bangla news

এবার শ্রীলঙ্কার পালা

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১১-০৩-২৫ ১০:৩৯:২৮ এএম

বিশ্বকাপে ফাইনালে অন্তত একটি এশিয়ান দেশের থাকাটা নিশ্চিত করেছে ভারত ও পাকিস্তান। অল এশিয়ান ফাইনালের সম্ভাবনাকে বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব কাঁধে চেপেছে বিশ্বকাপের আরেক স্বাগতিক লঙ্কানদের। অন্তত আগে শীর্ষ চারে জায়গা করে নিতে হলে শনিবার অবশ্যই ইংল্যান্ডকে হারাতে হবে তাদেরকে।

কলম্বো: বিশ্বকাপে ফাইনালে অন্তত একটি এশিয়ান দেশের থাকাটা নিশ্চিত করেছে ভারত ও পাকিস্তান। অল এশিয়ান ফাইনালের সম্ভাবনাকে বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব কাঁধে চেপেছে বিশ্বকাপের আরেক স্বাগতিক লঙ্কানদের। অন্তত আগে শীর্ষ চারে জায়গা করে নিতে হলে শনিবার অবশ্যই ইংল্যান্ডকে হারাতে হবে তাদেরকে।

বিশ্বকাপের চতুর্থ কোয়ার্টার ফাইনালে শনিবার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ৯৬’র বিশ্বচ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা মুখোমুখি হচ্ছে তিন বারের ফাইনালিস্ট ইংল্যান্ডের। উভয়ের মধ্যকার বিজয়ী দল ২৯ মার্চ একই ভেন্যুতে সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনাল জয়ীর।

গ্রুপ পর্বের খেলার পারফরমেন্সে ইংলিশদের বিপক্ষে এগিয়ে থাকছে লঙ্কানরা। টুর্নামেন্টে অন্যতম ফেভারিট হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে তারা। শ্রীলঙ্কা ১১২ রানে নিউজিল্যান্ডকে, ১৩৯ রানে জিম্বাবুয়েকে, কেনিয়াকে ৯ উইকেটে ও কানাডাকে ২১২ রানে পরাজিত করে। পক্ষান্তরে পাকিস্তানের কাছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ১১ রানে পরাজিত হয়। এছাড়া বৃষ্টির কারণে খেলা পরিত্যক্ত হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে।

অন্যদিকে অনেক চড়াই উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে এগোনো ইংল্যান্ড ভাগ্যক্রমে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তাদের অসাধারণ জয় বিশ্বকাপের আরেক স্বাগতিক বাংলাদেশের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার স্বপ্নকে ফিকে করে দেয়। মজার ব্যাপার হচ্ছে গ্রুপ পর্যায়ে তুলনামূলক অনেক দুর্বল দুটি দলের বিপক্ষে হেরেও কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ঠিকই পয়েন্ট আদায় করেছে ইংল্যান্ড।

আয়ারল্যান্ডের কাছে তিন উইকেটে ও বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই উইকেটে হারের স্বাদ নিয়েছে ইংলিশরা। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে লড়াকু জয় তুলে নেয়। নিজেদের মাটিতে ফেভারিট ভারতকেও ছেড়ে কথা বলেনি তারা। বড় স্কোর তাড়া করে একটি পয়েন্ট আদায় করে নেয়। এছাড়া নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৬ উইকেটের জয় তো আছেই।

নিজেদের মাটিতে শ্রীলঙ্কা কিছুটা এগিয়ে থাকলেও ইংল্যান্ডকে পেছন থেকে শক্তি জোগাবে তাদের লড়াকু মানষিকতা। গ্রুপ পর্যায়ে কোনো বড় দলের বিপক্ষে না হারার রেকর্ড ইংলিশদের প্রেরণা জোগাবে। সবমিলিয়ে বলা যায় লঙ্কানদের জন্য শীর্ষ চারে উঠার পথ ততটা মসৃণ নয়।

বাংলাদেশ সময়: ২০৩৮ ঘণ্টা, মার্চ ২৫, ২০১১

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
db 2011-03-25 10:39:28