[x]
[x]
ঢাকা, বুধবার, ৫ চৈত্র ১৪২৫, ২০ মার্চ ২০১৯
bangla news

ক্যামেরুন-ডেনমার্কের বাঁচা-মড়ার ম্যাচ

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১০-০৬-১৮ ১২:৩৫:৪৯ পিএম

আফ্রিকার আশাভরসার প্রতীক ক্যামেরুন এখন নিরাশার দোলাচলে। এই বুঝি থেমে গেলো তাদের বিশ্বকাপ অভিযাত্রা। ডেনমার্কের কাছে হারলেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত। সে কারণেই কোচের প্রতি সিনিয়র খেলোয়াড়দের আর্জি দ্বিতীয় ম্যাচে অভিজ্ঞদের খেলানোর।

ঢাকা: আফ্রিকার আশাভরসার প্রতীক ক্যামেরুন এখন নিরাশার দোলাচলে। এই বুঝি থেমে গেলো তাদের বিশ্বকাপ অভিযাত্রা। ডেনমার্কের কাছে হারলেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত। সে কারণেই কোচের প্রতি সিনিয়র খেলোয়াড়দের আর্জি দ্বিতীয় ম্যাচে অভিজ্ঞদের খেলানোর।

জাপানের বিপক্ষে তরুণদের বেছে নিয়েছিলেন কোচ পল লে গুয়েন। এতে অবশ্য লাভ হয়নি। তাঁর দল হেরে গেছে ১-০ গোলে। এতে কোচের বিরুদ্ধে স্বোচ্চার হওয়ার মোক্ষম সুযোগ পেয়ে প্রতিবাদী হয়ে উঠেন সিনিয়র খেলোয়াড়রা। এমনকি দল নির্বাচনে পুনর্বিবেচনারও দাবি জানান।

প্রথম ম্যাচে অভিজ্ঞদের বাদ দেওয়াটা দুঃখজনকই মনে করেন মিডফিল্ডার আচিলে ইমানা। “বিশ্বকাপের মতো বড় ম্যাচের চাপ নিতে অভ্যস্ত নয় তরুণরা। সে জন্যই দল নির্বাচনে সিনিয়রদের পুনর্বিবেচার আহবান জানানো।” ডেনমার্কের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়াতেই অদম্য সিংহের মাঝমাঠের ওই খেলোয়াড়ের এমন দাবি।   

ইমানা জাপানের বিপক্ষে বদলি হিসেবে খেলার সুযোগ পেলেও গুরুত্বপূর্ণ দুই ডিফেন্ডার রিগোবার্ট সং এবং জেমি, মিডফিল্ডার আলেকজান্ডার সং’কে খেলার পুরো সময় অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে রিজার্ভ বেঞ্চে। দলের বিপদ মুহূর্তেও ডাক পড়েনি।  

খেলোয়াড়দের চাপের মুখে ক্যামেরুনের ফরাসি কোচ মত পরিবর্তন নাও করতে পারেন। উল্টো একেবারেই তারুণ্য নির্ভর হয়ে গেলে অবাক হওয়ার কিছুই নেই। এমনটা হলে টানা নবম ম্যাচে পরাজয়ের স্বাদ নিতে অপেক্ষায় থাকতে হবে অদম্য সিংহদের।

তারপরেও দলের মূল স্ট্রাইকার স্যামুয়েল ইতো মনে করেন ঠিক পথেই এগুচ্ছে তার দল। বলেন,“আমরা পুরো ম্যাচেই ভাল খেলেছি। একটা ভুল করেছি তাকেই কাজে লাগিয়েছে জাপান। আত্মবিশ্বস বাড়ালেই সব ঠিক হয়ে যাবে।”

ওদিকে স্ক্যান্ডিনেভিয়ার দেশ ডেনমার্ক বিশ্বকাপ শুরু করেছে হার দিয়ে। নেদারল্যান্ডের কাছে ২-০ গোলে পরাজয় মেনে নিতে হয় তাদের।

দ্বিতীয় রাউন্ডের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে হলে এ ম্যাচে ড্যানিশদের সামনেও জয়ের বিকল্প নেই। সাফল্যের প্রত্যাশায় মুখিয়ে আছে তারা। গোলরক্ষক থমাস সোরেনসেন বলেন,“ক্যাম্পের সবাইকে মানসিক ভাবে উজ্জীবিত দেখেছি। সাফল্যের আশায় সবাই মুখিয়ে আছে। আমি মনে করি দলের জন্য এরচেয়ে ভাল আর কিছুই হতে পারে না।”

আফ্রিকার দলের বিপক্ষে বিশ্বকাপে ম্যাচ হারের অভিজ্ঞতা নেই ড্যানিশদের। এর আগে তিনবারের মুখোমুখিতে একটি জয়, বাকি দু’টি অমিমাংসিতভাবে শেষ হয়েছে। তবে এ ম্যাচে ক্যামেরুনের চেয়েও ডেনমার্কের বড় প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের চোট। স্ট্রাইকার জন দাল টমসনের উরুতে, মাইকেল বেকম্যান পায়ের পাতার ডগায় চোট নিয়ে অনুশীলনের বাইরে।

কুঁচকির চোট সারিয়ে ফরোয়ার্ড নিকোলাস বেন্ডনার মাঠে ফিরবেন বলে কোচ মর্টেন ওলসেন আশাবাদি হলেও আঘাতের সারিতে যোগ হয়েছেন আরো দুইজন। তরুণ ডিফেন্ডার সিমোন কজাজেয়ার হাঁটুতে আঘাত পেয়েছেন। মিডফিল্ডার ড্যানিয়েল জেনসেন গোড়ালিতে ক্ষত নিয়ে অনুশীলন করেছেন।

টানা তিন ম্যাচে কোন গোল না পাওয়া ডেনমার্ক হয়তো শিকার বানাতে চেষ্টা করবে ক্যামেরুনকেই। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে বারটায় মুখোমুখি হবে প্রথম ম্যাচের দুই পরাজিত দল।  

বাংলাদেশ স্থানীয় সময়: ১৭০৩ ঘ. ১৮ জুন, ২০১০
এসএ

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
db