ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ মাঘ ১৪২৯, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৫ রজব ১৪৪৪

জাতীয়

আড়াইহজারে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে মাটি বিক্রির অভিযোগ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৭৪৮ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৯, ২০২২
আড়াইহজারে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে মাটি বিক্রির অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে একাধিক স্থানে ফসলি জমির মাটি বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গ্রামবাসী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

গত ১৭ নভেম্বর অভিযোগটি দিলেও মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার গোপালদী পৌরসভার লক্ষ্মীবরদী নয়াপাড়া গ্রামের অধিকাংশ ফসলি জমি ড্রেজারের কবলে পড়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার ফলে বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অপরিকল্পিতভাবে ড্রেজার দিয়ে মাটি খনন করার কারণে চারপাশের মাটি দেবে ভেঙে পড়ছে। মাটি পরিবহনের জন্য মাইলের পর মাইল পাইপ সংযোগ দিয়ে চলছে পুকুর কিংবা অন্য ফসলি জমি ভরাটের কাজ।

অবৈধ ড্রেজিংয়ের কারণে ৫০/৬০ ফুট গভীর থেকে মাটি ও বালু উত্তোলনের কারণে আশেপাশের তিন ফসলের জমিগুলো ডোবায় পরিণত হচ্ছে। তাছাড়া দুই সেচ পাম্পে প্রায় ২/৩ বিঘা জমিতে ইরি ধান চাষ হতো। কিন্তু বর্তমানে তা আর সম্ভব নয়।

অভিযোগ রয়েছে, জমির মালিক বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আফজাল ভূঁইয়ার সঙ্গে মিলেমিশে গোপালদী পৌর যুবলীগের সভাপতি মোহাম্মদ বিল্লাল ড্রেজার দিয়ে ফসলী জমি থেকে মাটি কেটে অন্যত্র বিক্রি করে দিচ্ছেন। গ্রামের নিরীহ মানুষ কয়েক দফায় বাধা দেওয়ার পরও তারা নিয়মিত বালু উত্তোলন করে যাচ্ছেন এবং পাশের জমির লোকদের নানারকম হুমকি দিচ্ছে।

গ্রামবাসী জানান, এভাবে চলতে থাকলে এলাকার নির্মাণাধীন ঘরবাড়িও বিলীন হবে। তাই ড্রেজার সরিয়ে ফসলি জমিতে ফসল চাষের সুযোগ করে দিতে তারা কর্তৃপর্ক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে গোপালদী পৌর যুবলীগের সভাপতি বিল্লাল হোসেনের মুঠোফোনে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

আড়াইহাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল ইসলাম বলেন, নিজের কিংবা পরের জমির মাটি বিক্রি করার কোনো নিয়ম নেই। আমরা ব্যবস্থা নেব।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৪৫ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৯, ২০২২
এমআরপি/এসএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa