ঢাকা, শুক্রবার, ৩ বৈশাখ ১৪২৮, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ০৩ রমজান ১৪৪২

অপার মহিমার রমজান

সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় মসজিদে পুরনো হাফেজেই আস্থা

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৪১৮ ঘণ্টা, মে ৩১, ২০১৭
সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় মসজিদে পুরনো হাফেজেই আস্থা সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, সুনামগঞ্জ

সুনামগঞ্জ: গত বছর নামাজ পড়ানো হাফেজরা এবারও তারাবি পড়াচ্ছেন সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে।

হাফেজ ফজলুল হক ও হাফেজ ফরিদ উদ্দিন চলতি রমজানের তারাবিসহ ৩ বছর ধরে এই মসজিদে নামাজ পড়াচ্ছেন এই দু’জন।  

এর আগে এর আগে সিলেটর গোপ গ্রামসহ সুনামগঞ্জের বিভিন্ন অঞ্চলে তারাবির নামাজ পড়ানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের।

দু’জন মিলে ১০ রাকাত করে মোট ২০ রাকাত তারাবির নামাজ পড়ান।

জেলা শহরের কেন্দ্রীয় প্রাচীন এই মসজিদটি নির্মিত হয় ১৯২৮ সালে। প্রতি বছরই রমজান মাসে খতমে তারাবির নামাজ হয় মসজিদটিতে।  

কেন্দ্রীয় মসজিদটি শহরের ঠিক মধ্যভাগে অবস্থিত হওয়ার কারণে আশপাশের এলাকা থেকে মুসল্লিদের আসতে অনেক সুবিধা হয়।  

শহরের হাসন নগর, বালুর মাঠ, কাজীর পয়েন্টসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লিরা আসেন নামাজ বড় জামাতে তারাবির নামাজ আদায়ের জন্য।  

প্রায় সময়ই দেখা যায়, মসজিদের ভেতরে জায়গা না পেয়ে মুসল্লিরা মসজিদের বাইরে দাঁড়িয়েছেন নামাজ আদায় করতে।

মুসল্লিদের স্থান সংকুলান না হওয়ায় মসজিদটি আরও সম্প্রসারণের জন্য দাবি জানিয়েছেন মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা নূর হোসাইন।

সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে রয়েছে তিনটি বিশাল গম্বুজসহ বেশ কিছু ছোট মিনার। এমন দৃষ্টিনন্দন মিনার ও গম্তুজসহ মসজিদ এই এলাকায় আর নেই বললেই চলে।  

মুসল্লিদের নামাজ আদায়ে যাতে কোনো কষ্ট নয় হয়, সেজন্য জেনারেটরের ব্যবস্থা রয়েছে। রয়েছে অজুর জন্য অজুখানা ও বিশাল পুকুর। রমজান মাস উপলক্ষ্যে নতুন করে রং করা হয়েছে মসজিদে।
হাফেজ ফরিদ উদ্দিন এবারও তারাবি পড়াবেন সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে
মুসল্লিদের নামাজ আদায়ে যাতে কোনো কষ্ট নয় হয়, সেজন্য জেনারেটরের ব্যবস্থা রয়েছে।

সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এবার রমজান মাসে ইফতারের কোনো আয়োজন নেই। অন্য বছর ধনীদের দানে ইফতারের আয়োজন করা হত, কিন্তু এবার কেউ এগিয়ে না আসায় ইফতারের আয়োজন করা হয়নি।  

সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের নিয়মিত মুসল্লি আফজাল হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, আমি প্রতিবছর এই মসজিদে তারাবি আদায় করি। এখানে অনেক মুসল্লির সমাগম ঘটে। শহরের মধ্যেস্থলে মসজিদটির অবস্থান হাওয়ার কারণে বাসা থেকে আসতেও সুবিধা হয়। এ ছাড়া অনেক যাচাই-বাছাই করে ভালো হাফেজ নিয়োগ দেওয়া হয়। তারা খুব ভালোভাবে নামাজ পড়ান। তাদের গলার স্বরও অনেক ভালো।  

মসজিদে তারাবি পড়াতে আসা জেলা বিশ্বম্ভপুর উপজেলার হাফেজ ফরিদ উদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, আমরা আল্লাহর পথে কাজ করছি। আল্লাহকে খুশি করার জন্য। তার বান্দা হিসেবে এটাই আমাদের সর্বোত্তম কাজ। আমার তেলাওয়াত শুনে মানুষ যখন প্রশংসা করে তখন অনেক ভালো লাগে। হাফেজ হিসেবে নিজেকে স্বার্থক মনে হয়।

ইসলাম বিভাগে লেখা পাঠাতে মেইল করুন: [email protected]

বাংলাদেশ সময়: ২০১৮ ঘণ্টা, মে ৩১, ২০১৭
এমএইউ/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
welcome-ad
Alexa