ঢাকা, শুক্রবার, ৬ কার্তিক ১৪২৮, ২২ অক্টোবর ২০২১, ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

জাতীয়

সড়ক তো নয়, যেন ছোট ছোট নালা! 

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০৭৩১ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
সড়ক তো নয়, যেন ছোট ছোট নালা! 

ফরিদপুর: ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ভেল্লাকান্দি ও নিশ্চিন্তপুর গ্রামের প্রায় দুই কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘদিন ধরে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে এ সড়ক দিয়ে যাত্রীবাহী ছোট ছোট পরিবহন ও মালবাহী পরিবহন যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

একটু বৃষ্টি হলেই খানা-খন্দ পানিতে ভরে মনে হয় এতো সড়ক নয় যেন ছোট ছোট নালা।  

এ সড়কের বিভিন্ন স্থানে কাদামাটিসহ ছোট-বড় অনেক গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে কয়েক হাজার মানুষ। ওই সড়ক দিয়ে অটোরিকশা, ইজিবাইক, মালবাহী গাড়ি, কিংবা যাত্রীবাহী ছোট ছোট যানবাহন উল্টে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।  

জানা গেছে, গ্রামে চলাচলের এই রাস্তা শুষ্ক সময়ে কোনো রকম থাকলেও বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগের যেন শেষ নেই। সারাদেশে রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন হলেও এ দুই গ্রামে এখনও সে ছোঁয়া লাগেনি।  

মধুখালীর অন্যতম প্রাচীন এবং বৃহত্তম দুটি গ্রাম ভেল্লাকান্দি ও নিশ্চিন্তপুর। গ্রাম দুটিতে রয়েছে দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদরাসা, মসজিদসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। বিশাল জনগোষ্ঠীর চলাচলের জন্য রাস্তা থাকলেও তা চলাচলের প্রায় অনুপযোগী।  

রোববার সকালে সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, ভেল্লাকান্দি ও নিশ্চিন্তপুর গ্রামের প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানা-খন্দ আর গর্তে বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। এ সড়কের কয়েক স্থানে গর্তে পানি জমে মনে হয় যেন নালায় পরিণত হয়েছে।  

সড়কটি কোথাও কোথাও দুই-তিন ফুট গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া সড়কটিতে বৃষ্টির পানি জমে কাদায় একাকার হয়ে গেছে। এমতাবস্তায় ওই জলাবদ্ধ পানি ও কাদামাখা সড়কটি দিয়েই যানবাহনসহ মানুষজন চরম দুর্ভোগ নিয়ে চলাচল করছেন।

ভেল্লাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা সামাদ মুন্সী বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তা দিয়ে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। আবার চলাচলের জন্য এটিই আমাদের একমাত্র রাস্তা। তাই বাধ্য হয়েই জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে কাদা মাড়িয়ে ঝুঁকি নিয়ে এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয়।

ডুমাইন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলম মাসুদ বলেন, রাস্তাটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের অধীনে রয়েছে। রাস্তাটি পাকা করার জন্য এক কোটি পাঁচ লাখ টাকার একটি টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এটি পাশ হলে দ্রুতই কাজ শুরু করতে পারব।

মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

বাংলাদেশ সময়: ০৭২৯ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
আরএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa