ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ আষাঢ় ১৪২৯, ০৭ জুলাই ২০২২, ০৭ জিলহজ ১৪৪৩

জাতীয়

ফুলবাড়ী পৌর কাউন্সিলের বিরুদ্ধে খেলার মাঠ দখলের অভিযোগ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২২৪৪ ঘণ্টা, মে ২৫, ২০২২
ফুলবাড়ী পৌর কাউন্সিলের বিরুদ্ধে খেলার মাঠ দখলের অভিযোগ

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় খেলার মাঠ ও ঐতিহ্যবাহী চরম মেলার মাঠ দখলের অভিযোগ উঠেছে পৌর কাউন্সিলর মাজেদুর রহমানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

 

বুধবার (২৫ মে) দুপুরে ফুলবাড়ী পৌর এলাকার চাঁদপাড়া গ্রাম থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে পৌর শহর প্রদক্ষিণ করে ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসীরা ।

খেলার মাঠ রক্ষার দাবি জানিয়ে মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর গণস্বাক্ষর সম্বলিত একটি লিখিত অভিযোগ দেন তারা।  

এ সময় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে মাঠে খেলতে যাওয়া শতাধিক শিশু-কিশোরসহ এলাকার নারী-পুরুষরা অংশগ্রহণ করেন।  

মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার চাঁদপাড়া এলাকায় ছোট যমুনা নদীর তীর সংলগ্ন সুজাপুর মৌজার ১৮১৫ দাগের সম্পত্তিটি সরকারি এবং এসএ খতিয়ানে তা জনসাধারণের স্বার্থে ব্যবহারের জন্য উম্মুক্ত থাকার কথা বলা হয়েছে। ওই সম্পত্তিটিতেই দীর্ঘদিন থেকে চাঁদপাড়া এলাকাবাসী খেলার মাঠ ও হিন্দু সম্প্রদায় ঐতিহ্যবাহী চড়ক পূজা ও মেলার আয়োজন করে আসছে। হঠাৎ করেই ওই এলাকার পৌর কাউন্সিলর মাজেদুর প্রভাব খাটিয়ে মাঠটিকে তার নিজের সম্পত্তি দাবী করে দখল করে নেন।  

এদিকে এর আগে মাঠটি উদ্ধারে চাঁদপাড়া এলাকাবাসী পৌর মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার না পেয়ে অবশেষে মাঠ উদ্ধারে মানববন্ধন ও বিক্ষোভে নেমেছেন বলে জানান তারা।

এসময় কয়েকজন এলাকাবাসী বলেন, তারা প্রায় অনেক বছর ধরে ওই মাঠটিতে খেলাধুলা করে আসছে। তাদের কোন খেলার মাঠ নেই। হঠাৎ করে ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাজেদুর মাঠটি দখলে নিয়ে খেলার পরিবেশ নষ্ট করছে। খেলার মাঠটি উদ্ধারে তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

পৌর সভার মেয়র আলহাজ্ব মাহমুদ আলম লিটন জানান, এলাবাসীর একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষকে নিয়ে কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

পৌর কাউন্সিলর মাজেদুর রহমান বলেন, আমি যে জায়গাটিতে রয়েছি, সেটি আমার বাপদাদার পৈত্রিক সম্পত্তি যার দাগ নাম্বার ১৮১৬। আমি কারো জায়গা দখল করিনি। এলাকাবাসীর দাবিকৃত জমিটি ১৮১৫ দাগের। সেই অনুযায়ী তাদের জমি আলাদা।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, এলাকাবাসীর কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

বাংলাদেশ সময়: ২২৪৪ ঘণ্টা, মে ২৫, ২০২২
এমএইচএম

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa