ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ বৈশাখ ১৪৩১, ০৭ মে ২০২৪, ২৭ শাওয়াল ১৪৪৫

রাজনীতি

‘৫১ বছরে কূটনীতিকদের প্রটোকল প্রত্যাহারের ঘটনা ঘটেনি’

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৬৪৮ ঘণ্টা, মে ১৭, ২০২৩
‘৫১ বছরে কূটনীতিকদের প্রটোকল প্রত্যাহারের ঘটনা ঘটেনি’

ঢাকা: দেশের একান্ন বছরে দেশে বিদেশি কূটনীতিকদের প্রটোকল প্রত্যাহারের মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মোশাররফ হোসেন।

বুধবার (১৭ মে) ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচি পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আমিনুল হকের সঞ্চালনায় পদযাত্রা কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বকুল, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা রফিকুল ইসলাম, বিএনপি নেতা তাবিথ আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে বিকেল সাড়ে তিনটায় পদযাত্রা শুরু হয়। উত্তর বাড্ডার শাহজাদপুরের সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে থেকে শুরু করে রামপুরা হয়ে মালিবাগ আবুল হোটেল মোড়ে এসে এই পদযাত্রা শেষ হবে।

সমাবেশে ড. মোশাররফ বলেন, বাংলাদেশে এখন উচ্চ পর্যায় থেকে নিম্ন পর্যায় পর্যন্ত দুর্নীতি। দেশের অর্থ পাচার করে সব শূন্য করে দিয়েছে। দেশের মানুষ আজ দুবেলা পেট পুরে খেতে পারে না। মধ্যবিত্ত আজ গরিব হয়ে যাচ্ছে। সরকার নিজেদের ইচ্ছামতো নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি করেছে।

তিনি বলেন, এ সরকারের আমলে দেশের মানুষ ভোট দিতে যায় না। গত কয়েকদিন আগে একটি উপনির্বাচনে শুধু ১৪ শতাংশ ভোট পড়েছে। এতে বোঝা যায় কেউ এ সরকারের অধীনে ভোট দিতে চায় না। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকতে আর কোনো ভোট হতে দেবো না। জনগণ তা হতে দেবে না।  

বিএনপির সিনিয়র এই নেতা বলেন, একটাই দফা এই সরকারকে হটাতে হবে। কোনো স্বৈরাচার এমনি এমনি যায় না। তাকে হটাতে হয়। তাই এ সরকারকে হটাতে গণঅভ্যুত্থানের কোনো বিকল্প নেই। এজন্য আপনারা প্রস্তুতি নেন।

বিদেশি কূটনীতিকদের প্রটোকল প্রত্যাহারের বিষয়ে মোশাররফ হোসেন বলেন, গত একান্ন বছরে দেশে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। সরকার বিদেশিদের কাছে ধর্না দিয়ে কোনো লাভ পায়নি। তাই সরকার পাগল হয়ে গেছে। আপনারা সজাগ থাকুন। কোনো ষড়যন্ত্র বা ফাঁদে পা দেবেন না। সরকারকে হটিয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করা হবে।

সভাপতির বক্তব্যে আমান উল্লাহ আমান বলেন, আমরা সরকারকে বার্তা দিতে চাই, জনগণের চোখের ভাষা বুঝুন। আগের মতো আর ভোট হতে দেবো না। আগামী নির্বাচন কোনোভাবে এই সরকারের অধীনে হবে না। করতে দেবো না। শরীরে একফোঁটা রক্ত থাকে জনগণ এই সরকারের অধীনে ভোট দিতে দেবে না।  
সরকারকেও ওই লাল দালানে ঢুকতে হবে এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, আমাদের কাছে জেলখানা এখন পান্তা ভাত। আমরা আর ভয় করি না। আপনারা ভয় পাবেন না। এবার সরকারকে টেনেহিঁচড়ে নামাবো। জনগণ নামিয়ে ছাড়বে। যতই জেল আর মিথ্যা মামলার রায় দিক, কোনো লাভ হবে না। সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে। এখনও সময় আছে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিন।

বাংলাদে সময়: ১৬৬৭ ঘণ্টা, মে ১৭, ২০২৩
টিএ/এমজেএফ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।