bangla news

বিসিবির সঙ্গে সমন্বয় করবে সিটি কর্পোরেশন

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১১-০২-০১ ১০:২৪:০৩ এএম

তিন মাস আগে যা হতে পারতো সেই আলোচনা হয়েছে মঙ্গলবার বিশ্বকাপ শুরুর ১৭ দিন আগে। ঢাকা মহানগরের শোভাবর্ধন এবং সার্বিক উন্নয়নের বিষয় নিয়ে মেয়র সাদেক হোসেন খোকার সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি আ হ ম মোস্তফা কামাল (লোটাস কামাল)।

ঢাকা: তিন মাস আগে যা হতে পারতো সেই আলোচনা হয়েছে মঙ্গলবার বিশ্বকাপ শুরুর ১৭ দিন আগে। ঢাকা মহানগরের শোভাবর্ধন এবং সার্বিক উন্নয়নের বিষয় নিয়ে মেয়র সাদেক হোসেন খোকার সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি আ হ ম মোস্তফা কামাল (লোটাস কামাল)।

উপস্থিত সাংবাদিকদের জানানো হলো ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে। দারুণ খবর রটে। অন্তত এটুকু বলা যায় বিশ্বকাপের সফল আয়োজনে দলমত নির্বিশেষে সবাই আন্তরিক। প্রশ্ন আসতে পারে আলোচনা আগে হলে নগর উন্নয়নের কাজ বেশি বেগবান হতো কী না? উত্তর এই মুহূর্তে জানা নেই। তবে দেরিতে হলেও উভয় পক্ষ জাতীয় স্বার্থে এক মত হয়েছেন এর চেয়ে সুখবর হতে পারে না।

বিশ্বকাপ সামনে রেখে ঢাকা মহানগরকে ব্যাপকভাবে সাজানো হবে। যার কিছু কাজ করবে বিসিবি। বাকিটা দায়িত্ব পড়েছে মেয়র ভবনের ওপর। কাজের মধ্যে সমন্বয় রাখতে মেয়রের সঙ্গে বিসিবি সভাপতির বৈঠক হয়। বিশেষ করে আলোকসজ্জার একট বড় অংশ জুড়ে থাকছে বিসিবির অংশগ্রহণ। সড়ক উন্নয়ন, ফুটপাথ সংস্কার, অবৈধ স্থাপনা তুলে দিয়ে মিরপুরকে সুন্দর করে গড়ে তুলা হচ্ছে। এই কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগকে। সভা শেষে ঢাকার মেয়র জানান, এরই সড়ক উন্নয়নের কাজ প্রায় ৯৫ ভাগ শেষ হয়েছে। ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন হবে বাকি কাজ। সেনা সদস্যরা ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার পর থেকে নগর পরিচ্ছন্ন এবং সাজানোর কাজ শুরু হবে।

মূলত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম এবং মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার সড়ক পথ সংস্কার ও উন্নয়ন হচ্ছে। এই ২২ কিলোমিটা সড়ক সাজানো হবে ফুল দিয়ে। সুন্দর সুন্দর গেট বানানো হবে। মেয়র জানান, বিশ্বকাপ শুরুর দুই দিন আগে থেকে ফুলের নগরিতে পরিণত হবে ঢাকার একাংশ।

মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে দুই নম্বর প্রশিকা ভবন, এক নম্বর সনি সিনেমা হল পর্যন্ত শোভাবর্ধন করা হবে। বলতে গেলে পুরো মিরপুরের চেহারা এরই মধ্যে বদলে গেছে। স্টেডিয়ামের পাশের সড়কগুলোতে লেগেছে অত্যাধুনিক ঝলমলে বাতি। সিঙ্গাপুর থেকে আনা হয়েছে বাতিগুলো।

মেয়র জানান, ২২ কিলোমিটার সড়কের আশপাশের বাড়িগুলোকে রং করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিশ্বকাপের জন্য অতিরিক্ত পরিচ্ছন্ন কর্মীও নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। মশা এবং পোকামাকড়ের উৎপাত থাকবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন মেয়র খোকা।

নগরবাসীর জন্য সুখের বিষয় হলো প্রায় দেড় মাস ভিুক, ভরঘুরে এবং উটকো লোকের ঝামেলা থাকবে না। বিশ্বকাপের খেলা চলাকালে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় অসহায় এই মানুষগুলোকে পুনর্বাসন করা হবে ভবঘুরে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে।

ক্রিকেট নিয়ে দারুণ কিছু কথা বলেছেন সাদেক হোসেন খোকা,“স্বাধীনতার পর থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দেশকে যতটা বিশ্বে পরিচিত করা গেছে তার চেয়ে ঢের বেশি পরিচিতি পেয়েছে ক্রিকেটের মাধ্যমে। অতএব ক্রিকেটের জন্য, দেশের জন্য বিশ্বকাপ সফল করতে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়ার জন্য আমি প্রস্তুত আছি। বিসিবি চাইলেই আমি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেব।”

বাংলাদেশ সময়: ২১১২ ঘন্টা, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০১১

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
db 2011-02-01 10:24:03