাতীয় ক্রিকেট লিগের টায়ার-১ এর ম্যাচের চতুর্থ দিনে আজ বৃহস্পতিবার (১৮ অক্টোবর) খুলনায় নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসকে ৩৩৪ রান পর্যন্ত নিয়ে যান খুলনার ব্যাটসম্যানরা। এর মাঝে ক্যারিয়ারের ৩১তম সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে মাইলফলকে নাম লিখিয়েছেন খুলনার ব্যাটসম্যান তুষার ইমরান। এই সেঞ্চুরির মাধ্যমেই প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে ১১ হাজার রানের মালিক হলেন ৩৪ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান।

ব্যক্তিগত ১০৩ রানে দলের ষষ্ঠ উইকেট হিসেবে তুষার ইমরান তানভির হায়দারের বলে আউট হয়ে গেলে হাল ধরেন জিয়াউর রহমান। দলীয় ৩১২ রানে মাহমুদুল হাসানের বলে সোহরাওয়ার্দী শুভ’র হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ৫ চার আর ৩ ছক্কায় ৬৩ রানের দারুন এক ইনিংস খেলেন জিয়াউর। এরপর মেহেদি হাসান (৩১) ও আল-আমিন (৯) বিদায় নিলে ৯ উইকেট হারিয়ে ৩৩৪ রানে ইনিংস ডিক্লেয়ার করে খুলনা।

রংপুরের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯ রান খরচে ৪ উইকেট পেয়েছেন মাহমুদুল হাসান। ২ উইকেট পেয়েছেন তানভির হাসান।

৩২৪ রানের বিশাল টার্গেট বাকি সময়ে পার হওয়া অসম্ভব। তাই রংপুরের ব্যাটসম্যানরা যথাসম্ভব দ্রুতগতিতে ৯১ রান তুলতেই ম্যাচ ড্র ঘোষণা করা হয়। শেষের ২৩ ওভারের খেলায় রংপুরের ওপেনার জাহিদ জাবেদ তুলে নিয়েছেন দ্রুতগতির ফিফটি। ৬৬ বলে অপরাজিত ৬৪ রানের ইনিংসটি ৮ চারে সাজানো। রংপুরের একমাত্র উইকেট তথা মেহেদি মারুফের (১২) উইকেট তুলে নিয়েছেন আল-আমিন হোসেন।

ব্যাটে-বলে অনবদ্য পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরা হয়েছেন সৌম্য সরকার। দুই ইনিংসে ৭৬ ও ৭১ আর বল হাতে ৫ উইকেট পেয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশ সময়: ১৮৪৮ ঘণ্টা, অক্টোবর ১৮, ২০১৮
এমএইচএম

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   ক্রিকেট
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14